২০২২ সালের নভেম্বর মাস, ক্যানসারের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই শেষ করে না ফেরার দেশে পাড়ি দিয়েছিলেন জনপ্রিয় টেলিভিশন অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা শর্মা। অল্প বয়সেই তাঁর চলে যাওয়া যেন থমকে দিয়েছিল একঝাঁক মানুষের জীবন। শুধু অভিনয়ের জন্য নয়, জীবনের প্রতি তাঁর লড়াকু মনোভাব, হাসিমুখ আর সাহস আজও স্মৃতিতে উজ্জ্বল। ঐন্দ্রিলার অনুপস্থিতি আজও শূন্যতা তৈরি করে শর্মা পরিবারে, তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই যন্ত্রণা বুকে নিয়েই এগোতে শিখেছেন তাঁরা।
তিন বছর পর সেই শর্মা পরিবারেই ফিরেছে খুশির হাওয়া। ৩ ফেব্রুয়ারি আইনি বিয়ে সারলেন ঐন্দ্রিলার দিদি ঐশ্বর্যা শর্মা। আংটিবদলের মাধ্যমে শুরু হল নতুন জীবনের পথচলা। বোনের ছবির সামনেই সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন ঐশ্বর্যা ও তাঁর জীবনসঙ্গী দিব্যজিৎ দত্ত। পরিবারের কাছে এই দিনটি যেমন আনন্দের, তেমনই আবেগেরও।
এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঐন্দ্রিলার প্রেমিক সব্যসাচী চৌধুরী। সাদা শার্ট ও ডেনিম প্যান্টে অনুষ্ঠানকক্ষে প্রবেশ করতেই নজর কাড়েন অভিনেতা। ঐন্দ্রিলার পোষ্যেরা তাঁকে দেখেই যেন ছুটে যায় তাঁর কাছে। দীর্ঘদিন পর সব্যসাচীর উপস্থিতি আবেগতাড়িত করে তোলে অনুষ্ঠানের পরিবেশ। আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে পুরনো পরিচয়ের কথাও উঠে আসে।
এই প্রসঙ্গেই মুখ খুলেছেন ঐন্দ্রিলার মা শিখা শর্মা। তিনি জানান, ঐন্দ্রিলা বেঁচে থাকাকালীন যেমনভাবে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন সব্যসাচী, এখনও ঠিক তেমনই খোঁজখবর নেন। শুধু যোগাযোগই নয়, তিনি ভীষণ কেয়ারিং বলেও জানান ঐন্দ্রিলার মা। তাঁর কথায়, সব্যসাচীর সঙ্গে কথা বললে এখনও ভালো লাগে, একটা আপন অনুভূতি কাজ করে।
আরও পড়ুনঃ “নে’শাগ্রস্ত করে আধঘন্টা টানা অ’ত্যাচার করেছিল…চুপ ছিলাম, এবার আইনি পথেই যাচ্ছি!” ‘অলিপাব’ বিতর্কের পর, সায়কের বিরুদ্ধে যৌ*ন হেন’স্থার অভিযোগে মুখ খুললেন স্যান্ডি সাহা!
বড় মেয়ের বিয়ের দিনে দুঃখের কথা টানতে নারাজ শিখা শর্মা। তাঁর বিশ্বাস, ঐন্দ্রিলা আজও তাঁদের চারপাশেই রয়েছে। ঐশ্বর্যা ও দিব্যজিতের নতুন জীবনের শুরুতে আশীর্বাদই কামনা করেছেন তিনি। শোক আর স্মৃতির মাঝেই এ ভাবেই নতুন অধ্যায়ের সূচনা হল শর্মা পরিবারে।






