বিজেপি বিধায়ক ও অভিনেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় বিয়ের পর থেকেই বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। দ্বিতীয় স্ত্রী ঋতিকা গিরি মুখ খুলতেই থানায় গিয়ে অভিযোগ জানান প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা চট্টোপাধ্যায়। থানার বাইরে দাঁড়িয়ে অনিন্দিতা স্পষ্ট বলেন, আগে আইনি ডিভোর্স হোক, তারপর বিয়ে। তাঁর দাবি, বিচ্ছেদ না হওয়া অবস্থায় এই বিয়ে গ্রহণযোগ্য নয়।
মঙ্গলবার দুপুরে হিরণ ও ঋতিকার বিয়ের ছবি প্রকাশ্যে আসার পর অনিন্দিতা জানান, তাঁদের এখনও আইনিভাবে ডিভোর্স হয়নি। অন্যদিকে ঋতিকার বক্তব্য, গত পাঁচ বছর ধরে তিনি হিরণের সঙ্গে সম্পর্কে আছেন এবং বহু আগেই আইনি বিচ্ছেদের চিঠি পাঠানো হয়েছিল। তাঁর কথায়, বিয়েকে বেআইনি মনে হলে আইনি পথে যাওয়াই একমাত্র রাস্তা।
থানা থেকে বেরিয়ে অনিন্দিতা আরও অভিযোগ করেন, ঋতিকা তাঁকে নানা বার্তা পাঠিয়েছেন। তিনি বলেন, বারবার আত্মহত্যার হুমকির কথা শুনেছেন। তাঁর প্রশ্ন, যে মানুষ বারবার এমন কথা বলেন, তিনি কীভাবে সুখী সংসার করবেন। এই দিন অনিন্দিতা তাঁর মেয়ে নিয়াসাকে সঙ্গে নিয়ে থানায় যান।
হিরণের মেয়ে নিয়াসাও মুখ খুলেছেন। থানার বাইরে দাঁড়িয়ে তিনি জানান, ঋতিকা গিরি প্রথমে তাঁকে মিসড কল করেছিলেন। পরে মেসেজ করে আত্মহত্যার কথা বলেন। নিয়াসার দাবি, এই ঘটনার সব স্ক্রিনশট তাঁর কাছে রয়েছে এবং তখন বাবা তাঁদের সঙ্গেই ছিলেন।
আরও পড়ুনঃ “পাঁচ বছর আমরা একসঙ্গে…বিয়ে অনেক আগেই করেছি, কিছুই লুকানো ছিল না!” হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে জল্পনায়, প্রথম স্ত্রীর অভিযোগকে মিথ্যে বলে প্রকাশ্যে ঋতিকা গিরির বি’স্ফোরক দাবি!
অনিন্দিতার আরও দাবি, সেই সময় তাঁরা একসঙ্গে বেড়াতে গিয়েছিলেন এবং টানা কয়েক মাস একসঙ্গেই ছিলেন। তিনি বলেন, হিরণ তাঁদের নামে ফ্ল্যাট কিনে দিয়েছেন, যেখানে তিনজনেরই নাম রয়েছে। তাঁর প্রশ্ন, ডিভোর্স হয়ে গেলে কেউ কি এমন ফ্ল্যাট কেনে। এই ঘটনায় অনিন্দিতা ও তাঁর আইনজীবী দুজনেই হিরণ ও ঋতিকার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন। তবে এখনও পর্যন্ত হিরণ এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি।




