“মাথায় টোপর নয়, সিঁদুর…” আর কয়েক ঘন্টা পরেই বসবেন বিয়ের পিঁড়িতে! সাত পাকে বাঁধা পড়ার আগেই, হবু বরকে শর্তের তালিকা ধরালেন শ্যামৌপ্তি! কী কী আছে তাতে, মানবেন কি রণজয়?

বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই টেলিভিশন জগতের এই জনপ্রিয় জুটিকে ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে। রণজয় বিষ্ণু এবং শ্যামৌপ্তি মুদলির সম্পর্ক যে এত দূর গড়াবে, তা নাকি প্রথমদিকে নিজেরাও ভাবেননি। সহকর্মী থেকে বন্ধু, আর বন্ধুত্ব থেকে প্রেম—এই পথ চলা এখন বিয়ের মণ্ডপে এসে পৌঁছেছে। রাত পোহালেই সাত পাকে বাঁধা পড়বেন তাঁরা, আর সেই বিশেষ দিনটিকে ঘিরে দুজনের মনেই রয়েছে নানা রঙিন কল্পনা, উত্তেজনা আর ছোট ছোট আবেগঘন পরিকল্পনা।

শ্যামৌপ্তির ইচ্ছের তালিকায় যদিও খুব বড় কোনও দাবি নেই, তবে রয়েছে একেবারে মন ছুঁয়ে যাওয়া একটি আবদার। বিয়ের সময় সিঁদুর পরানোর মুহূর্তটি যেন সুন্দর ও নিখুঁত হয়, এটাই তাঁর প্রধান চাওয়া। তাঁর বিশ্বাস, কনের নাকে যদি সিঁদুর লাগে তবে সেই সম্পর্কের ভালবাসা নাকি আরও গভীর হয়। অভিনেত্রী মিষ্টি হাসিতে জানিয়েছেন, পর্দায় বহুবার এই দৃশ্য অভিনয় করলেও বাস্তবের মুহূর্তটি যেন আরও বেশি আবেগময় এবং মনে রাখার মতো হয়।

এই সিঁদুরের প্রসঙ্গ তাঁদের জীবনে নতুন নয়। ধারাবাহিকে অভিনয়ের সময়ও নাকি শ্যামৌপ্তি একই কথা বলতেন রণজয়কে। তখনও তাঁর জোর ছিল নাকে সিঁদুর পড়ার দিকে। কারণ তাঁর মতে, এতে কনের মুখে আলাদা এক আভা ফুটে ওঠে। বাস্তবের বিয়েতে তাই তিনি চান সেই একই অনুভূতি ফিরে আসুক, তবে এবার অভিনয় নয়, সত্যিকারের সম্পর্কের আবেগ নিয়ে।

তবে শুধু সিঁদুর নিয়েই নয়, শ্যামৌপ্তির আরও একটি স্পষ্ট মত রয়েছে। তিনি চান না রণজয় বিয়ের দিন টোপর পরুন। এই ইচ্ছা কতটা মানা হবে তা এখনও খোলসা হয়নি, তবে রণজয়ের স্বভাব দেখে অনেকেই মনে করছেন হবু স্ত্রীর আবদার অগ্রাহ্য করা তাঁর পক্ষে কঠিনই হবে। এই ছোট ছোট শর্তই যেন তাঁদের সম্পর্ককে আরও ব্যক্তিগত ও আলাদা করে তুলছে।

আরও পড়ুনঃ “শিল্পী সংগঠনে রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ ভিত্তিহীন…উত্তম কুমারের আদর্শেই চলে সবকিছু!” আর্টিস্ট ফোরাম ভোটে ‘লাল’ রঙের প্রভাব নিয়ে, ভরত কলের স্পষ্ট বার্তা! সহমত পোষণ করলেন, সহ সম্পাদক নির্বাচিত দেবদূত ঘোষ!

সবচেয়ে মজার বিষয় হল, তাঁদের প্রথম আলাপেই কিন্তু প্রেমের কোনও ইঙ্গিত ছিল না। বরং শুরুতে শ্যামৌপ্তির রণজয়কে খুব একটা পছন্দই ছিল না। সময়ের সঙ্গে বদলেছে অনুভূতি, বদলেছে দূরত্ব। আজ সেই অপছন্দই রূপ নিয়েছে গভীর ভালবাসায়। এখন দুজনেই একে অপরকে নিয়ে স্বপ্ন দেখছেন নতুন জীবনের, আর এই রূপকথার মতো প্রেম কাহিনি বাস্তবের সংসারে কতটা সুন্দরভাবে ফুটে ওঠে সেটাই দেখার অপেক্ষা।

You cannot copy content of this page