স্টার জলসায় ৬-৭ বছর আগে একটি জনপ্রিয় সিরিয়াল হত। তার নাম ছিল ইচ্ছে নদী। যেটা ছিল দুই বোনের কাহিনী। সেখানে ছোট বোন যাই পছন্দ করত সেটা বড় বোন কেড়ে নিতো। এমন কি মনের মানুষকে পর্যন্ত কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল। তিতির মেঘলার এই লড়াইটা দেখতে পছন্দ করতো মানুষ।
তার ওপর বিক্রম আর মেঘলার জুটি ভীষণ রকম ভাবে জনপ্রিয় ছিল মানুষের মধ্যে। সেখানে আমরা দেখতে পেয়েছিলাম বিক্রম স্মৃতি ভুলে গেছিল আর মেঘলা বিধবা সাজে বিক্রমের বাড়িতে কাজ করতে এসেছিল। চেনা চেনা লাগছে তো গল্পটা?
যারা ইচ্ছেনদী দেখেছিলেন এবং এখন ধুলোকণা দেখছেন তাদের হঠাৎ করে মনে হচ্ছে যে গল্পটা তো একই দিকে যাচ্ছে। ঠিক একইভাবে লালনের মেমোরি লস হয়ে গেছে এবং ফুলঝুরি বিধবা বেশে কাজ করতে এসেছিল। অনেকে এবার বলতে শুরু করেছেন যে ধুলোকণা আসলে ইচ্ছেনদীকে কপি করছে।
এবার ইচ্ছেনদী হলো একটা ইমোশন কারণ এখানে সোলাঙ্কি রায় আর বিক্রম চ্যাটার্জি ছিল। সেখানে ইন্দ্রাশিষ আর মানালির ধুলোকণা সেটা কপি করবে কেউই সেটা মেনে নিতে পারবে না।
তাই সকলেই চাইছেন যে গল্প বদলানো হোক। কারণ এই নায়কের স্মৃতি চলে গেছে আবার নায়িকার কারণে স্মৃতি ফিরে এসেছে গল্পটা এত পুরনো যে ভীষণ একঘেয়ে লাগে।
ইচ্ছেনদী কে অনুসরণ নয় বরং নিজের মতো করে গল্প লিখুক ধুলোকণা। তাহলে টপারশিপ ধরে রাখতে পারবে চিরকালের মত।






“বিদেশের জীবন বাইরে থেকে যতটা ঝকঝকে লাগে, বাস্তবে ততটা সহজ নয়” “সফল হওয়াটাই সব নয়, যে মানুষগুলো তোমার জন্য জীবন কাটিয়ে দিল তাদের দিকেও তাকাতে হবে” কলকাতা বৃদ্ধাশ্রমে রূপান্তরিত হচ্ছে! নিজের উন্নতিতে যেন বাবা-মায়ের একাকীত্ব লুকিয়ে না থাকে, নতুন প্রজন্মকে কী বার্তা মমতা শঙ্করের?