“প্রেমটা আমাদের…কে দোষারোপ করল, কেন করল ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য নয়!” শুভশ্রী-দেব বিচ্ছেদ থেকে শুরু করে সম্পর্কে তৃতীয় ব্যক্তি বিতর্কে, নিজ অবস্থান মজবুত রাখলেন রুক্মিণী মৈত্র! দীর্ঘ ১৩ বছরের অভিজ্ঞতা থেকে, মনের মানুষকে নিয়ে কী বললেন তিনি?

টলিউড অভিনেতা তথা মেগাস্টার দেবের (Dev) সঙ্গে তিনি কাটিয়ে ফেলেছেন ১৩ বছরেরও বেশি সময়! তিনি অভিনেত্রী তথা দেবের বিশেষ বান্ধবী বা আরও স্পষ্ট করে বললে, প্রেমিকা ‘রুক্মিণী মৈত্র’ (Rukmini Maitra)। তবে, এত বছর পরেও সম্পর্কের সামাজিক স্বীকৃতি নিয়ে কোনও মাথা ব্যথা নেই তাদের। বরং একে অপরের সঙ্গে ভালো থাকাটাকেই তারা প্রাধান্য দিতে চান। এতগুলো বছরে বিভিন্ন কারণে দেবের সঙ্গে রুক্মিণীকেও বিতর্কে জড়াতে হয়েছে।

সম্পর্কের শুরুতেই যেমন তাঁকে দায়ী করা হয়েছিল, শুভশ্রীর সঙ্গে দেবের বিচ্ছেদের কারণ হিসেবে! তবে বারবার দেব তথা রুক্মিণী প্রকাশ্যে বলেছেন, তাদের অনেক পুরোনো। আজও তাও কাটাছেঁড়া হয় সম্পর্কে তৃতীয় ব্যক্তি হিসেবে তাঁর ভূমিকা নিয়ে! কিছুদিন আগেই এই প্রসঙ্গের রুক্মিণীকে প্রশ্ন করা হয় যে এগুলো তাকে প্রভাবিত করে না? দেবের সঙ্গে তার সম্পর্কে কখনো তিক্ততা তৈরি হয়নি এই বাহ্যিক কথাগুলোর জন্য? খুব শান্তভাবেই অভিনেত্রী উত্তর দিয়েছেন।

তিনি বলেন, “কে কী ভাবল বা বলল, সেদিকে মোটেও তাকিও না। মনের মানুষটাই আগে আর যেখানে কমিটমেন্ট আছে, সেখানেই আসল সম্পর্ক!” এছাড়াও কিছুদিন আগে রুক্মিণী বলেছিলেন যে, তাঁদের সম্পর্কটা একটা ‘অটুট ও অদৃশ্য কাঁচের বাক্সে বন্দী’। যেটা কিনা আবার শব্দ নিরোধক! অভিনেত্রী এই প্রতীকের মাধ্যমে বুঝিয়েছিলেন যে, তাঁরা নিজেদের পরিসরে যথেষ্ট সুখী। আর নিজেদের কথা ছাড়া বাইরের কারোর কথা কানে আসতে দেন না বা সেই সুযোগ রাখেন না।

প্রসঙ্গত, গত বছর কিছু জটিলতা থাকলেও, তাদের সম্পর্কের মাধুর্য কখনোই কমেনি। কিছুদিন আগেই রুক্মিণী, প্রেমিক দেবের জন্মদিনে সমাজ মাধ্যমে এক বিশেষ পোস্ট ভাগ করেন। সেখানে নিজেদের কিছু ছবির সঙ্গে তিনি লিখেছিলেন, “শুভ জন্মদিন…সুপারস্টার বা মেগাস্টারকে না, শুধু আমার ভালোবাসাকে।” এই কথাগুলোর মধ্যে রুক্মিণী যে অনুভূতি প্রকাশ করেছেন, তা সত্যি খুবই অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে লেখা। কালো পোশাকে একসঙ্গে সেই ছবিগুলো যেন তাদের যে বন্ধন তা আবার নতুন করে আলোয় এনে দিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ “মানুষ হিসেবে আমরা যে বিশেষ সুবিধা পাই, তা সবাই পায় না”—অকপট ঋতা দত্ত চক্রবর্তী! জীবনের সুযোগ–সুবিধা নিয়ে অভিনেত্রীর মন্তব্য ঘিরে শুরু নতুন আলোচনা, কেন তাঁর ভাবনায় উঠে এল মানুষ আর অন্যান্য প্রাণের ব্যবধান?

এমনকি এক সময়ে যখন তাদের সম্পর্ক নিয়ে অনেকেই অনেক কথা বলেছিলেন, সেই পরিস্থিতিতে তারা যে একে অপরের পাশে আছেন এবং একে অপরকে বুঝে চলেছেন, তা পরিষ্কারভাবেই ফুটে উঠেছে রুক্মিণীর সম্পর্ককে দেখার দৃষ্টিভঙ্গিতে। এর থেকে এটা স্পষ্ট যে, সম্পর্কের উত্থান-পতন স্বাভাবিক। তবে ভালোবাসার মানুষটা সৎ হলে, সম্পর্ক পাল্টে যায় না। শুধু খুঁজতে হয় সেই মানুষটাকে, আর রুক্মিণী এবং দেব সেই খোঁজটাই একে অপরের মধ্যে পেয়েছেন।

You cannot copy content of this page