সামান্য ওষুধ কিনতে গিয়েই পুলিশি হে’নস্তার অভিযোগ তুললেন, অভিনেত্রী-ইনফ্লুয়েন্সার নিকিতা দাস! সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও ভাইরাল হতেই বিতর্কের ঝড়! “খালি ব্লগ ব্লগ খেলা, এই ট্রেন্ডটা বন্ধ করা দরকার!” পাল্টা কড়া ভাষায় সমালোচনা পরিচালক রানা সরকারের!

বর্তমানের সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে প্রতিটি মুহূর্তই মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। মানুষ তাদের দৈনন্দিন জীবনের ছোট ছোট ঘটনার ছবি বা ভিডিও শেয়ার করেন এবং তা কখনও কখনও বড় আলোচনার জন্ম দেয়। সমাজমাধ্যম কেবল তথ্য পৌঁছে দেয় না, বরং মানুষের মনোভাবও তৈরি করে, কখনো কখনো এক সাধারণ ঘটনাকে অপ্রত্যাশিত বিতর্কের আকার দেয়।

কিছুদিন আগেই সোশ্যাল মিডিয়া তোলপাড় করেছিল অভিনেতা শায়ক চক্রবর্তীর গোমাংস খাওয়া নিয়ে। এই ঘটনাটি নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা গিয়েছিল। আর বর্তমানে আবারও নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে ইনফ্লুয়েন্সার নিকিতা দাস এর একটি ঘটনার কারণে। গতকাল থেকে এই ঘটনা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে, যেখানে নেটিজেনরা নিকিতার আচরণ এবং পুলিশের প্রতিক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করছেন।

ঘটনাটি ঘটে তখন, যখন নিকিতা দাস পাড়ার মধ্যে ওষুধ কিনতে বেরিয়েছিলেন। তিনি হেলমেট না পরে স্কুটিতে ওঠার কারণে পুলিশের নজরে পড়েন এবং তাদের পক্ষ থেকে গাড়ি আটকানো হয়। নিকিতা এই ঘটনার ভিডিও শেয়ার করে লেখেন, “I’m not sorry for this post… জানি আমরা প্রথম কেউ নই, রোজ হয় শোশন।” তিনি স্পষ্ট করেছেন, তিনি এই পোস্টের জন্য দুঃখিত নন এবং মনে করছেন পুলিশ তার সঙ্গে দাদাগিরি করছে।

এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিবাদ জানান বাংলা বিনোদন জগতের পরিচালক রানা সরকার। তিনি বলেন, “হেলমেট পরতে হবে বোন, আইন ও সেফটি মানতে হবে। পুলিশের কাজ করতেই হয়, তার ওপর অতিরিক্ত নাটক তৈরি করা উচিত নয়।” তিনি আরও যোগ করেন, “সামাজিক মাধ্যমে ক্যামেরা অন করলেই পুলিশকে ভয় দেখানো বন্ধ করতে হবে। এটি শুধু ব্লগ বা ভিডিওর খেলা নয়, আমাদের সকলের সচেতনতা থাকা জরুরি।”

আরও পড়ুনঃ “সাপটা এখনই না ছাড়লে ডিভোর্স করে দেব” চিত্রদুর্গার জঙ্গলে আতঙ্ক, একটা বি’ষধর সাপ হাতে ধরতেই স্বামীর কড়া হুঁশিয়ারি! কী ঘটেছিল সেদিন? বড় মেয়ের মৃ’ত্যুর পর বদলে যাওয়া জীবন, স্মৃতির ঝাঁপি খুললেন মৌসুমী চ্যাটার্জি!

শেষ পর্যন্ত, এই ঘটনা আমাদের মনে করিয়ে দিচ্ছে যে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা এবং সামাজিক দায়িত্বের মধ্যে ভারসাম্য রাখাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। নিকিতা দাসের হেলমেট না পরে স্কুটিতে ওঠার এই ছোট ঘটনা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ায় দেখিয়েছে, কিভাবে একটি সাধারণ মুহূর্তও বড় বিতর্কের জন্ম দিতে পারে। এতে বোঝা যায়, সমাজমাধ্যমের যুগে সচেতনতা, নিরাপত্তা এবং দায়িত্বের গুরুত্ব কখনো অবহেলা করা যায় না।

You cannot copy content of this page