বিগত কয়েক সপ্তাহ দারুণ পারফরমেন্স করে এই সপ্তাহে টিআরপি তালিকার প্রথম পাঁচ থেকে সরে গেছে ধারাবাহিক কার কাছে কই মনের কথা (Kar Kachhe Koi Moner Kotha) । যদিও উত্তেজনা খামতি আসেনি। এই মুহূর্তে কানায় কানায় ভরপুর এই ধারাবাহিকটির উত্তেজনা। একশ্রেণীর দর্শকরা মনোযোগ দিয়ে এই ধারাবাহিকটি দেখছেন।
কিছুটা হলেও একঘেয়েমির কারণে এই ধারাবাহিক দেখা থেকে দর্শকরা মুখ ফিরিয়েছেন। এই মুহূর্তে এই ধারাবাহিকের গল্প আর সেই ভাবে আকর্ষণ করতে পারছে না দর্শককে। কারণ ক্রমাগত একঘেয়ে শয়তানি দেখানো হচ্ছে। পরাগ, পলাশ, প্রতীক্ষার মতো শিমুলের শত্রুরা এবার শাস্তি পাক চাইছেন খোদ দর্শকরাও।
দর্শকদের দাবি শিমুল অন্তত একবার তাদেরকে যোগ্য শাস্তি দিক।
কারণ বারবার অন্যায় করে পার পেয়ে যাচ্ছে এরা। আর তাই এদের কঠিন শাস্তির দাবি জানিয়েছেন দর্শকরা। এই ধারাবাহিকের সাম্প্রতিক পর্বে আমরা দেখেছি নিজের ছাত্রী প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে মিলে শিমুলের বিরুদ্ধে নতুন ষড়যন্ত্র করেছে পরাগ। যথারীতি এই ষড়যন্ত্রে তার সঙ্গে রয়েছে পলাশ এবং প্রতীক্ষাও। তাদের উদ্দেশ্য শিমুলকে অসম্মানিত করে বাড়ি থেকে দূর করে দেওয়া।
আর পরিকল্পনা অনুযায়ী সেই জন্য তারা সবাই হঠাৎ করেই শিমুলের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করা শুরু করে। তাদের হঠাৎ পরিবর্তন যথারীতি এই ঘটনায় শুরু থেকেই সন্দেহ করছিল শিমুল কিন্তু কিছুতেই বুঝে উঠতে পারছিল না কি হতে চলেছে। আর সেই সবার ভালো মানুষির সেই ফাঁদে পা দিয়ে দেয় শিমুল। বলাই বাহুল্য, প্রতীক্ষা ষড়যন্ত্র করে বিয়ে করে বাড়িতে আসার পর শিমুলকে তার গয়নাগুলো তুলে রাখতে বললে শিমুল ইতস্তত বোধ করে। কিন্তু তাকে জোর করে প্রতীক্ষা। আর এরপরই আশীর্বাদের সময় পরাগের সাহায্যে প্রিয়াঙ্কা চুপিসারে গিয়ে গয়না সরিয়ে দেয়। আর সেই গয়না ঢুকিয়ে দেয় শতদ্রুর ব্যাগে।
অবশেষে সেই গয়না পুলিশ এসে উদ্ধার করে শতদ্রুর ব্যাগ থেকে। যথারীতি পরাগরা মুখিয়েই ছিল। সমস্বরে তারা দাবি তোলে শিমুলের সহযোগিতাতেই শতদ্রু এই গয়নাগুলো ব্যাগে ভরেছে। এরপরই পরাগ জানিয়ে দেয় শিমুলের আর এই বাড়িতে থাকা চলবেনা। তবে আশ্চর্যজনক বিষয় যে শিমুল নিজের গয়না বন্ধক রেখে শাশুড়িকে তীর্থ করতে পাঠালো, পরাগের কাছ থেকে পাওয়া পাঁচ লাখ টাকা ননদ পুতুলের নামে লিখে দিলো। সেই সবকিছু জানা শাশুড়ি শিমুলকে অবিশ্বাস করল। পাড়ার বন্ধুরা যখন বলল শিমুল এই গর্হিত কাজ কখনও করতেই পারে না। তারা শিমুলের উপর বিশ্বাস রাখল। কিন্তু যে শাশুড়ি শিমুলের কাছ থেকে এত সাহায্য পেয়েছে তিনি কি রকম ভোল পাল্টে বিশ্বাস করে নিলেন শিমুল গয়না চুরি করেছে। আর এইরকম গিরগিটির মতো রং বদলানো শাশুড়ির শাস্তি চাইছেন দর্শকরা।






“বিয়ে মানেই তো সিঁদুর-ফিদুর লেবড়ে-লুবড়ে…” বৈবাহিক সম্পর্কের ব্যাখ্যা দিতেই মন্তব্যে বিতর্ক উস্কে দিলেন কৌশিক সেন! ‘জীবনের ব্যাপ্তি শুধু লিভ ইন করলেই?’ ‘সত্যি কী ভাষা আপনার, ছিঃ!’ ‘পাবলিক ফিগার বলেই কি যা খুশি বলবেন?’ যারা শাঁখা-সিঁদুর পরে তাদের অপমানে, অভিনেতাকে ধুয়ে দিলেন ক্ষু’ব্ধ নেটিজেনরা!