বাংলা টেলিভিশন (Bengali Television) দুনিয়ায় একটি অপরিহার্য নাম অভিনেত্রী রূপাঞ্জনা মিত্র (Rupanjana Mitra)। তিনি অভিনেত্রী রূপাঞ্জনা মিত্র। বিগত ২৩ বছরেরও বেশি ধরে এই অভিনয় জগতে তাঁর সফল পথ চলা। তিনি টলিউডের অন্যতম পরিচিত এবং জনপ্রিয় মুখ। বিভিন্ন সময়ে তার অভিনয় দক্ষতা প্রশংসিত হয়েছে দর্শকদের কাছে। একশোর কাছাকাছি ধারাবাহিকের চরিত্রে অভিনয় করে ফেলেছেন তিনি।
তবে রূপাঞ্জনা মিত্রকে বাঙালি মূলত নেগেটিভ চরিত্রেই অভিনয় করতে দেখেছেন। এই মুহূর্তে স্টার জলসার পর্দায় অন্যতম সফল ও টিআরপি শ্রেষ্ঠ ধারাবাহিক অনুরাগের ছোঁয়ায় নায়ক সূর্যর মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন রূপাঞ্জনা মিত্র। এই ধারাবাহিকের অন্যতম কেন্দ্রীয় চরিত্র লাবণ্য সেনগুপ্ত। এই ধারাবাহিকটির ভীষণ রকম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি। বলা যায়, বাংলা টেলিভিশনে শাশুড়ির সংজ্ঞা বদলে দিয়েছে এই চরিত্রটি।
ইতিমধ্যেই সাফল্যের সঙ্গে ৪০০ পর্ব পার করে ফেলেছে এই ধারাবাহিকটি। এই ধারাবাহিকটির একদম শুরুর দিন থেকে যুক্ত তিনি। আর তাই তার কাছে অনুরাগের ছোঁয়া ধারাবাহিকের টিমটি দ্বিতীয় পরিবার হয়ে উঠেছে। যদিও এই ধারাবাহিকটি প্রথমে করবেন না বলেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন রূপাঞ্জনা। কিন্তু কোভিড পরবর্তী সময়ে এই ধারাবাহিক করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। সাম্প্রতিক একটি সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানিয়েছেন, নিজের জীবনের অনেক কিছুকে তিনি লাবণ্য চরিত্রের মধ্যে ঢুকিয়েছেন। যার ফলে আরও জীবন্ত হয়ে উঠেছে তার চরিত্রটি।
পর্দার ছেলে দিব্যজ্যোতি প্রসঙ্গে কী বললেন রূপাঞ্জনা?
পর্দার ছেলে দিব্যজ্যোতি অর্থাৎ অনুরাগের ছোঁয়ার সূর্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শুধু পর্দায় নয় বাস্তব জীবনেও দিব্যজ্যোতি আমার ছেলে, আমি ওর মা। শুরুর দিন থেকেই ও আমাকে মা বলে ডাকে। আমরা যখন দুজন দুজনকে জড়িয়ে ধরি, কাঁদি বিষয়টা পুরো জেনুইন হয়। দিব্যজ্যোতিকে তিনি এই প্রজন্মের অন্যতম সেরা প্রতিভাবান নায়ক বলেও উল্লেখ করেন।
দীপা অর্থাৎ অভিনেত্রী স্বস্তিকা ঘোষ সম্পর্কে কী অভিমত তার?
দীপা অর্থাৎ অভিনেত্রী স্বস্তিকা ঘোষ প্রসঙ্গে রূপাঞ্জনা মিত্র বলেন দীপা ব্ল্যাকবোর্ড হয়ে ঢুকেছিল আর তাই ওকে গড়ে নিতে সুবিধা হয়েছে। ওই ব্ল্যাকবোর্ডে প্রতিটা দাগ খুব স্পষ্ট! ওকে চোখের সামনে অভিনেত্রী হয়ে উঠতে দেখলাম বলে জানিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে খুদে দুই সদস্য সোনা-রূপার সঙ্গেও তার অন্তরের টান। যেমন ভালোবাসেন আবার তেমন শাসনও করেন বলে জানিয়েছেন তিনি।






“বিদেশের জীবন বাইরে থেকে যতটা ঝকঝকে লাগে, বাস্তবে ততটা সহজ নয়” “সফল হওয়াটাই সব নয়, যে মানুষগুলো তোমার জন্য জীবন কাটিয়ে দিল তাদের দিকেও তাকাতে হবে” কলকাতা বৃদ্ধাশ্রমে রূপান্তরিত হচ্ছে! নিজের উন্নতিতে যেন বাবা-মায়ের একাকীত্ব লুকিয়ে না থাকে, নতুন প্রজন্মকে কী বার্তা মমতা শঙ্করের?