যে সত্যজিৎ রায় নামকরণ করেছিলেন নন্দনের তাঁকে নিয়ে হওয়া সিনেমাই স্থান পেল না নন্দনে।
আজ মুক্তি পেলো অনীক দত্ত পরিচালিত অপরাজিত যা পথের পাঁচালীর বিহাইন্ড দ্যা সিন নিয়ে তৈরি হয়েছে। সেই নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হলো টলিপাড়ায়। শাসক দলের বিরুদ্ধে বারবার মুখ খোলার জন্যই কি পরিচালক অনীক দত্তের মুখ বন্ধ করতে এই ব্যবস্থা?
‘পথের পাঁচালী’ তৈরি করতে গিয়ে ঠিক কী কী মুশকিলের সম্মুখীন হতে হয়েছিল সত্যজিত রায়কে তাই এই ছবিতে দেখানো হয়েছে। সত্যজিৎ পত্নী বিজয়া রায়ের আদলে তৈরি চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা গেলো তৃণমূল নেত্রী সায়নী ঘোষকে।
তিনি নিজে ছবির অংশ তবুও জায়গা পেলেন না। মুখ খুললেন তিনি। তাঁর কাছে এটা অনীক দত্ত নয় সত্যজিত রায়ের ছবি। নন্দন কর্তৃপক্ষের এই পদক্ষেপ মস্ত বড় ভুল, অভিযোগ তুললেন সায়নী। অনীকের পাশে তিনি।
সায়নী নিজেও বিষয়টি পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়ে নন্দন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছেন। কর্তৃপক্ষ পালটা জানিয়েছে, ‘কিশমিশ’, ‘রাবণ’, ‘মিনি’র মতো ছবি এই মুহূর্তে দর্শক টানছে। সেগুলো মাত্র এক সপ্তাহ প্রদর্শিত হয়েছে, তাই এখনই অপরাজিত দেখানো যাবে না।






“বিয়ে মানেই তো সিঁদুর-ফিদুর লেবড়ে-লুবড়ে…” বৈবাহিক সম্পর্কের ব্যাখ্যা দিতেই মন্তব্যে বিতর্ক উস্কে দিলেন কৌশিক সেন! ‘জীবনের ব্যাপ্তি শুধু লিভ ইন করলেই?’ ‘সত্যি কী ভাষা আপনার, ছিঃ!’ ‘পাবলিক ফিগার বলেই কি যা খুশি বলবেন?’ যারা শাঁখা-সিঁদুর পরে তাদের অপমানে, অভিনেতাকে ধুয়ে দিলেন ক্ষু’ব্ধ নেটিজেনরা!