গত সপ্তাহ থেকে সমাজ মাধ্যম কার্যত দুই ভাগে বিভক্ত, ‘দেবলীনা নন্দী’র (Debolina Nandy) নিজেকে শেষ করার চেষ্টায় স্বামী প্রবাহর (Prabaha Nandy) ভূমিকা নিয়ে। কেউ বলছেন, ‘দেবলীনা শুধুমাত্র সিমপ্যাথি পেতে, নাটক করছেন!’ তো অন্যের দাবি, ‘এই সংসার ভালো লাগছে না, তাই ডিভোর্স দিয়ে মোটা টাকা আদায়ের পন্থা এটা!’ অনেকেই যেমন এই বিষয়ে দেবলীনার পাশে দাঁড়িয়েছেন, তেমন প্রবাহর হয়েও অনেকে কথা বলেছেন। গত শনিবার থেকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন গায়িকা। অবশেষে মুখোশ টেনে খুলে দিলেন স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির!
“আমাদের সংসার সুখের ছিল, খুব একটা সমস্যা বা ঝগড়া আমাদের মধ্যে হতো না। হলেও মানিয়ে নিতাম, কারণ বিয়ের আগে প্রবাহর মা আমায় বলেছিল যে প্রবাহর বাবাও এমন রাগি ছিলেন। তবে বিয়ের পর ঠিক হয়ে গিয়েছিলেন, তেমন আমায় কাছে পেলেও প্রবাহ শান্ত হয়ে যাবে। আমি ভেবেছিলাম যে বিয়ে করলে ওকে পাল্টাতে পারব। আমি তো প্রথমত এত তাড়াতাড়ি বিয়েটা করতেই চাইনি, দুই বছর দেখে আগে ছোট ভাইয়ের একটা চাকরি হোক আর বাড়িটা পাকা হোক, তারপর বিয়ে করব ভেবেছিলাম।
কিন্তু প্রবাহ বলল যে না ২০২৪ এই করতে হবে, তাই মেনে নিলাম। বিয়েরদিন শ্বশুরবাড়ি থেকে আমায় একটা বেশ ভারী গলার নেকলেস দেওয়া হয়েছিল। আমি ওইদিন পড়তে না চাইলেও, ওরা বলল যে লোকে দেখবে একটা ভালো গয়না দিয়েছে বরের বাড়ি, তাই পড়লাম। আমার বিয়ের সিঁদুর পড়েছিল ওটায়, এখনও মনে আছে। বিয়ের পর যখন চন্দননগর থেকে কলকাতা আসছিলাম, শাশুড়ি ওটা চেয়ে নিলেন যে যত্ন করে রাখবেন। তারপর একটা বিয়ে বাড়ির নিমন্ত্রণ পেয়ে যখন ওটা চাইলাম পড়ব বলে, বলল যে শ্বশুর নাকি ব্যবসায় লস খাচ্ছিল তাই বন্ধক দিয়ে দিয়েছে!
আজ দেড় বছরের উপর, আমার ওই সিঁদুর লাগা গয়না ব্যাংকের লকারে পড়ে আছে। যেখানে আমি সিঁদুর লাগা টিকলি যত্ন করে রেখে দিয়েছি। শাশুড়ির আমায় নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়, যখন তিনি আমার মাকে সরিয়ে ম্যানেজার হতে চান যাতে সব টাকা ওনার কাছেই থাকে। আমি সেটায় না করাতে উনি ক্ষিপ্ত হন, তারপর রেজিস্ট্রির কথাটা প্রকাশ্যে আসতেই আরও রেগে যান। প্রবাহ তখন বলে, তার মা নাকি রেজিস্ট্রি করতে বারণ করেছে। প্লেন দুর্ঘটনায় যদি ছেলে মা’রা যায়, তাহলে মালকিন বৌমা হবে! এটাই ওনার সমস্যা। বিশ্বাস করুন, আমি না চেয়েছি সম্পত্তি, না খোরপোশ।
আরও পড়ুনঃ “বাংলার বাঘিনী আর সূর্যকন্যাকে এখনও চেনা বাকি আছে…যতই করো হা’মলা, আবার জিতবে বাংলা!” ইডির অভিযান নিয়ে বিরোধীদের তীব্র আক্র’মণ, মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ রূপাঞ্জনা মিত্র!
শুধু প্রবাহর নাম, সুখী দাম্পত্য আর বাচ্চা চেয়েছি। মর’তে আমার খুব ভয়, প্রবাহকে নিয়েই বাঁচতে চেয়েছি। যাঁরা বলছেন, ভ্লগ নিয়ে ওদের সমস্যা ছিল, তারা শুনুন। আমি বাড়িতে থাকলেই শাশুড়ি ক্যামেরা অন করতে বলত, রান্না দেখাতে বাধ্য করত। একবার আমি এতই অসুস্থ যে শুয়ে আছি, প্রবাহ ভ্লগ করবে বলে যেই ক্যামেরা অন করেছে, শাশুড়ি এসে আমার পিঠে হাত বোলাতে শুরু করল। প্রবাহ মায়ের কথা শুনে একদম পাল্টে যাচ্ছে, জানি আমার অপেক্ষা করছে না, কিন্তু আমি করছি আজও।” কথা বলতে গিয়েই চোখের বাধ ভেঙে জল বেরিয়ে এলো।






“বাংলা ইন্ডাস্ট্রির একমাত্র সুন্দরী নায়িকা কৌশানি, মা দুর্গার থেকেও বেশি সুন্দরী!” বেনারসি শাড়ি, গা ভর্তি সোনার গয়নায় হবু বৌমা, প্রশংসায় খেই হারিয়ে মন্তব্য পিয়া সেনগুপ্তর! ছেলে বনি আবার ঘুরছেন আঁচল ধরে! ‘হাসবো না কাঁদবো বুঝতে পারছি না’, ‘আপনার থেকে সুন্দরী কেউ হতে পারে?’ ‘এমন শাশুড়ি আমাকেও দিও ভগবান’ নেটপাড়ায় তুমুল হাসাহাসি!