জি বাংলার পর্দায় যে শুধুই সিরিয়ালের রমরমা বাজার তা কিন্তু নয়। পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান সম্প্রচারিত হয় এখানে সারা সপ্তাহ জুড়ে। তার মধ্যে গানের অনুষ্ঠান,খেলা কুইজ বা অন্যান্য বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠান থাকে।
জি বাংলার দিদি নাম্বার ওয়ান, দাদাগিরি, সারেগামাপা, মীরাক্কেল হলো জনগণের মনে দীর্ঘদিন ধরে জায়গা করে নেওয়া অনুষ্ঠান বা রিয়েলিটি শো। বিভিন্ন ধরনের নতুন নতুন প্রতিভা উঠে আসতে দেখেছে এতদিন দর্শকরা। সেটা হাস্যকৌতুকহোক কিংবা গান। এই বাংলা চ্যানেল বরাবর বিভিন্ন ধরনের প্রতিভাকে সম্মান জানিয়ে এসেছে।
আর এর মধ্যে গানের রিয়ালিটি মূলক অনুষ্ঠান সারেগামাপা অন্যতম উল্লেখযোগ্য হয়ে উঠেছে দর্শকদের মনে। সারেগামাপার বেশ কিছু সিজন ইতি মধ্যেই হয়ে গিয়েছে যার মাধ্যমে বেশ কিছু নতুন গায়ক-গায়িকাদের পেয়েছে বাঙালি দর্শকরা। সম্প্রতি আবার আরেকটি সিজন শুরু হয়েছে যেখানে বিভিন্ন ধরনের প্রতিযোগী বিভিন্ন ধরনের গানের শৈলী নিয়ে হাজির হয় বিচারক এবং দর্শকদের মুগ্ধ করার জন্য।
আর এই মঞ্চই প্রতিযোগী হিসেবে পেয়েছে লক্ষীকান্তপুরের কীর্তন শিল্পীকে। তিনি হলেন পদ্মপলাশ হালদার। সেই কীর্তন শিল্পীর গাওয়া গান শুনে ইতিমধ্যেই মুগ্ধ হয়ে গিয়েছেন উপস্থিত বিচারক থেকে সংগীত মহলের বিশিষ্ট শিল্পীরা এবং দর্শকরা।
View this post on Instagram
একটা সময় এই শিল্পী এতটাই জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন যে সোশ্যাল মিডিয়ায় দর্শকরা রীতিমতো দাবি জানাতে থাকে যে কোনোভাবেই যেন এই শিল্পীকে এই মঞ্চ থেকে বাদ না দিয়ে দেওয়া হয় তাহলে বাংলা একজন বড় শিল্পীকে হারাবে এবং এই শিল্পীও নিজের প্রতিভার বিকাশ ঘটাতে ব্যর্থ হবেন। কিন্তু এখন বিষয়টা অন্যরকম হয়ে গেছে।
আসলে বরাবর দেখা গেছে কীর্তন ছাড়া অন্য কোন ধারার গান গান না পদ্মপলাশ হালদার। কিন্তু যেকোনো গানের অনুষ্ঠানে দেখা যায় এক শিল্পী বিভিন্ন ধরনের গান গাইছেন। এটা তাঁর ভবিষ্যৎ কেরিয়ার জন্য খুবই ভালো। তবে যাঁরা একনিষ্ঠ শিল্পী হন তাঁরা এক বিশেষ ধারাকে কেন্দ্র করে এগিয়ে চলেন। কিন্তু গানের প্রতিভার ক্ষেত্রে বিচারকরা দেখে থাকেন এক শিল্পী কত ধরনের গান গাইতে পারেন সেটা।
তবে এক্ষেত্রে তেমনটা হচ্ছে না। উপরন্তু এই এক শিল্পী প্রতি এপিসোডে পারফর্মার অফ দ্য উইক হয়ে চলেছেন। এতে এবার অসন্তুষ্ট হয়ে গিয়েছে দর্শকরা। তাদের দাবি একজন শিল্পী একই ধরনের গান গেয়ে চলেছেন অনবরত এদিকে অন্যান্য প্রতিযোগিতা আরো বিভিন্ন ধরনের গান শোনাচ্ছেন যে রীতিমতো উল্লেখযোগ্য তাঁদের প্রতিভাকে তুলে ধরতে। ফলে বাকিটা খানিকটা হলেও উপেক্ষিত হচ্ছে না এমনটাই দাবি করেছে দর্শকরা।






“তুমি কিন্তু থামোনি, এই বয়সেও সুন্দর চালিয়ে যাচ্ছ!” স্বামীর উদ্দেশ্যে অভিনেত্রীর পরোক্ষ খোঁচা! ৩১ বছরের দাম্পত্য জীবন, কৌশিক সেনের পাশে বেমানান লাগে রেশমিকে! কী উত্তর দিলেন তিনি?