বাংলাদেশের জনপ্রিয় মুখ এবং পাবলিক ফিগার, ‘হিরো আলম’ (Hero Alom)। যার জনপ্রিয়তা কেবল ওপর বাংলাতেই সীমিত নয়, বরং এপার বাংলাতেও তাঁকে নিয়ে সমালোচনা নেহাত কম হয়না। এবার হিরো আলমের নাম জড়াল আবার এক চাঞ্চল্যকর মামলায়। একজন বাংলাদেশি মহিলার অভিযোগে, আলম নাকি তাঁকে ধ’র্ষ’ণ (Ra’pe), প্রতা’রণা এবং জোর করে গর্ভ’পাত (Ab’orti’on) করানোর মতো গুরুতর অপরাধ করেছেন।
ওই মহিলার দাবী বিয়ের প্রতিশ্রুতি ও অভিনেত্রী বানানোর স্বপ্ন দেখিয়ে একাধিকবার স’হবা’স করেন তিনি, এই ঘটনার পর উত্তর জনপদ জেলার বগুড়ায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযোগকারী ওই মহিলা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা একসঙ্গে এক ভাড়া বাড়িতে বসবাস করতেন এবং মৌলবী ডেকে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতিও দেন হিরো আলম। কিন্তু তিনি হঠাৎ গর্ভবতী হয়ে পড়েন।
এরপর তাঁকে জোর করে গর্ভ,পাত করানোর জন্য চাপ দেওয়া হয়। এমনকি বাধা দিতে গেলে, তাঁর উপর চালানো হয় শা’রীরি’ক নি’র্যাত’ন। এই ফলেই তাঁর শুরু হয় রক্তক্ষরণ, এবং শেষে হাসপাতালে ভর্তি হতে বাধ্য হন তিনি এবং সেখানেই ঘটে গর্ভ,পাত। এই মামলায় শুধুমাত্র হিরো আলম নন, তাঁর কন্যা আলো খাতুন সহ আরও চারজন অভিযুক্ত আছেন। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন হিরো আলমের দুই সহকারী ও এক সহকারীর স্ত্রী।
যারা ওই মহিলাকে মানসিক ও শা’রী’রিক’ভাবে নি’র্যাত’ন করেছেন। অভিযুক্তরা মিলে তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি পর্যন্ত দিয়েছেন বলে দাবি ওনার। মামলাটি করে হয়েছে বগুড়ার ট্রাইব্যুনাল আদালতে, বিচারক মহম্মদ আনোয়ারুল হক নির্দেশ দিয়েছেন বিষয়টির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করতে এবং রিপোর্ট জমা দিতে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন ও জেলার পুলিশ সুপারকে।
আরও পড়ুনঃ “কীসের ‘অপারেশন সিঁদুর? যে ধর্মের নামে যুদ্ধ হয়, আমি সেই ধর্মকে মানি না।”— পহেলগাঁওয়ের হিন্দুদের উপর হওয়া সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রত্যাঘাত ভারতের! হিন্দু হত্যার পরেও, কবীর সুমনের গলায় যুদ্ধবিরোধী সুর!”
এখন বাংলাদেশের সবার নজর তদন্তের দিকে। যদি অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে এটি হিরো আলমের ভাবমূর্তির উপর বড়সড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। আর যদি মিথ্যা হয়, তবে সেটাও স্পষ্টভাবে উঠে আসবে তদন্তে। কিন্তু আপাতত অভিযোগের ধরন ও বিবরণে জোর ধাক্কা খেয়েছে তারকার খ্যাতির এই মুখ।
“দুই বাচ্চার মা…২০২৫ এ ধূমকেতু হলে নিতাম না!”— ছবি হিট হতেই বদলে গেলেন দেব, শুভশ্রীর অবদান ভুলে গিয়ে মাতৃত্বকে করলেন হেয়! “অপমান করার সাহস কে দিয়েছে? এক মাকে অপমান মানে নিজের মাকেও অপমান।” “আগে মানুষ হও, তারপর অভিনেতা বা প্রযোজক হও”— কটাক্ষ নেটপাড়ার!