“দেবলীনা না বাঁচ’লেই ভালো হতো, তাহলে অন্তত সায়কের চরিত্রে দাগ লাগত না!” সমাজ মাধ্যমের নিষ্ঠু’রতায় সায়কের পাশে দাঁড়িয়ে কড়া বার্তা সুকান্তের! প্রাণর’ক্ষায় বন্ধুত্ব ঘিরে বিতর্কে, ইনফ্লুয়েন্সার নেটিজেনদের তুললেন কাঠগড়ায়!

সামাজিক মাধ্যম আজ আর শুধু খবর জানার জায়গা নয়, অনেক সময় তা হয়ে ওঠে অদৃশ্য আদালত। পরিচিত মুখ মানেই সেখানে যেন নিরবচ্ছিন্ন বিচার চলে। এই আবহেই ‘দেবলীনা নন্দী’ (Debolina Nandy) এবং ‘সায়ক চক্রবর্তী’কে (Sayak Chakraborty) ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্ক নতুন করে ভাবতে বাধ্য করেছে, আমরা ঠিক কতটা মানবিক থাকতে পারছি? পুরনো ভিডিও-ছবি, পরিচয়ের টুকরো স্মৃতি মিলিয়ে এমন এক ছবি আঁকা হচ্ছে, যেখানে সত্য আর অনুমানের সীমারেখা প্রায় মিলিয়ে যাচ্ছে!

সায়ক বারবার নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন এই বিষয়ে। তিনি বোঝানোর চেষ্টা করেছেন, বন্ধুত্বেরও আলাদা মর্যাদা থাকে। কারও ব্যক্তিগত জীবনের ভাঙা-গড়ার দায় বাইরে দাঁড়িয়ে চাপিয়ে দেওয়া যতটা সহজ। কিন্তু তার পরিণতি যে কতটা কঠিন হতে পারে, সেটাও তাঁর কথায় ধরা পড়েছে। তবু ব্যাখ্যা যতই আসুক, সমাজ মাধ্যমে কটাক্ষ এবং সমালোচনা থামছে না। এই টানাপোড়েনের মাঝেই সামনে আসেন সায়কের দাদা, সব্যসাচী। শুধু ভাইকে নয়, গোটা সমাজ মাধ্যমকেই থামার ইঙ্গিত দেন।

কোথায় থামতে হয়, কখন নীরব থাকা জরুরি, সেটার কথাই যেন মনে করিয়ে দেন তিনি। তবে, সবচেয়ে আলাদা করে নজর কেড়েছে পাশে দাঁড়িয়ে এক বন্ধুর সরব উপস্থিতি। সুকান্ত কুন্ডু সমাজ মাধ্যমে একটি ভিডিও করে বলেন, “কাউকে বাঁচানো মানে যে নিজের বিপদ বাড়ানো, কলি যুগে এসে সেটা আবার প্রমাণ হলো! আজকাল আমরা রাস্তাঘাটে দেখি কোনও অ্যা’ক্সি’ডেন্ট হলে, কেউ এগিয়ে যায় না। সবাই দাঁড়িয়ে থাকে বা চারটে ভিডিও করে অথবা মুখ ঘুরিয়ে চলে যায় যে ধুর, ওকে কেন বাঁচাতে যাব! কেন যায় না জানেন?

কারণ, তারা ভাবে ফেঁসে যাবে! সেই মানুষটাকে যদি বাঁচাতে হসপিটালে নিয়ে যায়, তখন পুলিশ জেরা করবে। এতে তার নিজের সমস্যা বাড়বে, আর এটাই কেউ নিজের জীবনে চায় না। এতগুলো কথা বলার একটাই কারণ। সায়ক সেদিন দেবলীনার প্রাণ বাঁচাতে এগিয়ে আসলেও, তাঁকেই আজ কলঙ্কিত করা হচ্ছে! সায়ক কিন্তু পারত যে ভয়ে এড়িয়ে যাই, কিন্তু ও সেদিন দূরে থেকেও যতটা করা সম্ভব করেছে। যে মানুষটা সেদিন তৎপর না হলে, আজ আমরা দেবলীনাকে হারিয়ে ফেলতাম, তাঁকে নাকি কাদা ছোড়াছুড়ি করছেন আপনারা!

আরও পড়ুনঃ কালার্সের হিট সিরিয়ালের রিমেক স্টার জলসায়! সাধারণত একই চ্যানেলের ধারাবাহিকের রূপান্তর হয় বাংলায়, এবার ব্যতিক্রম ‘শুধু তোমারই জন্য!’ নায়িকা চরিত্রে চমক নবাগতা অভিনেত্রী! সঙ্গে থাকছেন দীপান্বিতা রক্ষিতও!

প্রাণ বাঁচালে কেউ কিভাবে তৃতীয় ব্যক্তি হয়? তাহলে তো বলতে হয়, মেয়েটার না বাঁচলেই ভালো হতো! না ওর চরিত্রে, না সায়কের চরিত্রে দাগ লাগতো। মানছি আপনারা কোন জিনিস সোজাভাবে মানতে চান না, যার জন্য কেউ অ্যাওয়ার্ড পেলেও বলেন টাকা দিয়ে কেনা। তাই বলে এটাতেও? কলিযুগে ভগবান এই জন্যই কাউকে বাঁচাতে আসে না! মানুষের জন্য কিছু করতে না পারলে, অন্তত চারটে খারাপ কথা বলবেন না!” এত কিছুর পরেও, একদিকে ব্যক্তিগত সম্পর্কের জটিলতা, অন্যদিকে সামাজিক মাধ্যমের অবিরাম বিশ্লেষণ চলছেই!

You cannot copy content of this page