দুর্গাপুজোর স্মৃতির সঙ্গে অনেকেরই জড়িয়ে থাকে ছোটবেলার নানান ঘটনা। তবে অভিনেতা ভাস্বর চট্টোপাধ্যায়ের পুজোর স্মৃতিতে রয়েছে এমন একটি ঘটনা, যার কোনও ব্যাখ্যা আজও খুঁজে পাননি তিনি। ছোটবেলায় দুর্গাপুজোর সময় ঘটে যাওয়া সেই অদ্ভুত অভিজ্ঞতার কথা সমাজমাধ্যমে তুলে ধরেছেন অভিনেতা। ঘটনাটি তাঁর মনে এতটাই গভীর ছাপ ফেলেছিল যে, বড় হওয়ার পরেও সেই স্মৃতি তাঁর মনে রয়ে গিয়েছে। সেই ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে ছিল পুজোর সময় দেখা দুজন অচেনা মানুষ। তাঁদের আচরণ এবং আচমকা আসা ও চলে যাওয়াই ঘটনাটিকে আরও রহস্যময় করে তুলেছিল। এখনও সেই স্মৃতি মনে পড়লে ভাস্বরের কাছে গোটা বিষয়টিই যথেষ্ট অদ্ভুত বলে মনে হয়।
ভাস্বরের স্মৃতিতে ঘটনাটির সূত্রপাত ছোটবেলার দুর্গাপুজোকে ঘিরে। সেই সময় পুজোর দিনগুলিতে নানা রকম মানুষের আনাগোনা থাকত এবং চারপাশে উৎসবের পরিবেশ তৈরি হত। এর মধ্যেই একবার তিনি এমন দুজন মানুষকে দেখেছিলেন, যাঁদের আগে কখনও দেখেননি। তাঁদের দেখে প্রথমে বিশেষ কিছু মনে হয়নি অভিনেতার। কিন্তু পরবর্তীতে তাঁদের আচরণই ভাস্বরের মনে প্রশ্ন তৈরি করে। কারা তাঁরা, কোথা থেকে এসেছিলেন এবং কেনই বা সেই জায়গায় এসেছিলেন, তা কোনওদিন স্পষ্ট হয়নি। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, যতটা হঠাৎ তাঁদের দেখা গিয়েছিল, ততটাই হঠাৎ তাঁরা অদৃশ্য হয়ে যান। সেই কারণেই ছোটবেলার ওই ঘটনাটি এখনও তাঁর কাছে একটি রহস্য হয়ে রয়েছে।
ভাস্বরের বর্ণনায়, ওই দুজনের উপস্থিতি ছিল বেশ অস্বাভাবিক। তাঁদের দেখে মনে হয়েছিল তাঁরা যেন কোনও দূরবর্তী জায়গা থেকে এসেছেন। কিন্তু তাঁদের সঙ্গে দীর্ঘ কোনও কথাবার্তাও হয়নি। কিছু একটা ইঙ্গিত দেওয়ার পর তাঁরা আচমকাই সেখান থেকে চলে যান। ভাস্বরের মনে প্রশ্ন জাগে, তাঁদের আসার উদ্দেশ্যটাই বা কী ছিল। আশপাশে খোঁজ করেও তাঁদের সম্পর্কে কোনও নির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। পরে বিভিন্নভাবে বিষয়টি বোঝার চেষ্টা করলেও কোনও পরিষ্কার উত্তর মেলেনি। ফলে ঘটনাটি তাঁর কাছে এমন একটি স্মৃতি হয়ে দাঁড়িয়েছে, যার ব্যাখ্যা হয়তো কোনওদিনই পাওয়া যাবে না।
এই ঘটনার কথা বলতে গিয়ে ভাস্বর জানিয়েছেন, ছোটবেলার সেই স্মৃতির সঙ্গে দুর্গাপুজোর আবহও জড়িয়ে রয়েছে। বাঙালির কাছে পুজো যেমন আনন্দ এবং উৎসবের সময়, তাঁর ক্ষেত্রেও সেই সময়ের সঙ্গে বহু স্মৃতি যুক্ত। কিন্তু সেই সব আনন্দের স্মৃতির পাশাপাশি এই ঘটনাটিও তাঁর মনে আলাদা জায়গা করে নিয়েছে। কারণ ঘটনাটি সাধারণ কোনও পুজোর স্মৃতির মতো ছিল না। সেখানে এমন কিছু ঘটেছিল, যার স্বাভাবিক ব্যাখ্যা তিনি নিজেও খুঁজে পাননি। সময়ের সঙ্গে বয়স বেড়েছে, জীবনে অনেক পরিবর্তন এসেছে। তবুও ছোটবেলার সেই অদ্ভুত অভিজ্ঞতার কথা মনে পড়লে তাঁর মনে একই প্রশ্ন ফিরে আসে। সেই অচেনা মানুষ দুজন আসলে কারা ছিলেন, সেটাই আজও রহস্য।
