শান্ত আর সংযত স্বভাবের জন্য টলিউডের অন্দরমহলে জিতু কমলের (Jeetu Kamal) আলাদা পরিচিতি আছে। প্রকাশ্যে ঝগড়াঝাঁটি বা হইচই করতে তাঁকে সচরাচর দেখা যায় না। কিন্তু হঠাৎই যখন জানা গেল যে অভিনেতা নাকি আইনের দ্বারস্থ হচ্ছেন! ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩২৩ ধারায় অভিযোগ দায়ের কথাটা শুনেই অনেকে চমকে উঠেছেন, যে কী এমন হল অভিনেতার সঙ্গে?
এবার কি কোনও বিপদে পড়লেন ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’-এর আর্য স্যার? আসলে ঘটনার মোড় অন্যরকম। কোনও গুরুতর ঝামেলা নয়, একেবারেই হালকা মেজাজের কাণ্ড। নিজের সমাজ মাধ্যমেই জিতু মজার ছলে পোস্ট করেছেন এই খবর। লিখেছেন, তাঁর মেকআপ আর্টিস্টের বিরুদ্ধে তিনি নাকি মামলা করছেন! তবে অভিযুক্ত আসলে পেশাদার কেউ নন, বরং তাঁর আদরের ভাইজি। অভিযোগও বেশ অদ্ভুত—”মেকআপের নামে র’ক্তার’ক্তি।”
জিতুর শেয়ার করা ছবিতে দেখা গেল, ভাইজি মেকআপ করতে গিয়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে কপালে সামান্য চোট লাগিয়ে ফেলেছে তাঁর। খেলাচ্ছলে সেই ঘটনাকেই ৩২৩ ধারার মামলা হিসেবে তুলে ধরেছেন অপর্ণার আর্য স্যার। এই নিয়ে অনুরাগীদের হাসির বন্যাও বয়ে গিয়েছে কমেন্ট বক্সে। কেউ লিখেছেন, “এই কোর্ট কোনওদিন ভাইজির বিরুদ্ধে যাবে না।” আবার একজন বলেছেন, “জিতুদা, আইনও তোমায় বাঁচাতে পারবে না।”
এই ধরনের ছোট ছোট মুহূর্ত নিয়েই জিতু কমলের বর্তমান জীবন। অভিনেতার কথা অনুযায়ী, একদিন ভাইজির রোজকার মিষ্টি কাণ্ড, অন্যদিন বারান্দার পাখির ডাক—সবসময়ই তিনি চেষ্টা করেন আশেপাশের সবার জীবনে একটু হলেও ইতিবাচকতা ছড়িয়ে দিতে। স্টার ইমেজ নিয়ে অহঙ্কার না করে বরং সাধারণের মতো জীবন কাটাতে চান তিনি। একাধিকবার ভক্তদের নিজের ‘দ্বিতীয় পরিবার’ বলেও দাবি করেছেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ “আমার শরীর দেখানোর দরকার নেই! আমি জানি আমার মূল্য কী, টিকে থাকার জন্য যা যা প্রয়োজন তার সবই আমার কাছে আছে!” শরীর দেখানো নিয়ে শ্বেতা পথেই হাঁটছেন অভিনেত্রী শ্রুতি দাস?
এই কথা বলাই বাহুল্য যে, টেলিভিশনের পর্দায় আর্য সিংহ রায়ের চরিত্রে জিতু যতটা জনপ্রিয়, বাস্তব জীবনে ততটাই কাছের মানুষ হয়ে উঠেছেন দর্শকদের কাছে। তাঁকে দেখতেই টিভির পর্দায় টিকে বসে থাকেন হাজারো মানুষ। বারবার জিতু এমন অভিনব পোস্ট দিয়ে বোঝাতে চান, অভিনেতার প্রকৃত পরিচয় কেবল অভিনয়ে সীমাবদ্ধ হয় না। বরং মানুষকে হাসাতে পারার সহজাত ক্ষমতাই তাঁর আসল শক্তি।






“দিনের পর দিন যদি ভাঙতে ভাঙতে নিজেকে শেষ করে…” ফের ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট দেবলীনা নন্দীর! বছরের শুরুতেই আত্মহ’ননের চেষ্টা, আবারও কী মিলল সেই ইঙ্গিত?