মা হচ্ছে রোশনাই, বাবা হতে চলেছে আরণ্যক! সন্তানকে অস্বীকার করছে চ্যাটার্জি পরিবার! রোশনাইয়ের জীবনে শুরু নতুন লড়াই

আরণ্যকের বাচ্চার মা হচ্ছে রোশনাই, শুনে চমকে গেল গরিমা। স্টার জলসার ‘রোশনাই’ (Roshnai) সিরিয়ালে চলছে এখন টানটান উত্তেজনা পর্ব। আজকের সিরিয়ালের শুরুতেই দেখা যাবে কোনোভাবে আদিত্য রোশনাকে ছাড়বে না বলে ঠিক করেছে আর বলে ‘রোশনাই তোমার লড়াইয়ে আমাকে সাথী হিসেবে পাবে, তোমার হাত কক্ষনো ছাড়বো না। তুমি সত্যিই খুব ভালো একজন মানুষ’। এইসব শুনে রোশনাই বলে, ‘আমি আমার বাচ্চাকে একাই মানুষ করতে পারব কিন্তু আমি যাব তার কাছে। গিয়ে বলব আমার বাচ্চাকে পিতৃপরিচয় দিতেই হবে’। ছোটবেলা থেকে সে অনেক কষ্ট পেয়েছে এমনকি এখনও পায় তাই সেই কষ্টই যাতে তার সন্তান না পায় সেই উপায়ই করতে চায় রোশনাই।

রোশনাইয়ের কথা শুনে সহমত জানায় আদিত্য। অন্যদিকে, লালন তার মনের কথা মাকে বলে দেয়। কিন্তু লালনের মা কখনোই মিনিকে বউমা হিসেবে মেনে নিতে পারছে না। লালনের মা তাকে বলে, বস্তিতে সেদিন যেই মেয়েটা গান গেয়েছিল তার কথা বলছে কিনা জিজ্ঞাসা করে। লালনের মা সেই মেয়েটাকে খানিক পাগল বলেও চিহ্নিত করে। এই শুনে লালন বলে ওঠে ‘কি সব বলছো তুমি মা? ও মোটেও পাগল নয়। আসলে ও অনেক কিছুই বুঝে কিন্তু সে অর্থে কোন পরিণত বুদ্ধি রাখেনা’। লালনের ভালোবাসার কথা জানতে পেরে কাজলের খারাপ লাগে। কারণ বস্তিতে লালন এবং কাজল একসঙ্গে বেড়ে উঠেছিল।

Roshnai, Star Jalsa, Bengali Serial, Aranyak, Garima, Bengali, Sean Banarjee, Tiyasha Lepcha, Lekha Chatterjee, Today Episode

এই সময় লালনের বোন তাকে বলে, ‘দাদা তুই যেসব কথা বলছিস ভেবে চিন্তে বলছিস তো? আমার বারবার মনে হচ্ছে তুই না জেনে বুঝে এসব কথাগুলো বলছিস। তুই এই মেয়েটাকে বিয়ে করলে কোনদিনও সুখী হতে পারবি না। দেখ এখনো সময় আছে’। বোনের কথা শুনে লালন বলে, সে মিনিকে ভালোবাসে এবং তাকেই বিয়ে করবে। অন্যদিকে আবার লালনের বাবাকে কে যেনো ঠকিয়ে অনেক বড়লোক হয়ে গেছে কিন্তু সে কে তা এখনো পর্যন্ত জানে না লালন। হঠাৎ করে এইসব কথা বলতে শুরু করে লালনের মা এবং তাকে বলে সে কেন এখনও সেইসব খুঁজে উঠতে পারলো না। এরপরই লালনের মা কাঁদতে থাকে এবং বলে যে ‘তুই ওই মেয়েকে বিয়ে করিস না তাহলে তুই সুখী হতে পারবি না’।

আরও পড়ুনঃ তিলোত্তমা কান্ডের পরেও ঘটে চলেছে একের পর এক নারী নিগ্রহের ঘটনা! প্রতিবাদ করে কাজ হারিয়েছি! অকপট দেবলীনা

অন্যদিকে আবার দেখা যায় মিমির বাবা-মা কথা বলতে থাকে এবং বলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব লালনের সঙ্গে মিনিকে বিয়ে দিয়ে দিতে হবে। কারণ, মিনি সারাদিন লালন লালন করতে থাকে। এইসব শুনে আরণ্যক বলে, মিনির বিয়ে নিয়ে যাবতীয় প্রস্তুতি সে নিতে চায়। এই সময় জেঠুমনি আরণ্যককে বলে, তাঁর মা জানতে পারলে আবার অশান্তি করবে। জেঠু মনির কোন কথা না শুনেই আরণ্য সমস্ত মিনির বিয়ের ভার নিতে চায়। এই সময় বাড়ির দরজায় করা নাড়ে রোশনাই। রোশনাইকে দেখে অবাক হয়ে যায় আরণ্যক। এই সময়ের রোশনাই বলে, ‘বাবা বাড়িতে আসলাম আর আপনি এরকম ব্যবহার করছেন স্যারজি!’

এই সময় আরণ্যকের মা-বাবা এবং গরিমা চলে আসে ও বলে ‘তুমি এখানে কেন এসেছ? কী চাই তোমার?’ এই সময় বড়মা জিজ্ঞাসা করে ‘রোশনাই তুমি ভালো আছো তো?’ তখন রোশনাই বলে ‘হ্যাঁ আমি ভালো আছি’। রোশনাই এবং বড়মার কথোপকথনের পর তনুশ্রী তাঁর বড়দিকে বলে, ‘তুমি বুঝি এখানে ওকে ডেকেছ?’ রোশনাই কে দেখে আরণ্যক বলে এটা একটা ভদ্রলোকের বাড়ি যে কেউ ঢুকতে পারেনা। এই শুনে রস নাই বলে ‘আমি এখানে এমনি এমনি আসিনি আমার একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ দরকার আছে আপনার সঙ্গে’। গরিমার নানা কুকথা শুনে রোশনাই বলে ‘আমি যেটা বলতে এসেছি সেটা শুনে তোমরা অনেকেই বিশ্বাস না করতে পারো’। রোশনাই সবার সামনে আর অন্যকে জানিয়ে দেয়, তাঁর বাচ্চার মা হতে চলেছে রোশনাই। এই শুনে সবাই অবাক হয়ে যায় এবং কেউ বিশ্বাস করতে চায় না। অবশেষে, রোশনাইয়ের সঙ্গে আরণ্যকের তর্ক বিতর্ক চলতে থাকে।