স্টার জলসার (Star Jalsha) জনপ্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে একটি সন্ধ্যাতারা (Sandhyatara)। ধারাবাহিকের সাম্প্রতিক পর্বগুলোতে চলছে টানটান উত্তেজনা। নীল জানতে পেরেছে তাঁর প্রেমিকা তারা আসলে সন্ধ্যার বোন। তাই নিজের ভালোবাসাকে মন থেকে স্বীকৃতি দিতে চাইলেও, নাকচ করছে তারা। সেদিন থেকেই প্রতি সমস্ত মায়া-মমতাও যেন মলিন হয়ে গেছে নীলের মনে।
ইতিপূর্বে আমরা দেখেছি, সন্ধ্যাকে কষ্ট দিলে নীলেরও কষ্ট হত। কিন্তু এবার, সেই সন্ধ্যাকেই কষ্ট দেওয়ার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে নীল। প্রেমিকা সাজিয়ে অন্য একজনকে তাদের বাড়িতেও নিয়ে আসে সে। নীল জানে সন্ধ্যা কষ্ট পেলে, তারাও কষ্ট পাবে। অর্থাৎ এক ঢিলে দুই পাখি মারার পরিকল্পনা নীলের।
অন্যদিকে সব সত্যি জেনেও তার মেজদিকে বলতে পারছে না তারা। কারণ সত্যি জানলেই সন্ধ্যার মনে প্রশ্ন আসবে এই নয়নতারা তাহলে কে? সত্যি সবার সামনে এসে পড়বে। ধরা পড়ে যাবে তারা। তাই সত্যিটা বলতে চাইলেও, তারার এখন উভয় সংকট। প্রাণপণে চাইলেও তার মেজদিকে বাঁচাতে পারছে না সে।
অন্যদিকে, যে মেয়েটি নিজের হাতে ফসল ফলাতো, পরিবারের একমাত্র অবলম্বন ছিল, ছোট বোনের সুখের জন্য সব কিছু করতে প্রস্তুত ছিল, যে নিজের বিয়ের সম্বন্ধ নিজেই ভেঙে দিয়েছে, আর চরিত্র দিন দিন এমন জোকারে পরিণত হচ্ছে কেন? এই নিয়ে দর্শকদের ক্ষোভের অন্ত নেই।
দর্শকদের অভিযোগ, স্থান কাল ভেদে মানুষ ভিন্ন আচরণ করতেই পারে। কিন্তু একটা চরিত্রের ছেলেমানুষ হয়ে ওঠাটা অস্বাভাবিক। সন্ধ্যার চরিত্র রীতিমতো জোকারে রূপান্তরিত হয়েছে। তাঁকে সার্কাসের জোকারের মতো প্রেজেন্ট করা হচ্ছে ধারাবাহিকে। এই সন্ধ্যার কোনো ম্যাচিউরিটি নেই। অভিনেত্রী অন্বেষা হাজরার মতো একজন অভিনেত্রীকে এমন চরিত্রে মানাচ্ছে না। দর্শকরা আরও বলছেন,ধারাবাহিকের নায়িকার কোনও আত্মসম্মানই নেই। সারাদিন জোকারগিরি চলছে। অন্বেষার উচিত আরও বেছে চরিত্র নেওয়া।






“প্রকৃত অসভ্য ও অভদ্র মেয়ের লক্ষণ কথা না শোনা… বিগ বসে এসে তুমি কুইন নয়, ‘ডা*র্টি ক্যুইন’ নামে পরিচিত হচ্ছ বাংলার ঘরে ঘরে!” “সৌরভ হতভাগা যে টাকার জন্য এই মেয়েটার সঙ্গে মুখ লাগতে হচ্ছে!” বিগ বস বাংলার ঘরে এন্ট্রি নিতেই মিথ্যে সাজিয়ে সবার দুর্বল জায়গায় করছেন আ’ঘাত, অনুষ্কা ঘোষকে চাঁচাছোলা ভাষায় আয়না দেখালেন নৃত্যশিল্পী চাঁদনী গঙ্গোপাধ্যায়!