দিন যত এগোচ্ছে শুভ-আদি ততই বুঝতে পারছে তাঁর কারোর ষড়যন্ত্রের শিকার হচ্ছে। স্টার জলসার গৃহপ্রবেশ ধারাবাহিকে আজকের পর্বে দেখা যাবে, সকাল হতেই বাড়িতে ধুমধাম করে শুরু হয়ে গিয়েছে দাদু-ঠাম্মির বিবাহ বার্ষিকী। এমন সময়, সেবন্তী সবাইকে বলছে আজ সারাদিন কী কী হবে? নাচগান, খাওয়াদাওয়া, আনন্দ নিয়েই আজকের দিনটা উদযাপন করা হবে।
এমন সময় বাড়িতে হঠাৎই চলে আসে জিনিয়ার মা। আর এসেই সবাইয়ের কাছে একটা আর্জি রাখে। জিনিয়ার মা বলে তিনি পুরোহিত মশাইয়ের কথা বলেছেন। জানিয়েছেন আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে একটা ভালো দিন আছে আর সেই দিনেই তিনি সমিত-জিনিয়ার বিয়ে দিতে চায়। এই শুনে অবাক হয়ে যায় সবাই কিন্তু পূরবী খুব খুশি হয়ে বলে যত তাড়াতাড়ি শুভ কাজ হয়ে যায় ততই ভালো।

এমন সময়, রূপক আর আদি একপাশে গিয়ে জিনিয়ার ব্যাপারে কথা বলতে থাকে। পরে, এদের কথায় যোগ দেয় শুভ আর বলে, সে জিনিয়ার ব্যাপারে খোঁজ নেওয়ার কাজ শুরু করে দিয়েছে। এমন সময়, শুভর ফোন চলে আসে আর সে বাইরে চলে যায় কারোর সঙ্গে দেখা করতে।
বাইরে গিয়ে দেখে আকাশের সঙ্গে কথা বলছে আদি-মোহনার ব্যাপারে। গ্রিটিংস কার্ডে লেখা থেকে শুরু করে আদি-মোহনার ফটোতে লেখা কথা নিয়ে আলোচনা করতে থাকে শুভ। আকাশ এই দুটো জায়গার লেখা দেখে জানায়, যে এই লেখাটা লিখেছে তারা দুজনে একই মানুষ। মূলত, যে এই ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি করছে তারা খুবই কাছের মানুষ বলে সন্দেহ করছে শুভ। এরপর, সেই হাতের লেখা যাচাই করতে আকাশ কার্ড এবং ফটোটা নিয়ে চলে যায়।
এমন সময় শুভকে আকাশের সঙ্গে দেখতে পেয়ে রেগে যায় সেবন্তী আর বলে এমন কি দরকার রয়েছে আকাশের সঙ্গে যা তাকে বাইরে এসে কথা বলতে হবে। এরপর, সেবন্তী শুভ আকাশের এই মেলামেশা খুব একটা ভালো চোখে দেখছে না তা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয় শুভকে। এই সময়, শুভ বলে ‘বৌমা বৌমাই হয় সে কখনো বাড়ির মেয়ে হয়ে উঠতে পারে না আজ তুমি তা প্রমাণ করে দিলে’।
আরও পড়ুনঃ “আমি কোথাও নেই, শুধু বেঁচে আছি”— এক সময়ের ছোট্ট ‘পটল’ আজ পর্দা থেকে অনেক দূরে! জনপ্রিয়তার চূড়ায় থেকেও কেন অভিনয় ছাড়লেন হিয়া? তাকে ফের ছোটপর্দায় দেখতে চান?
এরপর, সন্ধ্যার অনুষ্ঠানের জন্য ঘরে তৈরি হচ্ছে শুভ আর এমন সময় আদি এসে তাঁকে কেশবের ফটো দেখায়, সে কীভাবে কেশবকে তৈরী করেছে এই বিষয়ে। এরপর, শুভ-আদির মাঝে সেই ফটো নিয়ে আলোচনা শুরু হয়ে যায়। আদি সেই সময় শুভকে বলে তার জীবনে কেশব এবং সে ছাড়া আর কোনো সত্যি নেই। এরপর, হইহই করে শুরু হয়ে যায় অনুষ্ঠান কেক কাটা, সিঁদুর দান, মালা বদল সবকিছু নিয়েই জমজমাট হয়ে ওঠে সন্ধ্যে। এমন সময় রূপক লক্ষ্য করে জিনিয়ার তাঁর ছেলের সঙ্গে কেমন সব সময় জড়িয়ে রয়েছে। এরপর বাড়িতে আসে আকাশরা। কিন্তু, মোহনা এলেও সে একবারও আদির কাছে আয়ান বলে ছুটে যায় না, এটা লক্ষ্য করে শুভ। কিন্তু, কেন? এই প্রশ্নও তার মনে চলতে থাকে।






“বিয়ে মানেই তো সিঁদুর-ফিদুর লেবড়ে-লুবড়ে…” বৈবাহিক সম্পর্কের ব্যাখ্যা দিতেই মন্তব্যে বিতর্ক উস্কে দিলেন কৌশিক সেন! ‘জীবনের ব্যাপ্তি শুধু লিভ ইন করলেই?’ ‘সত্যি কী ভাষা আপনার, ছিঃ!’ ‘পাবলিক ফিগার বলেই কি যা খুশি বলবেন?’ যারা শাঁখা-সিঁদুর পরে তাদের অপমানে, অভিনেতাকে ধুয়ে দিলেন ক্ষু’ব্ধ নেটিজেনরা!