‘অনেক সময় ডেকে তারপরেই বাদ দেওয়া হয়েছে, দীর্ঘদিন মেলেনি কাজ!’ নতুন সরকার ইন্ডাস্ট্রির উন্নতি করুক! টলিউডে বদলের হাওয়ায় অকপট পায়েল সরকার!

রাজ্যের রাজনৈতিক পালাবদলের পর টলিউডেও নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। ইন্ডাস্ট্রির দায়িত্ব এখন রুদ্রনীল ঘোষ, হিরণ চট্টোপাধ্যায়, রূপা গঙ্গোপাধ্যায় এবং পাপিয়া অধিকারীদের হাতে। এই পরিবর্তনের পর থেকেই কাজ পাওয়া ও না পাওয়া নিয়ে টলিপাড়ায় নানা আলোচনা চলছে। সেই আবহেই নিজের অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ্যে আনলেন অভিনেত্রী পায়েল সরকার।

সম্প্রতি ‘সপ্তডিঙার গুপ্তধন’ ছবির বিশেষ প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে দেখা গিয়েছিল পায়েলকে। সাধারণত খুব বেশি সিনেমার অনুষ্ঠান বা প্রিমিয়ারে তাঁকে দেখা যায় না। এই প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, ইন্ডাস্ট্রির আচরণে কিছুটা বদল তিনি নিজেও লক্ষ্য করেছেন। তাঁর কথায়, সব অনুষ্ঠানে তাঁকে ডাকা হত না, আবার কিছু জায়গায় ব্যক্তিগত কারণেও উপস্থিত থাকতে পারেননি।

পায়েলের দাবি, শিল্পের সঙ্গে রাজনীতির সম্পর্ক থাকা উচিত নয়। অভিনেত্রী জানান, বহুবার এমন হয়েছে যখন কোনও কাজের বিষয়ে কথা এগোনোর পর আচমকাই তাঁকে বাদ দেওয়া হয়েছে। কখনও শুটিংয়ের প্রস্তুতি নেওয়ার পরেও শেষ মুহূর্তে ফোন করে জানানো হয়েছে পরে কথা হবে। পরে তিনি জানতে পেরেছেন, সেই কাজ অন্য কাউকে দেওয়া হয়েছে।

কিছু দিন আগে পায়েলের পারিশ্রমিক নিয়েও নানা আলোচনা হয়েছিল। শোনা গিয়েছিল, বেশি পারিশ্রমিক চাওয়ার কারণেই নাকি তাঁকে অনেক ছবিতে নেওয়া সম্ভব হয়নি। এই বিষয়ে অভিনেত্রীর বক্তব্য, পারিশ্রমিক নিয়ে আলোচনা হওয়ার আগেই তাঁকে অনেক প্রজেক্ট থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তিনি বলেন, কয়েক বছর আগের পারিশ্রমিকে এখন আর কাজ করা সম্ভব নয়।

আরও পড়ুনঃ ‘বিয়ে এত সহজ নয়, বড্ড জটিল ব্যাপার’, ‘সন্তান নেওয়ার বদলে কুকুর পোষা ভালো!’ পরামর্শ অভিনেত্রী শেফালি শাহর

আগামী দিনে রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হবেন কি না, সেই বিষয়ে এখনই স্পষ্ট করে কিছু বলতে চাননি পায়েল। তাঁর মতে, যে সরকারই আসুক, শিল্পজগতের উপর তার প্রভাব না পড়াই ভালো। ভবিষ্যতের সিদ্ধান্ত আপাতত সময়ের হাতেই ছেড়ে দিয়েছেন অভিনেত্রী।

You cannot copy content of this page