“প্রফেশনালিজমের আরেক নাম রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়” প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়! একসঙ্গে ৩৫টিরও বেশি ছবিতে কাজ, বর্তমানে রাজনীতিতেও সক্রিয় অভিনেত্রী! পর্দার আড়ালে তাঁর কোন অজানা দিক সামনে আনলেন অভিনেতা?

বাংলা চলচ্চিত্র জগতের এক সময়ের ঝলমলে মুখ, যাঁর হাসি আর উপস্থিতি একসময় প্রেক্ষাগৃহ মাতিয়ে রাখত, তিনি রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। নব্বইয়ের দশক থেকে শুরু করে দীর্ঘদিন ধরে তিনি দর্শকদের মনে নিজের আলাদা জায়গা তৈরি করেছেন। শুধু অভিনয় নয়, টেলিভিশনের পর্দাতেও তাঁর জনপ্রিয়তা আজও অটুট।

সময়ের সঙ্গে নিজেকে বদলে নেওয়ার অসাধারণ ক্ষমতাই তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। বর্তমানে তিনি শুধু একজন অভিনেত্রী নন, বরং একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবেও মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। ‘দিদি নম্বর ১’-এর মঞ্চে যেমন তিনি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে প্রতিযোগীদের অনুপ্রাণিত করেন, তেমনই রাজনীতির ময়দানেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছেন।

বাংলা সিনেমার ইতিহাসে রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের জুটি একেবারে আলাদা করে উল্লেখযোগ্য। একসঙ্গে ৩৫টিরও বেশি ছবিতে অভিনয় করে তাঁরা তৈরি করেছিলেন একের পর এক সুপারহিট। ‘অন্ধ প্রেম’, ‘প্রতিশোধ’, ‘একাই একশো’, ‘ত্যাগ ইত্যাদি ছবিতে তাঁদের রসায়ন দর্শকদের মুগ্ধ করেছে বারবার। পর্দায় তাঁদের সহজ-সরল সম্পর্ক আর অভিনয়ের সাবলীলতা আজও নস্টালজিয়ার মতো ফিরে আসে।

তবে এবার নতুন করে আলোচনায় উঠে এলেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, আর তার কারণ অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের একটি মন্তব্য। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি রচনাকে নিয়ে এমন কিছু কথা বলেন, যা এখন নেটমাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল। প্রসেনজিৎ জানিয়েছেন, “প্রফেশনালিজমের আরেক নামই হল রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়।”

আরও পড়ুনঃ “পরীক্ষায় কম নম্বর পেয়ে মার্কশিটে কারচুপি!” হাতে নাতে ধরা পড়ে, বাবার দেওয়া ভয়ংকর শাস্তি পান কিশোর কুমার! সেটাই হয়ে উঠেছিল তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষা! দুষ্টুমির আড়ালে কোন কঠিন বাস্তবের মুখোমুখি হয়েছিলেন ছোটবেলার কিশোর?

তাঁর কথায়, অভিনয় জীবনের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত রচনা নিজেকে যেভাবে গুছিয়ে রেখেছেন, তা সত্যিই বিরল। এমনকি তিনি উল্লেখ করেন, রচনা আজও নিজের রুটিনে অবিচল, সন্ধ্যা সাতটার মধ্যেই ডিনার শেষ করেন, যা বহু বছর ধরেই তাঁর অভ্যাস। প্রসেনজিতের এই মন্তব্যে স্পষ্ট, শুধু সহ-অভিনেত্রী হিসেবেই নয়, একজন শৃঙ্খলাবদ্ধ এবং পেশাদার মানুষ হিসেবেও রচনার প্রতি তাঁর গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে।

You cannot copy content of this page