“খুবই ভয়ংকর, আমি আর ঈশ্বরই জানি কীভাবে বাড়ি ফিরেছি!” মধ্যরাতে শুটিং থেকে ফেরার পথে আ’তঙ্কের অভিজ্ঞতা শেয়ার করলেন রণজয় বিষ্ণু! রাস্তায় কী এমন হয়েছে অভিনেতার সঙ্গে?

সম্প্রতি ব্যক্তিগত জীবনে নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন অভিনেতা ‘রণজয় বিষ্ণু’ (Ranojoy Bishnu)। ১৪ ফেব্রুয়ারি অভিনেত্রী ‘শ্যামৌপ্তি মুদলি’র (Shyamoupti Mudly) সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। বিয়ের পরপরই আবার কাজে ফিরেছেন অভিনেতা। এদিকে টেলিপাড়ায় খবর, খুব শিগগিরই একটি নতুন ধারাবাহিকে দেখা যেতে পারে তাঁকে, যেখানে তাঁর বিপরীতে থাকবেন ‘তোমাদের রাণী’ খ্যাত অভিনেত্রী অভীকা মালাকার। এই প্রথমবার পর্দায় জুটি বাঁধতে চলেছেন রণজয় এবং অভীকা, তাই স্বাভাবিকভাবেই নতুন গল্প ঘিরে আগ্রহও বাড়ছে দর্শকদের মধ্যে।

এরই মধ্যে শুটিং শেষে বাড়ি ফেরার পথে এক অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হলেন রণজয়! ভোর তখনও হয়নি, মাঝরাত বলাই যায়। এমন সময় যখন চারপাশ ঘন কুয়াশায় ঢেকে, গাড়ি চালিয়ে ফিরছিলেন তিনি। নিজের সামাজিক মাধ্যমের অ্যাকাউন্টে সেই মুহূর্তের একটি ভিডিও শেয়ার করেন অভিনেতা, যেখানে দেখা যায় রাস্তার দৃশ্য প্রায় ঝাপসা হয়ে রয়েছে কুয়াশার কারণে। এতটাই ঘন ছিল পরিবেশ যে সামনে অল্প দূরত্বের বেশি কিছু স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল না।

সেই ভিডিওর মাধ্যমেই তিনি জানান, সারাদিন ব্যস্ত সিডিউলের শুটিং শেষ করে গভীর রাতে ফিরছিলেন তিনি। কাজের চাপের পর এমন পরিস্থিতিতে গাড়ি চালানো তাঁর কাছে বেশ কঠিন হয়ে উঠেছিল। কলকাতার রাস্তায় এমন ঘন কুয়াশার অভিজ্ঞতা আগে খুব একটা হয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন। পাহাড়ি এলাকায় বহুবার এমনভাবে গাড়ি চালানোর অভিজ্ঞতা থাকলেও সমতলে এত কম দৃশ্যমানতার মধ্যে ড্রাইভ করা তাঁর কাছে সত্যিই অস্বাভাবিক লেগেছে।

প্রসঙ্গত, অভিনেতা আরও জানান যে পরিস্থিতি এমন ছিল ভুল দিক থেকে যদি কোনও গাড়ি হঠাৎ সামনে চলে আসত, তা হলে বিপদ এড়ানো প্রায় অসম্ভব হয়ে যেত। রাস্তার অবস্থা বোঝা যাচ্ছিল না বললেই চলে। সেই মুহূর্তে পুরো পথটাই যেন এক ধরনের চাপ নিয়ে কাটাতে হয়েছে তাঁকে। শেষ পর্যন্ত নিরাপদে বাড়ি পৌঁছতে পেরে স্বস্তি পেয়েছেন তিনি এবং সেটাকেই বড় সৌভাগ্য বলে মনে করেছেন।

আরও পড়ুনঃ “আবারও বেছে নিতাম তোমাকেই!” বিশেষ দিনে গৌরবকে আদুরে ভালোবাসার বার্তা ঋদ্ধিমার! উঠে এল সংসারের অজানা গল্প, অনুরাগীদের মন ছুঁল পোস্ট!

উল্লেখ্য, ওই দিন শুটিংয়ের কাজে তিনি গিয়েছিলেন টেলি অ্যাকাডেমি স্টুডিওতে। বাড়ি থেকে খুব বেশি দূরে নয়, প্রায় আধঘণ্টার পথ হলেও কুয়াশার কারণে ফেরার পথটা অনেকটাই কঠিন হয়ে উঠেছিল। অভিজ্ঞতাটা তাঁর কাছে এতটাই ভিন্ন ছিল যে সেটি তিনি দর্শকদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চেয়েছেন। নতুন কাজের ব্যস্ততার মাঝেই এই ঘটনার কথা জানিয়ে অভিনেতা যেন সকলকেই সাবধানে গাড়ি চালানোর কথাও মনে করিয়ে দিলেন। এতকিছুর পরেও যে অভিনেতা সুস্থ আছে, এটাই আমাদের কাছে অনেক।

You cannot copy content of this page