“মাথায় সমস্যা, মানুষ গ্যাসের জন্য কত কষ্ট করছে আর ইনি হাসি আটকে রাখতে পারছে না!” “প্রশ্নটা কি হাসার নাকি যে ও হাসছে?” মধ্যপ্রাচ্যের যু’দ্ধ পরিস্থিতিতে ভারতের গ্যাস সংকট, হাসতে হাসতে উড়িয়ে দিলেন সুস্মিতা? সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনার মুখে অভিনেত্রী!

সম্প্রতি আবারও আলোচনায় উঠে এসেছেন সাহেব ভট্টাচার্য ও ‘সুস্মিতা দে’ (Susmita Dey)। পর্দার জনপ্রিয় জুটি বাস্তবেও কাছাকাছি, এই ধারণা বহুদিন ধরেই ঘুরছে দর্শকদের মধ্যে। যদিও তাঁরা নিজেরা এই বিষয়ে কখনও সরাসরি কিছু বলেননি, তবুও একসঙ্গে দেখা যাওয়া বা নানান ইভেন্টে উপস্থিতি মিলিয়ে গুঞ্জন যেন থামতেই চায় না। এর মাঝেই নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে এক সাম্প্রতিক ঘটনার পর।

সেই দিনটি অন্য দিনের মতোই শুরু হলেও নজর কাড়ে সুস্মিতার একটি সহজ উপস্থিতি। তিনি হাজির হন সাহেবের নতুন ধারাবাহিকের স্টুডিয়োয়, আর সঙ্গে ছিল তাঁর নিজের হাতে বানানো খাবার। খুব স্বাভাবিক ভঙ্গিতেই জানান, একসঙ্গে লাঞ্চ করতেই আসা। এই ছোট্ট ঘটনাই অনেকের কাছে বড় হয়ে ওঠে। কারও কাছে তা আন্তরিকতা, আবার কারও কাছে সম্পর্কের ইঙ্গিত।

স্টুডিয়োটির সঙ্গে তাঁর পুরনো যোগ থাকায় খানিক নস্টালজিয়াও কাজ করছিল তাঁর কথায়। এই স্বাভাবিক মুহূর্তেই আচমকা অন্য প্রসঙ্গ টেনে আনেন সাংবাদিকরা। মধ্যপ্রাচ্যের যু’দ্ধ পরিস্থিতির জেরে দেশে গ্যাস সংকটের যে প্রভাব পড়ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন করা হয় তাঁকে। প্রশ্নটা ছিল গুরুতর, কিন্তু উত্তরে সুস্মিতা বেশ হালকা সুরেই বলেন, তিনি তেমন কিছু অনুভব করছেন না।

হাসতে হাসতেই জানান, রান্নাঘরের দায়িত্ব যেহেতু তাঁর মা সামলান, তাই এসব নিয়ে আলাদা করে ভাবতে হয় না তাঁকে। এই উত্তরটাই পরে সামাজিক মাধ্যমে ঝড় তোলে! অনেকেই তাঁর প্রতিক্রিয়াকে সংবেদনহীন বলে মনে করেন। একজন লিখেছেন, “এর মাথায় সমস্যা আছে। মানুষ গ্যাস সিলিন্ডারের জন্য কত কষ্ট করছে আর এই মহিলার হাসি আটকে রাখতে পারছে না!” আবার আরেকজনের মন্তব্য, “প্রশ্নটা কি হাসার নাকি যে ও হাসছে? অন্যের জন্য তো ভাবা উচিৎ!

তোমরা সাধারণ মানুষের ভালোবাসায় সেলিব্রিটি হয়েছ। তাদের জন্য কিছু বলবে না?” কেউ কেউ আরও কঠোর ভাষায় বলেন, “কোনদিনও রান্নার ধারের কাছে গেছে যে জানবে! মুখে সোনার চামচ নিয়ে জন্মেছে। সুতরাং গ্যাসের কি সমস্যা ওরা বুঝবে? এসব প্রশ্ন ওদেরকে না করে যাদের এসবের প্রবলেম হচ্ছে অর্থাৎ মধ্যবিত্ত গরীব যারা খেটে খাওয়া মানুষ তাদেরকে জিজ্ঞাসা করুন।

আরও পড়ুনঃ “এই বছর লাল আর কমলা বেশি করে পরুন, এই রঙেই তো শুভ সময়!” মঞ্চে মুহূর্তের নীরবতা, ভোটপ্রচারে রচনা বন্দোপাধ্যায়ের টিপসে রাজনৈতিক মহলে চর্চা তুঙ্গে! অস্বস্তিতে দলীয় শিবির?

তারাই জানে কি প্রবলেম হচ্ছে যেখানে দশ দিন দোকান চালানোর কথা সেখানে দুদিন দোকান চালাচ্ছে। যেখানে একটা মিষ্টির দোকানে দশ রকমের মিষ্টি করে সেখানে এখন সংখ্যা এসে দাঁড়িয়েছে দুইতে।” একদিকে ব্যক্তিগত সম্পর্কের গুঞ্জন, অন্যদিকে একটি মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক, দুই মিলে এখন শিরোনামে এই জুটি। সুস্মিতার হাতে বানানো খাবার নিয়ে শুরু হওয়া একটি সাধারণ মুহূর্ত কীভাবে বড় সামাজিক আলোচনার বিষয় হয়ে উঠতে পারে, এই ঘটনাই যেন তার প্রমাণ।

You cannot copy content of this page