Aindrila Sharma: দু-দু’বার ক্যান্সারকে হারিয়ে আবার হাসপাতালে ভর্তি জনপ্রিয় অভিনেত্রী! দেহের এক দিক অসাড়! লড়াই হারতে পারেন না তিনি, প্রার্থনায় ভক্তরা

দু’বার দুরারোগ্য ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে ফিনিক্স হয়ে ফিরে এসেছেন তিনি। ঠিক একটু একটু করে যখন স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছিলেন জীবনে তখনই হঠাৎ ছন্দপতন। হাসপাতালে ফের মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা শর্মা।

ক্যানসার থেকে সেরে উঠে ঐন্দ্রিলা অভিনয় জগতে প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন বিস্তর। ‘জিয়নকাঠি’ ধারাবাহিক তাঁকে বিপুল জনপ্রিয়তা এনে দিয়েছিল। টালিগঞ্জের স্টুডিয়োপাড়ায় সকলের নয়নের মণি হয়ে উঠেছেন এই তরুণী অভিনেত্রী।
মঙ্গলবার রাতে স্ট্রোক হয় নায়িকার এমনটাই খবর। হাওড়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তৎক্ষণাৎ ভর্তি করা হয়েছে। এই মুহূর্তে অবস্থা এতটাই আশঙ্কাজনক হয়ে উঠেছে যে হাসপাতালে ভেন্টিলেশনে রয়েছেন তিনি। কোমায় চলে গিয়েছেন নায়িকা। শরীরের এক দিক পুরো অসাড়। বাঁ হাত সামান্য নাড়াচাড়া করছেন। শুধু চোখ নড়ছে তার।

চিকিৎসকরা এ-ও জানিয়েছেন, ঐন্দ্রিলার বয়স কম হওয়ার কারণে এ ক্ষেত্রে তাঁর ঝুঁকি কিছুটা কম। তবে যত ক্ষণ পর্যন্ত অভিনেত্রীর জ্ঞান না ফিরছে, তত ক্ষণ নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছেন না তাঁরা।
শুধু তাই নয় মস্তিষ্কে রক্ত জমে গেছে বলে জানিয়েছে ডাক্তাররা। হাসপাতালে নায়িকার সঙ্গে এই মুহূর্তে রয়েছেন প্রেমিক সব্যসাচী চৌধুরী। মঙ্গলবার রাতে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে ঐন্দ্রিলাকে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, টেলি নায়িকার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে বুধবার। তবে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ৪৮ ঘণ্টার বিপদসীমা না কাটলে কিছু বলা যাচ্ছে না।

অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলার অবস্থা অত্যন্ত ‌আশঙ্কাজনক। তাঁর মস্তিষ্কে রক্ত জমাট বেঁধে গিয়েছে বলে খবর। হাসপাতালে তাঁর সঙ্গে রয়েছেন প্রেমিক সব্যসাচী চৌধুরী।
তবে স্বস্তির খবর এটাই যে যেহেতু নায়িকার বয়স অনেকটা কম তাই ঝুঁকি অনেকটা কম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু নায়িকার জ্ঞান না ফেরা পর্যন্ত কিছুই বলতে চাইছেন না চিকিৎসকরা।

এদিকে দীর্ঘকালীন অসুস্থতার পর সবেমাত্র কাজে ফিরছিলেন তিনি। একটি ওয়েব সিরিজে কাজের জন্য আগামী কয়েক দিনের মধ্যে গোয়া যেতেন অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা। আবার দিল্লি যাওয়ার কথাও ছিল কিন্তু সব কাজ থমকে গেলো। কিন্তু নায়িকার ভক্তদের বিশ্বাস জীবন যুদ্ধে যখন মারণ রোগকে হারাতে পেরেছেন তখন স্ট্রোক কিছুই নয় তার কাছে।

You cannot copy content of this page