দ্বন্দ্ব মিটল, পরশুরামে ফিরছে ‘লাট্টু’, অভিনব! শিশু শিল্পীর মানসিক সুরক্ষা নিয়ে বিতর্কের সমাধান! খুশির হাওয়া দর্শকমহলে! কবে দিয়ে দেখা যাবে আবার তাঁকে?

জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক পরশুরাম শুরু থেকেই টিআরপি তালিকায় শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে এবং নিয়মিত দর্শকদের মন জয় করে চলেছে। পরিণীতা ধারাবাহিকের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও অধিকাংশ সময়েই এগিয়ে থেকেছে এই সিরিয়াল। তৃণা সাহা ও ইন্দ্রজিৎ লাহিড়ির অভিনয়ের পাশাপাশি দুই খুদে শিল্পী লাট্টু ও পিকুর উপস্থিতি গল্পে আলাদা উজ্জ্বলতা এনেছিল, যা পরিবারকেন্দ্রিক দর্শকদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করেছে।

কিছুদিন আগে আচমকাই লাট্টুর চরিত্রে অভিনয় করা অভিনব বিশ্বাসের একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ঘিরে তৈরি হয় তুমুল বিতর্ক। সেখানে শুটিং ফ্লোরে মানসিক চাপ ও অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতার কথা উঠে আসে এবং জানানো হয় যে সে আর এই ধারাবাহিকে কাজ করবে না। এই ঘোষণার পর থেকেই সিরিয়াল থেকে লাট্টুর অনুপস্থিতি দর্শকদের চোখে পড়ে এবং অনেকে হতাশাও প্রকাশ করেন।

তবে সাম্প্রতিক খবরে মিলেছে স্বস্তির বার্তা। জানা যাচ্ছে কোনো নতুন মুখ নয় বরং স্বয়ং অভিনবই আবার লাট্টু হয়ে ফিরতে চলেছে পর্দায়। প্রযোজনা সংস্থার মধ্যস্থতায় ভুল বোঝাবুঝি অনেকটাই মিটেছে বলে সূত্রের খবর। এমনকি যে ভিডিওটি নিয়ে এত আলোচনা হয়েছিল সেটিও সোশ্যাল মিডিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, ফলে পরিস্থিতি এখন অনেকটাই শান্ত।

বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল একটি শুটিংয়ের মুহূর্তকে কেন্দ্র করে যেখানে দৃশ্যের ব্লকিং নিয়ে আলোচনা চলাকালীন কিছু কথাবার্তা ভুলভাবে ধরা পড়ে। অভিনবের পরিবারের দাবি ছিল সেখানে পরোক্ষ কটাক্ষ ছিল যা শিশুমনের ওপর প্রভাব ফেলেছিল। সেই ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর দর্শকদের একাংশ ছোট শিল্পীদের মানসিক সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন।

আরও পড়ুনঃ “প্রতিটা বিষয় নিয়ে আমাদের খাপ-পঞ্চায়েত বসানো বন্ধ করা উচিত!” পরিচিত নাম মানেই কি ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আলোচনার খোরাক? সেলিব্রিটি ট্রোল কালচার ও সামাজিক বিচারব্যবস্থার বিরুদ্ধে সরব ঊষসী চক্রবর্তী!

সমগ্র ঘটনাপ্রবাহের পর এখন সবচেয়ে বড় সুখবর হলো লাট্টুর প্রত্যাবর্তন। দর্শকরা যাকে মিস করছিলেন সে আবার ফিরছে নিজের জায়গায়। এই ফিরে আসা শুধু গল্পের ধারাবাহিকতাই ফিরিয়ে আনবে না বরং পরশুরামের আবেগঘন পারিবারিক পরিবেশকেও আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে বলে আশা করা হচ্ছে। সিরিয়ালপ্রেমীদের মধ্যে তাই এখন নতুন উদ্দীপনা ও প্রত্যাশার আবহ।

You cannot copy content of this page