চলছে ভালোবাসার মাসের প্রেমের সপ্তাহ, আর অভিনেত্রী সুস্মিতা রায়ের (Susmita Roy) জীবনেও যেন নতুন করে বসন্তের বাতাস বইছে! সম্প্রতি সমাজ মাধ্যমে গুঞ্জন উঠেছে, হয়তো সুস্মিতার জীবনে নতুন ভালোবাসা এসেছে। তবে সুস্মিতা নিজে জানান, তার বর্তমান জীবন সম্পূর্ণভাবে কাজের দিকে মনোনিবেশিত। ব্যক্তিগত জীবনের আনন্দ-বেদনা যতটা সম্ভব পেছনে ফেলে তিনি এখন নিজের কর্মজীবন এবং ব্যবসায়ের দিকেই নজর দিয়েছেন। তবে, ভবিষ্যতে কি ভালোবাসাকে দ্বিতীয় সুযোগ দেবেন তিনি?
প্রসঙ্গত, বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন সুস্মিতার একমাত্র ভাই। তার দিদি হিসেবে এই মুহূর্তে তার কাঁধে রয়েছে অনেক দায়িত্ব। পরিবারের সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এই সময়টিকে তিনি উদযাপনের মতো মনে করছেন। নিজের সংস্থার দায়িত্ব এবং পরিবারের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার মধ্যে দিয়ে তিনি নিজের দিনগুলো কাটাচ্ছেন, যেন প্রতিটি মুহূর্ত অর্থবহ হয়। কার্যক্ষেত্রে নতুন যাত্রা শুরু করার পর থেকে সুস্মিতা অনুভব করেছেন, এখন তার কাঁধে শুধু নিজের জন্য নয়, অনেকের দায়িত্বও রয়েছে।
তার সংস্থা, তার কর্মীরা সবাই তার পরিবারের মতো। তাই তার ভালোবাসা এখন শুধুই কোনও ব্যক্তির প্রতি সীমাবদ্ধ নয়, বরং তার চারপাশের মানুষ ও কাজের প্রতি বিস্তৃত। এই মনোভাব তাকে প্রতিদিন আরও দায়বদ্ধ করে তুলেছে। এদিকে সব্যসাচী চক্রবর্তীর সঙ্গে বিচ্ছেদের কষ্টও তিনি পুরোপুরি ভুলে যাননি, তবে জীবনের এই অধ্যায়ের থেকে শিক্ষা নিয়ে তিনি এগিয়ে যাচ্ছেন। সুস্মিতার মতে, ভালোবাসা কখনো হারায় না। আর সেটাই তাকে আজও শক্তি দেয়!
যদিও অতীতের সম্পর্ক ভেঙে গেছে, সুস্মিতার ভালোবাসার প্রতি বিশ্বাস অটুট। অভিনেত্রী গোপনীয়তা খুব একটা সমর্থন করেন না। সেটা কর্ম ক্ষেত্রেই হোক বা ব্যক্তিগত জীবনে, সবার সামনে সবকিছু খুলে রাখেন, ঠিক যেমনভাবে ভবিষ্যতে প্রেমে পড়লেও তা সবাই জানবেন!কাজের প্রতি তার গভীর মনোযোগ আর কাছের মানুষদের যত্নই যেন সুস্মিতার জীবন এখন এক ধরনের সমন্বয় খুঁজে পেয়েছে। দিনরাত এক করে শুধু কাজের মধ্যে ডুবে থাকছেন।
আরও পড়ুনঃ নতুন স্লটের প্রোমোতে উধাও মধুমিতা-নীল জুটি, ‘ভোলে বাবা পার কারেগা’য় চূড়ান্ত রদবদল! কামব্যাক করেও বাজিমাতে ব্যর্থ মধুমিতা, এবার নায়িকা হিসেবে চূড়ান্ত তিতিক্ষা দাস? নায়ক হিসেবে কাকে রাখছে চ্যানেল?
নিজেকে আরও উন্নত ও সফল করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এই প্রক্রিয়ায় তার পরিবারও যেন এক নতুন ভালোবাসার উৎস হয়ে উঠেছে। ব্যবসায়িক জীবনে পা রাখার পর একাকীত্ব ঘুচেছে, নিজেকে নতুন করে ভালোবাসতে শিখেছেন। একদিকে নিজের সংস্থা, অন্যদিকে পরিবারের মানুষদের নিয়েই সুস্মিতার জীবন এখন একটি পূর্ণাঙ্গ চক্রের মতো। ভালোবাসার উদযাপন এখন শুধু প্রেমিক বা জীবনসঙ্গীর জন্য নয়, বরং পরিবারের সকলের জন্য এবং সে আনন্দের জন্যই তাঁর হৃদয় সব সময় খোলা।






