বাংলা টেলিভিশনের এই মুহূর্তের জনপ্রিয় ধারাবাহিক হল স্টার জলসার ‘ধুলোকনা’। সম্প্রতি ধারাবাহিকে দেখানো হচ্ছে যে লালনের স্মৃতি অবশেষে ফিরে এসেছে। সে আবার ফুলঝুরির কাছে ফিরে এসেছে।

কিন্তু সে ফিরে এলেও তার তিতিরের প্রতি টান কমছে না। সে বারে বারে তিতিরের কাছে চলে যাচ্ছে। আর যেটা ফুলঝুরি মেনে নিতে পারছে না । এই নিয়ে তাদের মধ্যে একটা সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। সম্প্রতি এই ধারাবাহিকের একটি পর্ব এই নিয়েই জমে উঠেছে।
সেই পর্বটিতে দেখানো হচ্ছে যে লালন ফুলঝুরিকে বলছে যে ‘আমি কিন্তু তোমাকেও ভালবাসি।’ তখন ফুলঝুরি বলে ‘আমাকেও!’ লালনের কথায় সে ভালোবাসার টানেই ফুলঝুরির কাছে ফিরে এসেছে।
লালন – ‘আমার তোমার জন্য কষ্ট হচ্ছিল। যখন তুমি স্টেজে দাড়িয়ে গান গাইছিলে তখন আমার বুকের ভিতরটা মোচড় দিয়ে উঠছিল। আমার মনে হচ্ছিল এই সেই মেয়েটা যার জন্য আমি এতো গান গেয়েছি।
‘ফুলঝুরি – ‘আগে তুমি আমার জন্য গান গাইতে লালন। কিন্তু এখন! এখন তুমি তিতির দিদির জন্য গান গাও।’
লালন – ‘হ্যাঁ আমি ওর জন্যও গান গাই। কিন্তু এটাও সত্যিই আমি তোমার জন্য গান গাই।’
ফুলঝুরি – ‘লালন দু নৌকায় না পা দিয়ে চলা যায় না। একটা নৌকা বেছে নিতে হয়।’
লালন – ‘মানে আমি তোমার জন্য গান গাইলে তিতিরের জন্য গান গাইতে পারবো না! কিংবা তিতিরের জন্য গান গাইলে তোমার জন্য গান গাইতে পারবো না! কই এই কথা তো কোনো দিন তিতির বলে না আমাকে।’
ফুলঝুরি – ‘তিতির তিতির তিতির! আমি আর পারছি না লালন। আমি তোমাকে হাতজোড় করে বলছি দয়া করে এই নামটা তুমি আমার সামনে করো না।তোমার আমাকে খারাপ মেয়ে মনে হচ্ছে তো! হ্যাঁ আমি খারাপ। কি করবো বলো আমি তিতিরের মত ভালো নই গো! আর এই ভালোতে তো তোমার এখন পোষাবে না। যে ভালোর সন্ধান তুমি পেয়েছ সেই ভালোর কাছে তুমি যাও।’
লালন – ‘কি মানে এসব কথার! তুমি আমার কাছে থাকবে না।’
ফুলঝুরি – ‘আমারও একটা জীবন আছে লালন। আমারও একটা ইচ্ছে অনিচ্ছে আছে। তার দাম তোমার কাছে না থাকলেও সেটা মিথ্যে হয়ে যায় না। আমি পরিষ্কার বুঝতে পেরেছি তোমার জীবনটা এখন দু ভাগে ভাগ হয়ে গেছে। একদিকে আমি আর অন্য দিকে তিতির।
আমার কাছে থাকলে তোমার তিতির দিদির কথা মনে পড়ে আর তিতির দিদির কাছে থাকলে আমার কথা! কিন্তু এই ভাগাভাগির মধ্যে কিন্তু আমি নেই। এটা তোমার সমস্যা। এই সমস্যা নিরাময় তোমাকেই করতে হবে।’
এই পর্ব দেখার পরে দর্শকের একাংশ বলছে যে এটাই বাস্তব। আদতে ধারাবাহিকে যে নায়িকাদের ত্যাগ দেখানো হয় তা না করে বাস্তবটা মানতেই হবে। আর সেটার সম্মুখীন হতে হবে।






“রামচন্দ্রকে আমি একদম পছন্দ করি না!” “লোকের কথায় নিজের স্ত্রীকে অগ্নিপরীক্ষা দিতে বাধ্য করেছিলেন! বলতে পারতেন না, আমার স্ত্রী, তাতে তোমাদের কী?” সীতাকে সবচেয়ে বড় অপমান করেছেন রাবণ না রাম? সতীত্বের প্রমাণ চেয়ে চরম সিদ্ধান্ত, প্রশ্ন তুলে ‘আদর্শ পুরুষ’ রামকে কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন মানসী সিনহা! অভিনেত্রীর যুক্তিতে সহমত দর্শক?