শহরতলিতে একটি অনুষ্ঠানে শো করতে গিয়ে হেনস্থার শিকার হয়েছেন অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন এই ঘটনার কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেই তুলে ধরেছেন তিনি। সাধারণত এই ধরনের বিষয় এড়িয়ে চলতেই পছন্দ করেন বলে জানিয়েছেন মিমি। কিন্তু দেশের স্বাধীনতা ও সাম্যের কথা যখন সবাই বলছেন, তখন একজন মহিলা শিল্পীর সঙ্গে এমন আচরণ সামনে আনা জরুরি বলেই মনে করেছেন তিনি।
ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে মিমি লেখেন, তাঁকে বনগাঁর নয়া গোপালগঞ্জ যুবক সংঘ ক্লাবে অনুষ্ঠানের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। শো চলাকালীন আচমকাই তাঁকে মঞ্চ ছেড়ে চলে যেতে বলা হয়। এই বিষয়ে আগে থেকে তাঁকে কিছুই জানানো হয়নি। দর্শকদের সামনে এভাবে অপমানিত হয়ে তিনি কোনও প্রতিবাদ না করেই নিয়ম মেনে মঞ্চ ছাড়েন।
মিমির কথায়, দর্শকাসনে অনেক মানুষ ছিলেন যাঁরা তাঁর সঙ্গে দেখা করার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। অনেকেই ছবি তুলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু পরিস্থিতির কারণে তিনি সেখানে থাকতে পারেননি। এখানেই শেষ নয়, মাইক্রোফোনে সকলের সামনে তাঁর সম্পর্কে আপত্তিকর ও অপমানজনক মন্তব্য করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এই আচরণকে শুধু অপমানজনক নয়, প্রকাশ্য মানহানি বলেও উল্লেখ করেছেন অভিনেত্রী। তিনি জানান, চুপ করে থাকলে এই ধরনের ঘটনা বারবার ঘটতে পারে। তাই তিনি এই বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মিমির মতে, মঞ্চে একজন শিল্পীর সম্মান কখনওই আলোচনার বিষয় হতে পারে না।
আরও পড়ুনঃ বিয়ের আশ্বাসে বছরের পর বছর স’হবাস! অভিনেতার বিরুদ্ধে উঠলো বি’স্ফোরক অভিযোগ! গ্রেফতার জনপ্রিয় অভিনেতা!
প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রসঙ্গ টেনে মিমি লেখেন, আমরা যখন স্বাধীনতা ও সমতার কথা বলি, তখন একজন মহিলা শিল্পীর সম্মান খুব সহজেই ভেঙে দেওয়া হয়। বহু বছর ধরে নিজের পরিশ্রমে তিনি কেরিয়ার ও পরিচিতি গড়ে তুলেছেন। তাই আজ চুপ করে থাকা মানে শিল্পীর অপমান মেনে নেওয়া। আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাওয়ায় তিনি আপাতত এই বিষয়ে আর কোনও মন্তব্য করতে চান না বলেও জানিয়েছেন।






