কথা-কে ছেড়ে অন্য মেয়ের সঙ্গে স’হ’বাসে অগ্নি! ভাইরাল ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের দৃশ্য ! ‘কথা’-তে আসতে চলেছে বিরাট ধামাকা? কী হবে কথার?

স্টার জলসার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘কথা’ (Kothha) নিয়ে বিতর্ক যেন থামছেই না! প্রথম থেকেই এই সিরিয়ালে অগ্নি ও কথার সম্পর্ক নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ তুঙ্গে ছিল। সম্প্রতি তাঁদের দুজনের অতি ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়েও দর্শকমহলে সমালোচনার শেষ নেই। কিন্তু এবার সমাজ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কিছু ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি দেখে অনেকেই হতবাক! এমন দৃশ্য কথা অনুরাগীদের কাঁদাচ্ছে!

যেখানে দেখা যাচ্ছে, অগ্নি কথা-কে ছেড়ে অন্য এক মহিলার সঙ্গে রাত কাটাচ্ছে! এই ছবিগুলো প্রকাশ্যে আসতেই নেটিজেনদের মধ্যে তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই বলছেন, “এতদিন কথা-অগ্নির প্রেম কেবল নাটকেই ছিল, এবার কি সত্যি সত্যি সম্পর্ক ভেঙে গেল?” আবার কেউ বলছেন, “অগ্নি শুধু কথাকেই নয় সারা পরিবারকেই ঠকিয়েছে! অগ্নি এমনটা করবে আশা করিনি।”

কেউ কেউ আবার মন্তব্য করছেন, “অগ্নির এই রূপ কল্পনাও করিনি!” ধারাবাহিকের নিয়মিত দর্শকদের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে একধরনের বিভ্রান্তি। বিশেষ করে, এই ঘনিষ্ঠ দৃশ্যগুলোর কারণে প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি ধারাবাহিকে আসতে চলেছে বড়সড় টুইস্ট? নাকি বাস্তব জীবনে এই দুই তারকার সম্পর্কর প্রভাবে ভেঙে যাচ্ছে এই অনস্ক্রিন জুটি? প্রযোজককেও গালমন্দ করতে ছাড়ছেন না অনেকেই।

অগ্নির এমন রূপ দেখে কথার অনুরাগীরা হতাশ, অনেকেই সমাজ মাধ্যমে ক্ষোভ উগড়ে দিচ্ছেন। কেউ বলছেন, “ধারাবাহিকের গল্প যেদিকে যাচ্ছে, তাতে কথা-অগ্নির মিলন অসম্ভব!” আবার কেউ বলছেন, “এভাবে কথা-কে আঘাত দেওয়া ঠিক হলো?” আপনাদের মনেও প্রশ্ন জাগছে তো কে এই তৃতীয় ব্যক্তি যে ভেঙে দিচ্ছে আপনাদের প্রিয় জুটির সুখের সংসার? নাকি মান্ডবির নতুন কোনো চাল?

আরও পড়ুনঃ “সন্ধ্যা রায়ের ঈর্ষার শিকার হয়েছি, আমার হাড়গোড় ভেঙে দিয়েছিলেন যাতে নায়িকা না হতে পারি!” সন্ধ্যা রায়ের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর দাবি অনামিকার সাহার

কিন্তু একটু দাঁড়ান! এটা আসলে এক বিশাল বড় প্র্যাঙ্ক! আজ ১লা এপ্রিল, আর এই পোস্টটি শুধুমাত্র এপ্রিল ফুল উদযাপনের জন্য বানানো হয়েছে। আসলে, ভাইরাল হওয়া ছবিগুলো স্টার জলসার কথা ধারাবাহিকের নয়! এগুলো ‘ক্লিংক’ প্ল্যাটফর্মের একটি ওয়েব সিরিজের দৃশ্য মাত্র। যারা সত্যি ভেবেছিলেন, তাদের জন্য বলি— ধরা খেয়ে গেলে কিন্তু! তাই এপ্রিল ফুলের দিন এমন মজার প্র্যাঙ্ক উপভোগ করুন, তবে কোনো গুজবে কান দেবেন না!

You cannot copy content of this page