বাংলা টেলিভিশনের ধারাবাহিক গুলোর গল্প নিয়ে একেই সব সময় নানান সমালোচোনা এবং জল্পনা উঠে আসে। প্রথমত অতিরঞ্জিত কাহিনী, পরকীয়া, কূটকচালি নিয়েই তৈরি হয় বলে অনেকেই এর বিরোধিতা করে। তবে এবার এই সব কিছুকে ছাড়িয়ে গেল লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখা ধারাবাহিক ‘এক্কাদোক্কা’।
এবার দর্শকের একাংশের অভিযোগ যে লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের ধারাবাহিক ‘এক্কাদোক্কা’ নারী নির্যাতনের দেখানো হচ্ছে। প্রসঙ্গত এখন ধারাবাহিকে দেখানো হচ্ছে যে পোখরাজ এবং রাধিকার বিয়ে হয়ে গেছে যেটাকে পোখরাজের পরিবারের কেউই মেনে নিতে পারছে না, শুধুমাত্র পোখরাজের বাবা ছাড়া।
আর বিয়ে হয়ে আসার পর থেকেই পোখরাজের বাড়ির লোক রাধিকাকে চরম অপমান করছে। কিছুদিন আগের পর্বে দেখানো হয়েছে যে রাধিকা আর পোখরাজ বাড়ির বাইরে দাঁড়িয়ে রয়েছে কিন্তু কেউই তাদেরকে বরণ করে ঘরে তুলতে যায়নি। তারপরে বরণ করতে গেলেও রাধিকাকে অনেক রকম কটু কথা শোনায় সবাই।
তারপরে রাধিকা বাড়িতে ঢুকলেও পোখরাজের মা কিছুতেই মেনে নিতে পারেন না যে ছেলে তার বিনা সম্মতিতেই রাধিকাকে বিয়ে করে এনেছে। আর যার ফলে তিনি আরো বেশি অপমান করতে শুরু করে রাধিকাকে। বাড়িতে ঢোকার পরে রাধিকা তার শাশুড়ি মায়ের ঘরে যায় মানানোর জন্য। তখনই পোখরাজের মা চরম উত্তেজিত হয়ে গিয়ে রাধিকাকে ঠেলে দেয় এবং রাধিকার মাথাটা গিয়ে লাগে দেয়ালে। আর যার ফলে তার মাথা ফেটে যায়।
আর এই দৃশ্য ধারাবাহিকে দেখানোর পর থেকেই নেটিজেনরা ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে ধারাবাহিকের ওপর এবং লেখিকা লীনা গঙ্গোপাধ্যায় এর উপর। অনেকেই বলছেন যে শুধুমাত্র টিআরপির জন্য নারী নির্যাতনের মত এত জঘন্য একটি কাজকে ধারাবাহিকে দেখানো একদমই ঠিক হয়নি।






“রামচন্দ্রকে আমি একদম পছন্দ করি না!” “লোকের কথায় নিজের স্ত্রীকে অগ্নিপরীক্ষা দিতে বাধ্য করেছিলেন! বলতে পারতেন না, আমার স্ত্রী, তাতে তোমাদের কী?” সীতাকে সবচেয়ে বড় অপমান করেছেন রাবণ না রাম? সতীত্বের প্রমাণ চেয়ে চরম সিদ্ধান্ত, প্রশ্ন তুলে ‘আদর্শ পুরুষ’ রামকে কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন মানসী সিনহা! অভিনেত্রীর যুক্তিতে সহমত দর্শক?