বৃহস্পতিবার বাংলা জুড়ে বাংলায় বাঙালিআনার ঝড় বয়ে গিয়েছে। বছরে দুবার এই ঝড় দেখা যায়। সরস্বতী পুজো ও দুর্গা পুজোর অষ্টমীতে। আর বৃহস্পতিবার ছিল প্রথম উৎসবটি। মূলত স্কুল – কলেজের স্টুডেন্টরাই এইদিন আনন্দে মাতোয়ারা থাকে। সেই উৎসবেই বঙ্গ তনয়া মনামী ঘোষের একটি ছবিতে আবার ঘায়েল অনেকে।
আর বড়রা বুঝতে পারেন যে তাঁদের শৈশব হারিয়ে গিয়েছে। তবুও ব্যস্ততার ফাঁকে হয়তো শাড়ি কিংবা পাঞ্জাবি পরে বন্ধুদের সঙ্গে ছোটবেলা খুঁজে নিতে চান অনেকেই। তবে সম্ভবপর হয় কতটা?
সরস্বতী পুজো মানেই একটু বিশেষ তোড়জোড় লেগেই থাকে মেয়েদের। আলমারির তাক থেকে ঠাকুমা – দিদিমার অথবা মায়ের সবথেকে সুন্দর শাড়িটা বেছে নেওয়া। তাতেই গিন্নি হয়ে ওঠা।
আসলে দিন শেষে নিজের আপনজনের কাছে সবাই বাচ্চা হতেই চায়। আর অভিনেত্রী মনামীও তেমনই। তাই ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘সরস্বতী পুজো আর দিদার শাড়ি…’
বাসন্তী অথবা সাদা রঙে কাল সেজে ওঠাই রীতি। সেই রীতি বজায় রেখেছেন তিনিও। এক চটকায় দেখে মনে হতেই পারে যে দেবী সরস্বতী নেমে এসেছেন মর্তে। সাদা ব্লাউজ ও দুধে সাদা শাড়ি, চোখে কাজল, হালকা লিপস্টিক আর কালো টিপ। আচ্ছা বাঙালিদের ঘায়েল করার জন্য কি এর থেকে বেশী আর কিছু দরকার?






“রামচন্দ্রকে আমি একদম পছন্দ করি না!” “লোকের কথায় নিজের স্ত্রীকে অগ্নিপরীক্ষা দিতে বাধ্য করেছিলেন! বলতে পারতেন না, আমার স্ত্রী, তাতে তোমাদের কী?” সীতাকে সবচেয়ে বড় অপমান করেছেন রাবণ না রাম? সতীত্বের প্রমাণ চেয়ে চরম সিদ্ধান্ত, প্রশ্ন তুলে ‘আদর্শ পুরুষ’ রামকে কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন মানসী সিনহা! অভিনেত্রীর যুক্তিতে সহমত দর্শক?