সাম্প্রতিক ‘দেবলীনা নন্দী’কে (Debolinaa Nandy) ঘিরে ঘটনাপ্রবাহ সামনে আসতেই আবারও আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছেন ‘সায়ক চক্রবর্তী’ (Sayak Chakraborty)। আগে যেটা ছিল শুধু বন্ধুত্বের ছবি বা ভ্লগের ফ্রেম, এখন সেই পুরনো মুহূর্তগুলোই নতুন করে ব্যাখ্যার মুখে পড়ছে। দেবলীনাকে নিয়ে জল্পনা, তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের টানাপোড়েন, মানসিক চাপ মিলিয়ে সমাজ মাধ্যমে এক ধরনের দায় চাপানো হচ্ছে সায়কের দিকেই! কারও মতে অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠতাই সমস্যার বীজ। আবার কেউ বলছেন, আসলে পরিচিত মুখ মানেই অতিরিক্ত কৌতূহল আর অনুমানের বন্যা। এই আবহেই এতদিন নীরব থাকা সায়ক অবশেষে মুখ খুললেন।
এদিন তিনি বলেন, “অনেকেই বলছেন, আমি নাকি দেবলীনার সংসার ভাঙ্গার পেছনে প্রধান কারণ। অনেকেই বন্ধুত্ব শব্দটাকে বিকৃত করছেন। তাই আমার এবার নিজের বক্তব্যগুলো জানানোর সময় এসেছে। যারা আমার ভ্লগ দীর্ঘদিন ধরে দেখে আসছেন, তারা জানেন আমাদের দু’জনের মধ্যে সম্পর্কটা ঠিক কেমন। শুধু দেবলীনাই নয়, সুকান্ত-অনন্যা বা প্রেরণা, যাদের সঙ্গে আমাকে দেখা যায়, দেখলেই সবটা বোঝা যায় সম্পর্কটা কেমন! এছাড়া, অনেকেই বলছে আমি ওদের মাঝখানে তৃতীয় ব্যক্তি হয়ে ঢুকেছি। কিন্তু আমি কোথায় এবং কখন ঢুকলাম সেটা একটু বলুন?
আমি যদি দেবলীনাকে ভালোবাসতাম, তাহলে ওর বিয়েতে গিয়ে আমি নাচতাম কেন বলুন তো? বিয়ের আগেই তো সবটা নষ্ট করে দিতে পারতাম! তোমাদের হয়তো বন্ধু নেই বা বন্ধু দেখলেই এমন কথা বলতে ইচ্ছে হয়, আমার এসব হয় না! আমার কাছে যেমন আমার মা, মায়ের জায়গাতেই থাকবে। তেমনই, সুকান্ত আমার ভাই আর অনন্যা আমার ভাইয়ের বউ। অনন্যা কিন্তু আমার বন্ধু নয়! আমার এই ছুকছুকানি স্বভাবটা নেই যে, দিনরাত মেয়েদের মেসেজ করব। আমার প্রোফাইলে এত মেয়ে, কেউ স্ক্রিনশট পাঠিয়ে দেখান তো!
আমি যে রাতের বেলায় অসংগতিপূর্ণ মেসেজ করেছি! আমি চ্যালেঞ্জ নিয়ে বলতে পারি, কোনও মহিলা বা বৌদি এটা দেখাতে পারবে না! তোমাদের হয়তো বাড়িতে বর বা বউ থাকা সত্ত্বেও, বাইরে কারোর সঙ্গে পু’রকি বা ছুকছুকানি চলতে পারে। কিন্তু আমার জীবনে এমন কেউ নেই!” তিনি আরও যোগ করেন, “আমার দাদা এবং সুস্মিতার সম্পর্ক ভেঙেছে। সেটার দায়ও আমাকে দেওয়া হয়! আমি সত্যি বলতে, ওদের সম্পর্ক নিয়ে কিছু বলতে চাই না। এছাড়াও, অনেকেই বলছেন আমি এমন পরিস্থিতিতে দেবলীনার ভ্লগ কেন করেছি?
আরও পড়ুনঃ বছরের শুরুতেই সদ্য বাবা হলেন ‘শান্টু গুণ্ডা’ সৈয়দ আরেফিন! হিন্দু কন্যার সঙ্গে গোপন সেরেছিলেন বিয়ে! এবার ঘরে এলো ছেলে না মেয়ে?
আসলে, ভ্লগটা আমাদের অক্সিজেনের মতো। রোজ সকাল তোমাদের সঙ্গে কথা বলাটা আমাদের অভ্যাস। আমিও যেমন অভিনেতার-ভ্লগার, দেবলীনাও গায়িকার-ভ্লগার। সে যখন বিছানায় শুয়ে, একটু সাহস দিতে এবং ওর জীবন বাঁচিয়ে মধুর যে কাজটা করেছে তার জন্য বাহবা দিতেই ভ্লগটা করেছি। দেবলীনা তো নিজেই ভ্লগে কথা বলেছে! অসুস্থতা মানসিকভাবে আরও বিধ্বস্ত করে তোলে, সেখানে একটু আনন্দ দিতেই ওটা করা।” সব সম্পর্কের হিসেব বাইরে থেকে কষা যায় না। তবে, আলোচনার ভিড়ে সত্যটা কোথায় দাঁড়িয়ে, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।






