আজ সারা দেশে রামনবমী পালিত হচ্ছে। ভক্তরা বিভিন্ন মন্দিরে গিয়ে শ্রী রামের জন্ম উৎসব উদযাপন করছেন। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের রামরাজাতলা মন্দিরে ছিল ভিড় চোখে পড়ার মতো। সেখানে হাজির ছিলেন রাজ্য বিজেপির নেতা রুদ্রনীল ঘোষ। সকাল থেকেই তিনি মন্দিরের প্রাঙ্গণে উপস্থিত ছিলেন। পাঞ্জাবি পরিহিত তিনি পদ্ম হাতে রামের প্রতি অঞ্জলি অর্পণ করেন। সামাজিক মাধ্যমে লাইভে এসে তিনি সেই মুহূর্ত দেখান এবং উপস্থিত ভক্তদের সঙ্গে কথাও বলেন।
রুদ্রনীল ঘোষ লাইভে জানিয়েছেন, রামরাজাতলা মন্দির প্রায় আড়াইশো বছরের পুরনো। এখানে দীর্ঘদিন ধরে ভক্তরা নিয়মিতভাবে শ্রী রামের পুজো করেন। তিনি বলেন, “এই মন্দিরের ঐতিহ্য নতুন নয়, বহু প্রজন্ম ধরে চলে আসছে। কিন্তু কেউ কেউ আজও বলেন, রাম নাকি বহিরাগত। ঈশ্বর তাদের মঙ্গল করুন।” মন্দিরে উপস্থিত ভক্তরা আনন্দে মেতে ওঠেন এবং রামনবমীর আনন্দ ভাগাভাগি করেন।
তিনি আরও বলেন, ছোটবেলা থেকেই এই মন্দিরের সঙ্গে তার গভীর সম্পর্ক। তিনি মন্তব্য করেন, “অনেকেই বলতেন, রাম বাংলার সংস্কৃতির অংশ নয়। জয় শ্রী রাম বললে রাগ হতো। কিন্তু আজ সেই একই মানুষরা শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। এটা দেখে মনে হয়, মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি ধীরে ধীরে বদলাচ্ছে।” রুদ্রনীল ঘোষের এই বক্তব্যে উপস্থিত ভক্তদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা যায়।
রামনবমীর সকালে মন্দিরে মানুষের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়। ভক্তরা রামের পুজোর জন্য সকাল থেকেই অপেক্ষা করেন। রুদ্রনীল ঘোষও মন্দিরের এই উজ্জ্বল পরিবেশে অংশগ্রহণ করেন। লাইভে তিনি ভক্তদের উদ্দেশ্যে বলেন, “আমরা চাই পশ্চিমবঙ্গের অন্ধকার দূর হোক। সবাই, দল বা জাতি নির্বিশেষে সুখী থাকুক।” তার এই বক্তব্য সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা পাচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ “তিক্ত ভালোবাসায় বেঁচে থাকার থেকে বেরিয়ে আসাই ভালো” বি’স্ফোরক মন্তব্য তনুশ্রী ভট্টাচার্যের! স্বামী ও সন্তান নিয়ে সুখের সংসার, তবুও এই উপলব্ধি কেন? ব্যক্তিগত জীবনের কোন তিক্ত অভিজ্ঞতা আনলেন প্রকাশ্যে?
মন্দিরে উপস্থিত ভক্তরা বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও অংশ নেন। রুদ্রনীল ঘোষের সঙ্গে স্থানীয়রা গান, প্রার্থনা ও অঞ্জলি প্রদানের মাধ্যমে রামনবমীর আনন্দ ভাগাভাগি করেন। তিনি নিজেও ভক্তদের সঙ্গে মিলে নৃত্য ও প্রার্থনায় অংশ নেন। এই আয়োজন রামনবমীকে আরও উৎসবমুখর এবং সকলের জন্য আনন্দময় করে তুলেছে। ভক্তরা বলছেন, এরকম আয়োজন ধর্মীয় ঐতিহ্য ও সমাজে ভালো বার্তা ছড়িয়ে দেয়।






