আজ সকালে ব্রিগেডে এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত দেখল বাংলা। পঁচিশে বৈশাখের সকালে শুভেন্দু অধিকারী বাংলায় শপথবাক্য পাঠ করেন। এরপর তাঁকে রাজ্যাভিষেকের মাধ্যমে নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তুলে ধরা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই বিষয়টিকে ঐতিহাসিক পরিবর্তন হিসেবে দেখেন। আবার সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয় নানা বিতর্ক। কারণ শপথের পরও একটি বিষয় নজর কাড়ে। সেটি হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফেসবুক বায়ো। সেখানে তখনও ‘মুখ্যমন্ত্রী’ লেখা ছিল। এই বিষয়টি নিয়েই নেটদুনিয়ায় আলোড়ন তৈরি হয়।
শপথগ্রহণের পরেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফেসবুক পেজে পুরনো পদবী দেখা যাওয়ায় বিতর্ক আরও বাড়ে। শনিসকাল পর্যন্ত সেই একই তথ্য ছিল বলে জানা যায়। বিষয়টি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। অনেক ব্যবহারকারী প্রশ্ন তোলেন, কেন এখনও পরিবর্তন হয়নি। এই ঘটনার ফলে অনেকে প্রশাসনিক পরিবর্তন নিয়েও মন্তব্য করতে থাকেন। টানা ২৪ ঘণ্টা এই বিষয়টি অনলাইনে আলোচনায় থাকে। বিভিন্ন রাজনৈতিক মন্তব্য ও কটাক্ষও সামনে আসে। পরে দেখা যায়, বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি হয়েছে। অবশেষে পরিস্থিতি আরও গরম হয়ে ওঠে।
এই বিতর্কের মধ্যেই অরিত্র দত্ত বণিক ফেসবুকে একটি মন্তব্য করেন। তাঁর পোস্টে সরাসরি কটাক্ষ করা হয় পেজ ম্যানেজমেন্টকে। তিনি লেখেন, “আইপ্যাক-এর পেজ ম্যানেজার বোধ হয় ভয়ে পালিয়েছে নাহলে ছুটিতে মন্দারমনির সমুদ্রে গড়াগড়ি খাচ্ছে তাই নতুন সরকারের শপথ গ্রহণের পরেও মমতা দির পেজে আর চিফ মিনিস্টার টাইটেল সরেনি। অতএব বন্ধুরা, নরেন্দ্র মোদীর কথা শোনার দরকার নেই আমিও পেজে লিখে দিচ্ছি আমিই ভারতের প্রধানমন্ত্রী। আপনারাও এক এক করে নিজ নিজ প্রোফাইলে নিজেদের মতো ভাগ বাটোয়ারা করে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর নিয়ে নিন।” এই মন্তব্য সামনে আসতেই আরও বিতর্ক তৈরি হয়। অনেকেই এটিকে কটাক্ষ হিসেবে দেখেন। আবার কেউ কেউ সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। রাজনৈতিক মহলেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।
অন্যদিকে প্রশাসনিক দিক থেকেও কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসে। জানা যায়, পূর্বতন সরকারের মেয়াদ আনুষ্ঠানিকভাবে বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে। তার আগে পর্যন্ত ৭ মে পর্যন্ত পুরনো সরকারের কার্যকাল ধরা হয়েছিল। এরপর রাজ্যপাল আরএন রবি পশ্চিমবঙ্গের সপ্তদশ বিধানসভা ভেঙে দেওয়ার বিজ্ঞপ্তি জারি করেন। এই সিদ্ধান্তের ফলে বিধানসভার অস্তিত্বও কার্যত শেষ হয় বলে জানানো হয়। প্রশাসনিক পরিবর্তনের এই সময়েই সোশ্যাল মিডিয়ার ঘটনা আরও গুরুত্ব পায়। রাজনৈতিক পরিস্থিতি একসঙ্গে একাধিক দিক থেকে আলোচনায় আসে। সরকার পরিবর্তন ও অনলাইন বিতর্ক একসঙ্গে চলতে থাকে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যেও কৌতূহল তৈরি হয়।
আরও পড়ুনঃ“আমি ইন্ডাস্ট্রিতে কাউকে ভয় পাই না, শুধু এঁদের দু’জনকে ছাড়া…” কাদের নিয়ে এমন স্বীকারোক্তি করলেন অপরাজিতা আঢ্য? শুটিংয়ের প্রস্তাব এলে সরাসরি ‘না’ পর্যন্ত বলতে পারেন না, টলিপাড়ার সেই দুই জনপ্রিয় অভিনেতা আসলে কারা, যাদের জন্য ভয়ে থাকতে হয় অভিনেত্রীকে?
শেষ পর্যন্ত শনিবার একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন দেখা যায়। শুভেন্দু অধিকারীর শপথগ্রহণের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফেসবুক পেজের বায়ো পরিবর্তন করা হয়। সেখানে পুরনো পদবী সরিয়ে নতুন তথ্য আপডেট করা হয় বলে জানা যায়। এতদিন ধরে চলা বিতর্কের পর এই পরিবর্তন নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই বিষয়টিকে স্বাভাবিক আপডেট হিসেবে দেখেন। আবার কেউ কেউ আগের বিলম্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তবে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়। রাজনৈতিক ও অনলাইন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা এই ঘটনা আপাতত থামে।






“বাজি আমরা ফাটাব, বাজি ফাটালে দেখবেন অনেক অসুখ-বিসুখ চলে যায়”, “আমাদের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, কালীপুজোয় বাজি তো হবেই!” বাজি ফাটালে রোগ সারে, পাপিয়া অধিকারীর মন্তব্যে তোলপাড়! “শব্দবাজি পোড়ালে ঠিক কোন কোন অসুখ কমে তালিকাটা যদি দাও” বিজেপি বিধায়ক তথা অভিনেত্রীকে একহাত নিলেন শ্রীলেখা মিত্র!