দুবাই থেকে অভিনেত্রী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায় ও তাঁর ছেলে ইউভানের কলকাতায় ফেরা নিয়ে উদ্বেগ কাটছে না পরিবারে। স্বামী ও পরিচালক রাজ চক্রবর্তী জানিয়েছেন, সব কিছু অনুকূলে থাকলে বুধবার মধ্যরাতের ফ্লাইটে ফিরতে পারেন মা ও ছেলে। সন্ধ্যার পর পরিস্থিতি আরও স্পষ্ট হবে বলেও তাঁর আশা। তবে পশ্চিম এশিয়ার অস্থির আবহে যেকোনও মুহূর্তে সিদ্ধান্ত বদলাতে পারে। তাই নিরাপদে কলকাতার মাটিতে পা না দেওয়া পর্যন্ত স্বস্তি নেই কারও।
গত শনিবার ইউভানকে নিয়ে দুবাই পৌঁছনোর পর থেকেই কার্যত আটকে রয়েছেন শুভশ্রী। ৫ তারিখে ফেরার টিকিট আগে থেকেই কাটা ছিল। কিন্তু আকস্মিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বিমান চলাচল অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গিয়েছে, দুজনেই সুস্থ ও নিরাপদ আছেন। তবুও দূর দেশে সংঘাতের আবহে প্রিয়জন আটকে থাকলে যে মানসিক চাপ তৈরি হয়, তা সহজেই অনুমেয়। পরিবারে এখন একটাই প্রার্থনা, নির্বিঘ্নে ফিরুক তাঁরা।
শনিবার ভোরে ইরানি ভূখণ্ডে ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ অভিযানের পর থেকেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা অঞ্চল। পাল্টা জবাবে তেহরানও রণংদেহি অবস্থান নেয়। ইজরায়েলি লক্ষ্যবস্তুতে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের খবর সামনে আসে। পাশাপাশি অঞ্চলে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতেও হামলার আশঙ্কা তৈরি হয়। ফলে মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে অনিশ্চয়তা, যার প্রভাব পড়ে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল ও পর্যটন শিল্পে।
এই অশান্তির আঁচ এসে পৌঁছেছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতেও। দুবাইয়ের মতো ব্যস্ত মহানগরেও শোনা যাচ্ছে বিস্ফোরণের শব্দ। ঝলমলে শহরের আকাশে এখন আতঙ্কের ছায়া। কর্মসূত্রে ও পর্যটক হিসেবে সেখানে অবস্থান করছেন বহু ভারতীয়। যুদ্ধের আবহে তাঁদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে দেশে থাকা পরিবারগুলির মধ্যে। প্রশাসন সতর্ক থাকলেও সাধারণ মানুষের মনে ভয় কাটছে না।
আরও পড়ুনঃ ‘গত দোলে পেটে এসেছিল, এই দোলে এক মুখ আবির’ মেয়ে কৃষভিকে ঘিরে আবেগঘন বার্তা কাঞ্চন-শ্রীময়ীর! আড়ম্বর নয়, পরিবারই প্রাধান্য! রাধামাধবের পুজো আর সন্তানের হাসিতে দোল কাটালেন তারকা দম্পতি!
দুবাইয়ে আটকে পড়া এক ভারতীয় জানিয়েছেন, চারদিকে ধোঁয়া আর বিকট শব্দে পরিস্থিতি অস্বস্তিকর হয়ে উঠেছে, ঘরে থাকাও কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমন অনিশ্চয়তার মাঝেই শুভশ্রী ও ইউভানের সম্ভাব্য ফেরার খবর কিছুটা হলেও আশার সঞ্চার করেছে। তবু চূড়ান্ত স্বস্তি মিলবে তখনই, যখন তাঁরা নিরাপদে কলকাতায় ফিরবেন। পরিস্থিতি শান্ত হোক, এটাই এখন সকলের কামনা।






