বসন্তের হাওয়ায় চারপাশে এখন যেন শুধু ভালোবাসারই গন্ধ ভাসছে। চলছে প্রেমের মাস, প্রেমের সপ্তাহ। কোথাও লাল গোলাপ, কোথাও চকলেট, আবার কোথাও পুরনো স্মৃতির অ্যালবাম খুলে বসা। এই আবহেই নিজের জীবনের ভালোবাসা আর বিচ্ছেদের কথা মনে করলেন অভিনেতা ‘ঋজু বিশ্বাস’ (Riju Biswas)। হ্যাঁ, সেই অভিনেতা, যাঁকে ঘিরেই বছরের শেষে বেঁধেছিল নানান বিতর্ক। কিন্তু দিনের শেষে তো তিনিও একজন র’ক্ত-মাং’সের মানুষ!
বাইরে যতই উৎসবের রং থাক, তাঁর ব্যক্তিগত জীবনে এখন একান্ত নিরিবিলি সময়! গত বছরের অভিজ্ঞতা থেকে বিভিন্ন স্তরে কটাক্ষ তাঁকে বেশ নাড়িয়ে দিয়েছিল। “বাই দ্যা ওয়ে ইউ লুক গুড ইন শাড়ি!” নিয়ে সমাজ মাধ্যমে যে সমালোচনা শুরু হয়েছিল, তা মানসিক ভাবে প্রভাব ফেলেছিল ঋজুর জীবনে। সেই খারাপ সময়টা কাটিয়ে এখন আবার কাজে ফিরেছেন তিনি। নিজেকে ব্যস্ত রাখছেন শুটিং এবং দৈনন্দিন জীবনে।
ইতিমধ্যেই দুটি মিউজিক ভিডিওর কাজ সেরে ফেলেছেন বলেই খবর। অতীতের অস্বস্তি পেরিয়ে আবার স্বাভাবিক ছন্দে ফেরার চেষ্টা করছেন রোজ। এই বছর ‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’র পরিকল্পনা কী? প্রশ্ন উঠতেই যেন ব্যতিক্রমী উত্তর দিলেন তিনি! সম্পর্ক ভেঙেছে, তাই বলে এই বিশেষ দিনে মনখারাপ করে বসে থাকার ইচ্ছে নেই। সদ্য মায়ের জন্মদিন গিয়েছে, তাই ঠিক করেছেন মাকেই নিয়ে বাইরে ঘুরতে যাবেন। তাঁর কথায়, এই বছর তাঁর ভ্যালেন্টাইন মা-ই!
প্রসঙ্গত, জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে সম্পর্ক এবং প্রেম এলেও, সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সঙ্গ যে পরিবার, সেই উপলব্ধিও যেন রয়েছে তাঁর কথায়। প্রেমের প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি ফিরে গেলেন স্কুল জীবনে। শিমলার এক কনভেন্ট স্কুলে পড়ার সময়ই প্রথম প্রেমে পড়েছিলেন! খেলাধুলায় ভালো হওয়ায় সহপাঠীদের মধ্যে পরিচিতিও ছিল। সেই সময় এক ক্লাস সিনিয়র এক মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে ওঠে, তখন তিনি ক্লাস ইলেভেন। স্কুলের ফাঁকা মাঠেই প্রথম চুম্বনের অভিজ্ঞতা, সেই স্মৃতি এখনও স্পষ্ট তাঁর মনে!
আরও পড়ুনঃ “মিথ্যে বলব না, আমি তো প্রেমে পড়েইছি…” বিচ্ছেদের কষ্ট ভুলিয়ে, সুস্মিতার জীবনে এসেছে নতুন বসন্ত? প্রেমের মাসেই জীবনে নতুন অধ্যায় শুরু হতে চলেছে অভিনেত্রীর? কার সঙ্গে করবেন ভ্যালেন্টাইন্স উদযাপন?
খানিক লজ্জা এবং রসিকতার ছলেই তিনি বলেন, প্রথম ভালোবাসা ভুলে থাকা যায় না, নারীর সেই প্রথম স্পর্শের অভিজ্ঞতা যেন অন্যরকম। জীবনে একাধিক সম্পর্ক এলেও কোনোটাই স্থায়ী হয়নি। বারবার ভাঙনের অভিজ্ঞতা তাঁকে ক্লান্ত করেছে। তাই এবার যদি আবার প্রেম আসে, একেবারেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নিতে চান। তাঁর কথায়, মানুষ শান্তিতে থাকতে চায় আর এটা দোষ কি? প্রেম নিয়ে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি হয়তো বদলেছে, কিন্তু ভালো থাকার ইচ্ছে এখনও অটুট।






