স্টার জলসার ধারাবাহিক ‘কম্পাস’ (Compass) শুরু হওয়ার পর থেকেই দর্শকদের বিশেষ পছন্দের জায়গায় পৌঁছে গেছে এক ব্যতিক্রমী সম্পর্কের রসায়ন। যেখানে ধারাবাহিকে সাধারণত শাশুড়ি ও বৌমার টানাপোড়েনই গল্পের মূল হয়, সেখানে এই ধারাবাহিকে একেবারে ব্যতিক্রম দেখা যাচ্ছে! পর্দায় যেমন শাশুড়ি-বৌমার কম্পাস ও ঋতজার সম্পর্ক বন্ধুত্বে ভরা, তেমনি পর্দার বাইরেও বিহান অর্থাৎ, ধারাবাহিকের নায়ককে নিয়ে তাঁদের খুনসুটি আর আন্তরিকতা, দর্শকদের আলাদা করে নজর কেড়েছে।
সম্প্রতি শুটিং সেট থেকে এমনই কিছু অফস্ক্রিন মুহূর্ত সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। বিশেষ একটি দৃশ্যের জন্য সবাই সাদা-লাল পোশাকে সেজেছিলেন। শুটিংয়ের ফাঁকে হঠাৎই ক্যামেরা অন হতেই শুরু হয় হাসি ঠাট্টা। সেই ভিডিওতেই দেখা যায়, মল্লিকা মজুমদার এক হাতে পর্ণা চক্রবর্তীর কান টেনে ধরছেন আর অন্য হাতে অর্কপ্রভ রায়ের গলা ধরেছেন! এরপর তিনি বলেন, “একটা তিন বছরের বাচ্চা আর একটা পাঁচ বছরের বাচ্চা! সারাক্ষণ দুটিতে মারপিট আর ঝগড়া করেই যাচ্ছে।
লোকে বলে অফ স্ক্রিন নাকি প্রেম হয়, এরা তো সাপে-নেউলের মতো! আমাকে সবসময় লাঠি নিয়ে অর্কপ্রভর পেছনে ছুটতে হয়, যাতে পর্ণাকে একটু কম জ্বালায়।” এই ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই দর্শকদের মধ্যে হাসির রোল পড়ে যায়। অনেকেই লিখেছেন, এই অফস্ক্রিন বন্ধুত্বই আসলে পর্দার রসায়নকে এত প্রাণবন্ত করে তুলেছে। বিহান-কম্পাস ও ঋতজার সম্পর্ক যে এতটা স্বাভাবিক লাগে, তার নেপথ্যে এই বাস্তব বন্ধুত্বের বড় ভূমিকা রয়েছে বলেই মনে করছেন দর্শকরা।
পর্দায় যতটা বিশ্বাসযোগ্য তাঁদের সম্পর্ক, ক্যামেরার বাইরে তা যেন আরও বেশি আপন। ধারাবাহিকের গল্পে কম্পাসের বিয়ে নিয়ে যত সমস্যা থাকুক না কেন, ঋতজা সবসময়ই বৌমার পাশে দাঁড়িয়েছেন। এই সম্পর্কের সমীকরণই এখন অনেক দর্শকের কাছে বিহান-কম্পাস জুটির জনপ্রিয়তার থেকেও বেশি মূল্যবান। অর্কপ্রভর যে কোনও চরিত্রে মানিতে নেওয়া ক্ষমতা, মল্লিকার সাবলীল অভিনয় এবং পর্ণার স্বাভাবিক উপস্থিতি মিলিয়ে এই সম্পর্কটাকে আলাদা মাত্রা দিয়েছে।
আরও পড়ুনঃ “আগে নিজে সিনেমা করে দেখা, তারপর বড় বড় কথা বলবি”— এই অপমানেই জীবনের দিক বদলে গিয়েছিল অর্জুন চক্রবর্তীর? ঘর ছাড়া হয়েই কিভাবে গুলজারে’র সঙ্গে প্রথম সাক্ষাৎ হয় অভিনেতার?
যদিও এখনও ‘কম্পাস’ টিআরপি তালিকায় শীর্ষে পৌঁছয়নি, তবে চরিত্রগুলোর পারস্পরিক রসায়ন নিয়ে আলোচনা চলছে সর্বত্র। সমাজ মাধ্যমে অনেকেই রোজ কোনও বিশেষ দৃশ্য নিয়ে প্রশংসাও করেন। বিশেষ করে এমন অফস্ক্রিন মজার মুহূর্ত দর্শকদের চরিত্রদের আরও কাছে এনে দিচ্ছে। অনেকেই বলছেন, এই আন্তরিকতাই তাঁদের প্রতিদিন ধারাবাহিকটি দেখার আগ্রহ বাড়িয়ে দিচ্ছে। গল্পের পাশাপাশি এখন ‘কম্পাস’ এর আসল শক্তি হয়ে উঠছে শিল্পীদের একে অপরের সঙ্গে অফ স্ক্রিন বন্ডিংও।






“বাংলা ইন্ডাস্ট্রির একমাত্র সুন্দরী নায়িকা কৌশানি, মা দুর্গার থেকেও বেশি সুন্দরী!” বেনারসি শাড়ি, গা ভর্তি সোনার গয়নায় হবু বৌমা, প্রশংসায় খেই হারিয়ে মন্তব্য পিয়া সেনগুপ্তর! ছেলে বনি আবার ঘুরছেন আঁচল ধরে! ‘হাসবো না কাঁদবো বুঝতে পারছি না’, ‘আপনার থেকে সুন্দরী কেউ হতে পারে?’ ‘এমন শাশুড়ি আমাকেও দিও ভগবান’ নেটপাড়ায় তুমুল হাসাহাসি!