বছর ঘুরে আবার ফিরে এল সেই বিশেষ দিন, যে দিনটি তাঁদের জীবনে এনে দিয়েছিল এক নতুন পরিচয়। শ্বেতা ভট্টাচার্য (Sweta Bhattacharya) এবং রুবেল দাসের (Rubel Das) কাছে এই দিনটা শুধু একটা তারিখ নয়, বরং একসাথে কাটানো অসংখ্য মুহূর্তের স্মৃতির ঝাঁপি। দেখতে দেখতে তাঁদের পথচলার প্রথম অধ্যায় পূর্ণ হল। প্রথম বিবাহবার্ষিকীর দিনে কোনও জাঁকজমক নয়, বরং একান্ত আপন অনুভূতিতেই দিনটি উদযাপন করলেন এই তারকা দম্পতি। মধ্যরাতে কেক কেটে, কাছের মানুষদের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন তাঁদের এক বছরের একসাথে থাকার আনন্দ।
শ্বেতার পরনে ছিল বেগুনি রঙের জমা আর রুবেল ছিলেন বাড়ির পোশাকে। ছোট্ট এই উদযাপনেই ধরা পড়ল তাঁদের দাম্পত্যের উষ্ণতা। এই বিশেষ দিনে শ্বেতা সমাজ মাধ্যমে সেই ভিডিও ভাগ করেন, যেখানে একে অপরের সঙ্গে কাটানো ছোট ছোট মুহূর্তই হয়ে উঠেছে মূল আকর্ষণ। কখনও কেক খাওয়ানো, কখনও আলিঙ্গন, আবার কখনও নিঃশব্দে পাশে বসে থাকা মিলিয়ে এক বছরের সংসারের সহজ সুখের ছবি। ভিডিওর সঙ্গে লেখা তাঁর কথাগুলোও আলাদা করে মন ছুঁয়ে যায়।
শ্বেতা জানান, এই এক বছরে সময় কীভাবে কেটে গেছে তা যেন টেরই পাননি, আর ঠিক এভাবেই তিনি সারাজীবন রুবেলের হাত ধরে থাকতে চান। তবে, শ্বেতার লেখার একটি অংশ বিশেষভাবে অনুরাগীদের মনে দাগ কেটেছে। স্বামীকে নিজের জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি লিখেছেন! জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত এই সম্পর্ককে আঁকড়ে ধরে রাখাই তাঁর একমাত্র ইচ্ছে। আধুনিক জীবনের ব্যস্ততার মাঝেও এমন ভাবনা যে আজও কতটা গভীরভাবে জায়গা করে নিতে পারে, তা তাঁর কথাতেই স্পষ্ট।
আবেগ ছিল, কিন্তু তা ছিল সংযত, আন্তরিক আর ভীষণ ব্যক্তিগত। শ্বেতার মতো রুবেলও এই দিনে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে ভোলেননি। তাঁদের বিয়ের দিনের কিছু মুহূর্তের ছবি ভাগ করে নিয়ে তিনি লেখেন, এক বছরে তাঁদের সম্পর্ক আরও পরিণত হয়েছে। নিজেকে নিখুঁত স্বামী দাবি না করলেও, শ্বেতার ভালোবাসাকে সম্মান ও মর্যাদা দেওয়ার দায়বদ্ধতার কথা স্পষ্ট করে জানান তিনি। তাঁর লেখায় উঠে আসে এই বিশ্বাস, যে তাঁরা দুজন আলাদা মানুষ হলেও সম্পর্কের জায়গায় একে অপরের পরিপূরক।
আরও পড়ুনঃ অনির্বাণের পর এবার ঋদ্ধি সেন! ফেডারেশনের ‘একঘরে’ নীতির বিরুদ্ধে মুখ খুললেন অভিনেতা! শিল্পী স্বাধীনতা নিয়ে নতুন বিতর্ক টলিপাড়ায়?
টেলিভিশনের পর্দায় সহকর্মী হিসেবে শুরু হওয়া এই সম্পর্ক আজ বাস্তব জীবনে এক বছরের দাম্পত্যে পৌঁছেছে। ‘যমুনা ঢাকি’ ধারাবাহিকের সেট থেকে যে সম্পর্কের শুরু, তা এখন টেলিপাড়ার অন্যতম প্রিয় জুটি হিসেবে পরিচিত। এই বিশেষ দিনে সকলেই শুভেচ্ছায় ভরিয়ে দিয়েছেন তাঁদের। প্রথম বিবাহবার্ষিকীতে তাদের উদযাপন যেন মনে করিয়ে দিল, ভালোবাসা কখনও বড় আয়োজন চায় না। চায় শুধু দুটি মানুষের একে অপরের পাশে থাকার নির্ভরযোগ্য প্রতিশ্রুতি।






