“সেটা তোরা তোদের বোনের সাথে কর!” “নিজের ভাবনা চাপাস না!” ‘কুটনি বৌদি’ সুস্মিতা নতুন সংসার পাততেই, দাদার সম্পর্ক আর অক্ষমতা ঘিরে ট্রোলের বন্যা! এবার চাঁচাছোলা ভাষায় জবাব দিলেন ভাই সায়ক!

অভিনেত্রী, সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার ও উদ্যোক্তা সুস্মিতা রায় গত বুধবার হঠাৎ সকলকে চমকে দিয়েছেন। ডিভোর্সের এক বছরের মধ্যেই তিনি নতুন করে সংসার শুরু করেছেন। এই খবর প্রকাশিত হতেই নেটিজেনদের মধ্যে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ আনন্দ প্রকাশ করেছেন, আবার কেউ ট্রোল শুরু করেছেন। বিশেষ করে, তাঁর প্রাক্তন স্বামী সব্যসাচী চক্রবর্তীর পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কটাক্ষ ও বিতর্ক তীব্র হয়েছে। অনেকে এই ডিভোর্সের পেছনে সুস্মিতার ব্যক্তিগত জীবনের ‘পরকীয়া’কেও কারণ হিসেবে দেখেছেন।

সুস্মিতার নতুন সংসারের খবরের পরই নেটিজেনরা বিভিন্ন মন্তব্য করতে শুরু করেছেন। একাংশ বিশ্বাস করছেন, প্রথম বিয়ের সময় থেকেই সুস্মিতা সম্পর্কের জটিলতায় জড়িত ছিলেন। অন্যদিকে, কিছু মানুষ সব্যসাচীর দাদার সঙ্গে সম্পর্ককে কেন্দ্র করে আক্রমণ করেছেন। এমনকি, সোশ্যাল মিডিয়ায় পুরনো ছবি নিয়ে ভিন্ন মন্তব্যও করা হয়েছে। ট্রোলের মুখে পড়ে সায়ক চক্রবর্তী সরাসরি প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। তিনি মিষ্টি নামের এক বন্ধুর সঙ্গে ছবি শেয়ার করে স্পষ্ট করেছেন, সম্পর্কের মানে বোঝার গুরুত্ব কতটা।

সায়ক জানিয়েছেন, মিষ্টি তার বন্ধু হলেও দাদার কাছে তিনি ‘বোন’। সায়ক সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘মিষ্টিকে আমার অভিনয় জীবনের শুরু থেকে চিনি। সম্পর্ক আমার বন্ধু, আর আমার দাদার কাছে তিনি বোন। কিছু মানুষের অযাচিত কল্পনা নিয়ে আলোচনা বন্ধ করুন। সম্পর্কের মর্যাদা বোঝা আমাদের দায়িত্ব।’ এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি ট্রোলারদের সরাসরি প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন এবং ভিন্ন ব্যাখ্যার বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।

প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের জুলাই মাসে সুস্মিতা ও সব্যসাচী চক্রবর্তীর দীর্ঘদিনের সম্পর্কের পর আইনি বিচ্ছেদ ঘটে। যদিও বিচ্ছেদের সঠিক কারণ প্রকাশ্যে আসেনি, জানা যায় তারা একে অপরের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারছিলেন না। এরপরই এই সপ্তাহে সুস্মিতার দ্বিতীয় বিবাহের খবর প্রকাশিত হয়। তিনি নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, মা হওয়ার ইচ্ছে তাঁর কাছে সবসময় ছিল এবং এই নতুন জীবনকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করছেন।

আরও পড়ুনঃ “সালমান খানের ছবির আইটেম গানে সরাসরি ‘না’ শ্রেয়া ঘোষালের!” নোরা ফতেহির ‘সারকে চুনার’ ঘিরে বিতর্কের মাঝেই প্রশ্ন, আগে থেকেই কি এমন গানে বিরোধিতা করেছিলেন গায়িকা? তাঁর সেই সিদ্ধান্ত কি আজকের ‘আইটেম সং’ সংস্কৃতির বিরুদ্ধে নতুন দৃষ্টান্ত?

সুস্মিতার নতুন জীবন শুরু হওয়ার পরও সায়ক মন্তব্য করতে থেমে যাননি। তিনি লিখেছেন, ‘ভেবে ভালো লাগছে এই বরটাও আমারই খুঁজে দেওয়া। তবে এবার থামো প্লিজ। এটিই যেন শেষ বিয়ে হয়। মা হলে এবার সাবধান থাকো। কংগ্রাচুলেশন মিসেস দে।’ এই মন্তব্যে স্পষ্টভাবে দেখা যায় ব্যক্তিগত জীবনের ট্রোলিং ও কটাক্ষের মধ্যে একটি সমান্তরাল প্রতিক্রিয়া। নতুন সংসারের সঙ্গে সব্যসাচী ও সুস্মিতার সম্পর্কের এই পর্ব সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে।

You cannot copy content of this page