ভাস্বর বরাবরই সমাজমাধ্যমে নিজের জীবনের নানা অভিজ্ঞতা এবং স্মৃতি ভাগ করে নেন। এর আগেও তাঁর লেখা থেকে উঠে এসেছে পুরনো দিনের বিভিন্ন ঘটনা এবং টলিপাড়ার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা নানা স্মৃতি। এবার দুর্গাপুজোর আবহে নিজের ছোটবেলার এমন এক অজানা ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আনলেন অভিনেতা। তাঁর এই স্মৃতিচারণে পুজোর আনন্দের পাশাপাশি রহস্যের আবহও তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ঘটনাটির কোনও নিশ্চিত ব্যাখ্যা না থাকায় বিষয়টি আরও কৌতূহলের হয়ে উঠেছে। ভাস্বরের নিজের কাছেও এটি নিছক একটি পুরনো স্মৃতি নয়। কারণ ছোটবেলায় দেখা সেই ঘটনার ছবি এখনও তাঁর মনে স্পষ্ট হয়ে রয়েছে। তাই পুজোর সময় সেই স্মৃতি আবার সামনে আসতেই নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ “সাক্ষাৎকার দিয়ে সময় নষ্ট করি না, নিজের কৃতিত্ব নিয়ে বসে থাকার দরকার মনে হয় না!” “আমি ‘ঘরে বাইরে’ ছাড়া নিজের কোনও ছবিই দেখিনি আজ পর্যন্ত”— বিপুল জনপ্রিয়তা সত্বেও প্রচারবিমুখতা নিয়ে অকপট ভিক্টর বন্দ্যোপাধ্যায়! কেন শহর থেকে দূরে একা জীবন কাটাচ্ছেন তিনি?
সব মিলিয়ে ভাস্বর চট্টোপাধ্যায়ের দুর্গাপুজোর স্মৃতিতে থাকা এই ঘটনাটি সাধারণ পুজোর গল্পের থেকে একেবারেই আলাদা। উৎসবের আনন্দের মধ্যে হঠাৎ দেখা পাওয়া সেই অচেনা দুজনকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল একাধিক প্রশ্ন। তাঁরা কোথা থেকে এসেছিলেন, কেন এসেছিলেন এবং কোথায় চলে গেলেন, তার উত্তর আজও অজানা। ছোটবেলার সেই অভিজ্ঞতা পরবর্তীকালে ভাস্বরের মনে একটি রহস্য হিসেবেই থেকে যায়। এমন অনেক ঘটনা জীবনে ঘটে যায়, যার ব্যাখ্যা সঙ্গে সঙ্গে পাওয়া যায় না। সময় পেরিয়ে গেলেও কিছু স্মৃতি মানুষের মনে একইভাবে থেকে যায়। ভাস্বরের ক্ষেত্রেও দুর্গাপুজোর সঙ্গে জড়িয়ে থাকা এই অদ্ভুত ঘটনাটি তেমনই একটি স্মৃতি। তাই পুজোর আবহে তাঁর সেই পুরনো কাহিনি প্রকাশ্যে আসতেই ফের আলোচনায় এসেছে সেই রহস্যময় ঘটনা।






“বাংলা ইন্ডাস্ট্রির একমাত্র সুন্দরী নায়িকা কৌশানি, মা দুর্গার থেকেও বেশি সুন্দরী!” বেনারসি শাড়ি, গা ভর্তি সোনার গয়নায় হবু বৌমা, প্রশংসায় খেই হারিয়ে মন্তব্য পিয়া সেনগুপ্তর! ছেলে বনি আবার ঘুরছেন আঁচল ধরে! ‘হাসবো না কাঁদবো বুঝতে পারছি না’, ‘আপনার থেকে সুন্দরী কেউ হতে পারে?’ ‘এমন শাশুড়ি আমাকেও দিও ভগবান’ নেটপাড়ায় তুমুল হাসাহাসি!