জি বাংলার ‘জোয়ার ভাঁটা’ ধারাবাহিকে উজির চরিত্রে দর্শকদের নজর কাড়ছেন আরাত্রিকা মাইতি (Aratrika Maity)। ‘মিঠিঝোরা’র রাইপূর্ণার পর এই ধারাবাহিকেও তাঁর অভিনয় বেশ প্রশংসিত হয়েছে। সম্প্রতি শুটিং চলাকালীন চোখে চোট পেয়েও কাজ করেছিলেন অভিনেত্রী। এবার তাঁর একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে আলোচনা। পোস্টটি পুরোপুরি ইংরেজিতে লিখেছেন আরাত্রিকা। যা দেখে ‘জোয়ার ভাঁটা’র সেটে কোনও সমস্যা হয়েছে কি না, সেই প্রশ্নও উঠছে। পোস্টে আরাত্রিকা জানিয়েছেন, কোনও ঘটনায় তিনি আবারও অপমানিত বোধ করেছেন এবং সেই অপমানকেই নিজের জন্য একটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছেন।
তাঁর বক্তব্যের সারমর্ম, কিছু ঘটনা মানুষের মনে এমনভাবে থেকে যায় যে সেগুলি সহজে ভোলা যায় না। সেই কারণেই তিনি বিষয়টিকে ব্যক্তিগত চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখেছেন। অভিনেত্রী আরও জানিয়েছেন, আজ যে সম্মান তাঁকে দিতে কেউ অস্বীকার করছেন, আগামী দিনে সেই একই সম্মান দেওয়ার জন্য তাঁকেই মরিয়া হয়ে চেষ্টা করতে হবে। এই বক্তব্যের মধ্যেই যেন অভিমান, আত্মসম্মান এবং নিজের জায়গা প্রমাণ করার দৃঢ়তা ফুটে উঠেছে। তবে কার আচরণ বা কোন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি এমন কথা লিখেছেন, সেই বিষয়টি আরাত্রিকা খোলসা করেননি।
আরাত্রিকার পোস্টে আরও একটি বিষয় বিশেষভাবে নজর কেড়েছে। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, যে জায়গা থেকে একবার সরে এসেছেন, সেখানে তিনি আর ফিরে যান না। অর্থাৎ কোনও পরিস্থিতিতে যদি তিনি কোনও সম্পর্ক, জায়গা বা পরিবেশ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন, তাহলে পরে সেখানে ফিরে যাওয়ার মানুষ তিনি নন। এরপরই তিনি লিখেছেন, একদিন অন্য পক্ষকেই নিজেদের সিদ্ধান্তের জন্য আফসোস করতে হবে। নিজের জন্য নয়, বরং যাঁরা তাঁকে অবহেলা করেছেন তাঁদেরই পরে অনুতপ্ত হতে হবে, এমনই ইঙ্গিত রয়েছে তাঁর কথায়। সবশেষে নিজের বক্তব্যের গুরুত্ব বোঝাতে তিনি ‘মার্ক মাই ওয়ার্ডস’ অর্থাৎ তাঁর কথাটি মনে রাখার বার্তাও দিয়েছেন। ফলে পোস্টটি নিছকই মনের কথা, নাকি কোনও নির্দিষ্ট ঘটনার প্রতিক্রিয়া, তা নিয়ে কৌতূহল আরও বেড়েছে।
অভিনেত্রীর বক্তব্যের আরও একটি অংশ নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। আরাত্রিকা লিখেছেন, একজন মানুষ যখন তাঁর প্রাপ্য সম্মান বা অধিকার সময়মতো পান না, পরে সেই জিনিসটি পেলেও আগের মতো আনন্দ আর থাকে না। অর্থাৎ সঠিক সময়ে যে স্বীকৃতি বা সম্মান পাওয়া উচিত ছিল, তা দেরিতে এলে তার মূল্য অনেকটাই কমে যায় বলেই তিনি মনে করছেন। এই কথার মধ্যে দিয়ে তিনি যেন কোনও অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন, এমনটাই মনে করছেন অনেকে। তবে সেই অভিজ্ঞতা ঠিক কী, তা তিনি বলেননি। তাই কারও সঙ্গে তাঁর পেশাগত মতবিরোধ হয়েছে কি না, নাকি ব্যক্তিগত কোনও ঘটনায় তিনি আহত হয়েছেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। এর আগেও আরাত্রিকার রহস্যময় পোস্ট ঘিরে একই ধরনের প্রশ্ন উঠেছিল, তাই নতুন পোস্টে জল্পনা আরও বেড়েছে।
আরও পড়ুনঃ “প্রকৃত অসভ্য ও অভদ্র মেয়ের লক্ষণ কথা না শোনা… বিগ বসে এসে তুমি কুইন নয়, ‘ডা*র্টি ক্যুইন’ নামে পরিচিত হচ্ছ বাংলার ঘরে ঘরে!” “সৌরভ হতভাগা যে টাকার জন্য এই মেয়েটার সঙ্গে মুখ লাগতে হচ্ছে!” বিগ বস বাংলার ঘরে এন্ট্রি নিতেই মিথ্যে সাজিয়ে সবার দুর্বল জায়গায় করছেন আ’ঘাত, অনুষ্কা ঘোষকে চাঁচাছোলা ভাষায় আয়না দেখালেন নৃত্যশিল্পী চাঁদনী গঙ্গোপাধ্যায়!
এই মুহূর্তে ‘জোয়ার ভাঁটা’য় উজি চরিত্রে অভিনয় করছেন আরাত্রিকা এবং ধারাবাহিকের সহ অভিনেত্রী শ্রুতি দাসের সঙ্গে তাঁর পর্দার সম্পর্কও দর্শকদের কাছে বেশ পরিচিত। ধারাবাহিকের দুই বোন উজি ও নিশাকে ঘিরে গল্প এগিয়ে চলেছে। এরই মধ্যে আরাত্রিকার এই রহস্যময় বার্তা প্রকাশ্যে আসায় অনেকে জানতে চাইছেন, ধারাবাহিকের সেটে বা অভিনয় সংক্রান্ত কোনও বিষয়ে কি তাঁর মন খারাপ হয়েছে? যদিও পোস্টে কোথাও কোনও ব্যক্তি, ধারাবাহিক বা ঘটনার নাম উল্লেখ করেননি অভিনেত্রী। তাই আপাতত তাঁর লেখা থেকেই বিভিন্ন অর্থ খুঁজে নিচ্ছেন নেটিজেনরা। আসলেই কোনও নির্দিষ্ট মানুষকে উদ্দেশ্য করে এই বার্তা, নাকি শুধুই তাঁর ব্যক্তিগত অনুভূতি, সেই উত্তর অবশ্য আরাত্রিকার কাছেই রয়েছে।






“প্রকৃত অসভ্য ও অভদ্র মেয়ের লক্ষণ কথা না শোনা… বিগ বসে এসে তুমি কুইন নয়, ‘ডা*র্টি ক্যুইন’ নামে পরিচিত হচ্ছ বাংলার ঘরে ঘরে!” “সৌরভ হতভাগা যে টাকার জন্য এই মেয়েটার সঙ্গে মুখ লাগতে হচ্ছে!” বিগ বস বাংলার ঘরে এন্ট্রি নিতেই মিথ্যে সাজিয়ে সবার দুর্বল জায়গায় করছেন আ’ঘাত, অনুষ্কা ঘোষকে চাঁচাছোলা ভাষায় আয়না দেখালেন নৃত্যশিল্পী চাঁদনী গঙ্গোপাধ্যায়!