“আমি চাইনা আমার বায়োপিক তৈরি হোক, আমার কষ্ট ও যন্ত্রণা দেখলে মানুষের মন ভেঙে যাবে” — জানালেন মিঠুন চক্রবর্তী! যেখানে অন্য তারকারা নিজেদের জীবনকাহিনী দিয়ে দর্শকের মনের জায়গা করতে ব্যস্ত সেখানে কেন অভিনেতার এমন সিদ্ধান্ত?

বিনোদন জগতে আজকাল অনেক তারকার জীবনকাহিনী নিয়ে বায়োপিক তৈরি হচ্ছে। সিনেমা বা ওটিটি (OTT) প্ল্যাটফর্মে এই ধরনের চলচ্চিত্র দর্শকদের কাছে খুবই জনপ্রিয়। অনেক সময় এই বায়োপিকগুলো তারকার জীবনের সুখ-দুঃখ, সংগ্রাম ও ব্যক্তিগত জীবন তুলে ধরে। দর্শকরা তাদের প্রিয় তারকার মানসিকতা, সংগ্রাম এবং সাফল্য সম্পর্কে জানতে আগ্রহী। এই ট্রেন্ডটি এখন শুধু বলিউড নয়, টলিউডেও দৃঢ়ভাবে দেখা যায়।

এমনই এক তারকা হলেন মিঠুন চক্রবর্তী। দীর্ঘদিন ধরে তিনি বাংলা ও হিন্দি সিনেমায় কাজ করে কোটি দর্শকের মনে স্থান করে নিয়েছেন। মিঠুন চক্রবর্তীর অভিনয়শৈলী, নৃত্য এবং চরিত্রের বৈচিত্র্য তাকে বিনোদন জগতের একটি কিংবদন্তি করেছে। তিনি বিভিন্ন যুগের সিনেমায় নিজের ছাপ রেখে গেছেন এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম দর্শকের কাছে প্রিয়।

তাঁর জীবনেও ছিল অনেক ওঠাপড়া। ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে তিনি নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছেন। অনেকেই মনে করেন, মিঠুন চক্রবর্তীর সংগ্রাম এবং কঠোর পরিশ্রমের কাহিনী একটি সিনেমার জন্য যথেষ্ট উপকরণ। তবে সেই সংগ্রামের ভেতরের দুঃখ, কষ্ট এবং মানসিক যন্ত্রণার ছবি প্রকাশ করা সহজ কাজ নয়।

সম্প্রতি মিঠুন চক্রবর্তী একটি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, তিনি চান না তাঁর জীবন নিয়ে কোনো বায়োপিক তৈরি হোক। তিনি বলছেন, “আমার কষ্ট ও যন্ত্রণা দেখলে মানুষের মন ভেঙে যাবে। আমি চাই না কেউ আমার ব্যথার গল্প দিয়ে মন খারাপ করুক।” এ বক্তব্যে স্পষ্ট যে, তিনি নিজের ব্যক্তিগত জীবনকে প্রাইভেট রাখতে আগ্রহী।

আরও পড়ুনঃ “আমি শুধুমাত্র অভিনেত্রী, কারোর বউ, মা বা বৌমা নই!” ২০২৬-এর পুজোয় ফের দেবের সঙ্গে জুটি বাঁধার ঘোষণা হতেই অকপট শুভশ্রী গাঙ্গুলী! নতুন বছরে কিসের ইঙ্গিত দিলেন অভিনেত্রী?

মিঠুন চক্রবর্তীর এই সিদ্ধান্ত অনেক ভক্ত এবং চলচ্চিত্রপ্রেমীদের জন্য বিস্ময়কর হলেও তার ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও মানসিক শান্তি গুরুত্বপূর্ন। বিনোদন জগতে তার অবদান অনস্বীকার্য, তবে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আলোড়ন তৈরি না করাই তার পছন্দ। তাঁর বার্তা পরিষ্কার—দর্শকরা তার অভিনয় উপভোগ করুন, কিন্তু ব্যক্তিগত জীবনকে প্রাইভেসিতে রাখুন।

You cannot copy content of this page