“স্ত্রী হিসেবে সব সুবিধা নেবে, কিন্তু স্বামীর কাছে যাবে না, এ কেমন মহানতা?” দায়িত্ব নেবে স্বতন্ত্র, দূরত্ব রাখবে কমলিনী! অন্য কারও কাছে গেলেই আপত্তি, অথচ নিজে দূরে! কমলিনীর আচরণে ভ’ণ্ডামিতে ভাঙনের মুখে সম্পর্ক, চরম অসন্তোষ দর্শকমহলে!

স্টার জলসার ধারাবাহিক ‘চিরসখা’র (Chiroshokha) দর্শকদের জন্য বড়সড় পরিবর্তনের খবর ইতিমধ্যেই ঘোষণা হয়েছে। এতদিন রাত ন’টার স্লটে যে ধারাবাহিকটি দেখানো হত, সেটি এবার থেকে এক ঘণ্টা পিছিয়ে যাচ্ছে। আগামী ১০ মার্চ, মঙ্গলবার থেকে প্রতিদিন রাত দশটায় সম্প্রচারিত হবে এই মেগা। চ্যানেল কর্তৃপক্ষের তরফে নতুন সময়সূচী জানিয়ে দেওয়ার ফলে, নিয়মিত দর্শকদের এখন ঘড়ির কাঁটা মিলিয়ে বসতে হবে একটু দেরিতে।

এই পরিবর্তনের কারণ, ওই আগের সময়েই আসছে নতুন ধারাবাহিক ‘গঙ্গা’। যেখানে জুটি বাঁধছেন সকলের প্রিয় অভিনেতা সাহেব ভট্টাচার্য এবং অভিনেত্রী হিয়া মুখোপাধ্যায়। আর সময়ের এই রদবদলের মাঝেই প্রকাশ্যে এসেছে ‘চিরসখা’র নতুন প্রোমো, যা ইতিমধ্যেই কৌতূহল বাড়িয়ে দিয়েছে অনেকগুণ! সেখানে ইঙ্গিত মিলছে কমলিনী এবং স্বতন্ত্রর সম্পর্কে বড়সড় ভাঙনের। এতদিন নানান টানাপোড়েন থাকলেও সম্পর্কের ভিত এতটা নড়বড়ে হয়ে পড়েছে, এমনটা আগে বোঝা যায়নি।

প্রোমোর দৃশ্যগুলো স্পষ্ট যে ভুল বোঝাবুঝি এবার গভীর আকার নিতে চলেছে। মিঠির বিয়ের দিন নির্জলা উপোস করে কমলিনী ও স্বতন্ত্র, এরপর বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা মিটতেই ক্লান্ত কমলিনী একান্তে নিজের মনের কথা খুলে বলে ননদ কুর্চির কাছে। তার কথায় স্পষ্ট, স্বতন্ত্রর প্রত্যাশা আর নিজের সামর্থ্যের মধ্যে যেন এক অদৃশ্য দূরত্ব তৈরি হয়েছে। নতুন জীবনের শুরুতেই সম্পর্কের ভিত কেঁপে উঠেছে বলে তার মনে হচ্ছে। এমনকি সে ভাবছে, হয়তো দূরে সরে যাওয়াই ভাল। অন্যদিকে, কুর্চির চোখে ধরা পড়ে অন্য একটি ঘটনা।

স্বতন্ত্র ভোরের হাত থেকে শরবত নিয়ে উপোস ভেঙেছে, এই দৃশ্য দেখে সে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। পরে যখন সে জানতে পারে, সকাল থেকে স্বতন্ত্র নাকি কমলিনীকে খুঁজেই পায়নি, তখন তার সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়। কুর্চি যেন ধরে নেয়, কমলিনীর আশঙ্কাই সত্যি হতে চলেছে! তাদের সম্পর্ক যে ভাঙনের মুখে, তা আর শুধু আন্দাজে সীমাবদ্ধ নেই। এখন প্রশ্ন একটাই, এই ভুল বোঝাবুঝি কি সত্যিই চরমে পৌঁছবে? একসঙ্গে সংসার গড়ার পরেও কি আলাদা পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নেবে তারা?

আরও পড়ুনঃ “নতুন শাড়ি পরে রিসেপশনে দাঁড়িয়ে…বাবাকে শেষবার দেখাও হয়নি” বিদেশে রিসেপশনের দিনেই বাবার মৃ’ত্যু, সেই রাতই বদলে দিয়েছিল সোহিনী বন্দ্যোপাধ্যায়ের জীবন? সাফল্যের শিখরে থেকেও কেন সরে গেলেন ‘উড়ন তুবড়ি’-র তুবড়ি?

নাকি সময়ের সঙ্গে সব জট খুলে যাবে? ধারাবাহিকের আগামী পর্বেই মিলবে তার উত্তর। যদিও এই প্রোমো দেখে দর্শক প্রতিক্রিয়া মিশ্র। কেউ বলছেন, “স্বতন্ত্রর টাকা খাবে, সব সুবিধা ভোগ করবে, ছেলে মেয়ে সহ ১৪ গু’ষ্টির সব দ্বায়িত্ব পালন করবে, কিন্তু মহান কমলিনী স্বতন্ত্রর কাছে যেতে পারেন না। আবার স্বতন্ত্র অন্য কারও কাছাকাছি যেতে চাইলে তাতে কমলিনী ন্যা’কামি করবে। কমলিনীর কানেই ২/৪ টা থাপ্প’ড় দেওয়া উচিত!” আপাতত নতুন সময়ে নতুন মোড় নিয়ে যে দর্শকদের টানটান উত্তেজনায়, তা বলাই যায়।

You cannot copy content of this page