“যেন র’ক্তাক্ত না হয়…কোনও প্ররোচনায় পা দেবেন না!” বাংলার ভোটের আগে অশান্তির আশঙ্কায় সরব জয়জিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়! উত্তেজনা বাড়তেই, অতীতের কোন অভিজ্ঞতা থেকে সবাইকে সতর্ক করলেন অভিনেতা?

ভোটের আবহে যখন চারদিকেই উত্তেজনা ধীরে ধীরে বাড়ছে, তখনই শান্তির বার্তা নিয়ে সামনে এলেন অভিনেতা ‘জয়জিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়’ (Joyjit Banerjee)। বাংলার আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengali election 2026) ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক দলগুলোর প্রস্তুতি তুঙ্গে, নির্ধারিত হয়েছে ভোটের দিনক্ষণও। কিন্তু এই সময়েই নানান জায়গায় অশান্তির আশঙ্কা মাথাচাড়া দেয়, আর তার প্রভাব পড়ে সাধারণ মানুষের জীবনে। এই বাস্তবতার কথাই মাথায় রেখে তিনি সামাজিক মাধ্যমে সকলের উদ্দেশে সংযত থাকার আবেদন জানিয়েছেন।

গতকাল নিজের সামাজিক মাধ্যমের পাতায় একটি পোস্ট করেন তিনি। সেখানেই তিনি বলেন, রাজনৈতিক মতভেদ থাকতেই পারে, কিন্তু তা যেন কোনওভাবেই হিংসার রূপ না নেয়। তাঁর মতে, নেতাদের মধ্যে ব্যক্তিগত সম্পর্ক অনেক সময়েই স্বাভাবিক থাকে, কিন্তু সেই জায়গাটা সাধারণ কর্মীদের মধ্যে প্রতিফলিত হয় না। তাই অযথা উত্তেজনায় ভেসে না গিয়ে, পরিস্থিতি সামলে নেওয়ার কথাই তিনি তুলে ধরেছেন।

তাঁর এই বার্তার মূল ছিল একটাই যে ‘ভোট যেন গণতন্ত্রের উৎসব হয়, সংঘর্ষের কারণ না হয়ে!’ প্রসঙ্গত, এই বক্তব্য সামনে আসতেই অনুরাগীদের মধ্যেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। অনেকেই তাঁর মতের সঙ্গে একমত হয়ে জানান, এমন সচেতনতা আরও বেশি মানুষের মধ্যে ছড়ানো দরকার। আবার কেউ কেউ খানিকটা হতাশার সুরেই বলেন, এই কথাগুলো সবাই বুঝলেও বাস্তবে প্রয়োগ করতে পারেন না অনেকেই।

তবুও, এই ধরনের বার্তা যে সময়োপযোগী তা নিয়ে বিশেষ দ্বিমত নেই। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই ব্যক্তিগত জীবনের কারণে খবরের শিরোনামে ছিলেন জয়জিৎ। দুই দশকের তাঁর দাম্পত্য জীবনে ভাঙনের খবর সামনে আসার পর তা নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়। প্রথমে বিষয়টি নিয়ে চুপ থাকলেও পরে তিনি স্বীকার করেন সম্পর্কের ইতি টানার কথা। অন্যদিকে, তাঁর প্রাক্তন স্ত্রীও একাধিক অভিযোগ প্রকাশ্যে আনেন যা নিয়ে তখন চর্চা কম হয়নি।

আরও পড়ুনঃ “ভয়ে পেয়েছিলাম খুব…নোং’রামি থামাতে বলেছিলাম, আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে!” “আগে থেকেই প্ল্যান ছিল, আমি বোকার মতো পা দিয়েছি!” সুস্মিতার বি*স্ফোরক লাইভের পর সায়কের পাল্টা দাবি, নিজেকে ‘সরল মানুষ’ বলে স্পষ্ট করলেন অবস্থান! নতুন মোড়ে চক্রবর্তী পরিবারের বিতর্ক?

ব্যক্তিগত জীবনের ওঠাপড়া হোক কিংবা পেশাগত ব্যস্ততার, সবকিছুর মাঝেও বরাবরের মতো সমাজ নিয়ে নিজের মত প্রকাশ করতে পিছপা হননি জয়জিৎ। বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁর এই বার্তা অনেকের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হচ্ছে। কারণ, শেষ পর্যন্ত ভোট শুধু রাজনৈতিক লড়াই নয়, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা আর শান্তির সঙ্গেও জড়িয়ে থাকে। এই বিষয়টিই যেন তিনি মনে করিয়ে দিতে চেয়েছেন। আপনারা কতটা সহমত অভিনেতার সঙ্গে?

You cannot copy content of this page