নতুন বছরের প্রথম দিকেই ফের আলোচনার কেন্দ্রে ‘সাহেব ভট্টাচার্য’ (Saheb Bhattacharya) এবং ‘সুস্মিতা দে’ (Susmita Dey)। বারবার মুখে কিছু না বললেও তাঁদের আচরণ আর সমাজ মাধ্যমের নানান ইঙ্গিত মিলিয়ে একটা সত্য ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে উঠছে। এতদিন যেটা নিয়ে শুধু জল্পনা ছিল, নতুন বছর শুরু হতেই সেই গুঞ্জন যেন আরও জোরাল হয়েছে! কাছের মানুষদের সঙ্গে সময় কাটানো, পারিবারিক পরিসরে স্বচ্ছন্দ উপস্থিতি, এই সবই বলছে যে সম্পর্কটা আর আড়ালে নেই!
বর্ষবরণের রাতটা ছিল সেই ইঙ্গিতের সবচেয়ে বড় প্রমাণ। সাহেবের পরিবারের সঙ্গে একেবারে আপনজনের মতো দেখা গেল সুস্মিতাকে। রংমিলান্তি পোশাকে, শুধু বন্ধুর পরিচয়ে নয় বরং পরিবারের আনন্দের মুহূর্তে স্বাভাবিক অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। নাচ-গান, আড্ডা আর হাসি-ঠাট্টার সেই রাতের ঝলক উঠে এসেছে অভিনেত্রীর সমাজ মাধ্যমের পাতায়। সেখানেই অনেকের চোখে পড়েছে একে অপরকে জড়িয়ে ধরে, দু’জনের মুখে তৃপ্তির ছাপ! আর সেটাই যেন বলে দিচ্ছে যে এই সম্পর্ক আর শুধুই সহকর্মীসুলভ নয়।
প্রসঙ্গত, এর আগেও তাঁদের নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। কখনও ‘পাকাদেখা’ তো কখনও আংটি বদলের গুঞ্জনও শোনা গিয়েছিল। সাহেব এবং সুস্মিতা অবশ্য আগেও এমন খবর উড়িয়ে দিয়েছেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দু’জনের ঘনিষ্ঠতা যেভাবে প্রকাশ্যে এসেছে, তাতে সন্দেহের জায়গা কমছে। বিশেষ করে সাহেবের জন্মদিনে সুস্মিতার লেখা আবেগী শুভেচ্ছা অনেকের কাছেই স্পষ্ট করে দিয়েছিল, এই সম্পর্ক বন্ধুত্বের সীমা পেরিয়েছে অনেক আগেই!
এদিকে, দু’জনের ব্যক্তিগত জীবনের অতীতও কম চর্চিত নয়। সুস্মিতার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক আর বাগদান ভেঙে যাওয়ার অভিজ্ঞতা যেমন তাঁর জীবনে বড় অধ্যায়। তেমনই সাহেবের জীবনে গভীর ছাপ রেখে গেছে প্রাক্তনের মৃ’ত্যু আর ব্যক্তিগত ক্ষত! সেই সব ওঠাপড়ার পর বর্তমানে তাঁরা দু’জনেই অনেক বেশি পরিণত। হয়তো সেই কারণেই এই নতুন সম্পর্ককে তাঁরা সময় দিয়ে, ধীরে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছেন বলেই মনে করেন অনেকে।
আরও পড়ুনঃ “করণ জোহরকে মুখের উপরই না করে দিয়েছিলাম!” “শুধু হিন্দি ছবি বা মোটা টাকা বলেই রাজি হওয়া আমার ধরণ নয়”, ‘রকি অউর রানি’তে সুযোগ পেয়েও সরে দাঁড়িয়েছিলেন পরমব্রত! কেন প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন তিনি?
সব মিলিয়ে প্রশ্নটা আবার ঘুরে ফিরে আসছেই যে এবার কি সত্যিই নতুন বছরে নতুন অধ্যায় শুরু হতে চলেছে? বারবার অস্বীকার করেও যে সত্যিটা পুরোপুরি ঢেকে রাখা যায়নি, সেটাই এখন আলোচনার বিষয়। প্রকাশ্যে কিছু না বললেও তাঁদের একান্ত মুহূর্তে ছবি থেকে পারিবারিক ঘনিষ্ঠতা আর নীরব বোঝাপড়াই ইঙ্গিত দিচ্ছে, সাতপাকে বাঁধা পড়ার জল্পনা আর নিছক গুঞ্জন হয়তো থাকছে না। আপনাদের কি মনে হয়, নতুন বছরেই সামাজিক স্বীকৃতি পাবে সাহেব-সুস্মিতার সম্পর্ক?






