“ঋ’র ব্যাপারে সবার কৌতূহলটা শুধুমাত্র তার শরীরেই আটকে আছে” প্রাক্তন প্রেমিকাকে নিয়ে বি’স্ফোরক কিউ! তাহলে কি অভিনয়ের মূল্য নেই টলিউডে? কেনই বা বাংলা ইন্ডাস্ট্রির দিকে আঙুল তুললেন তিনি? কোথায় লুকিয়ে আসল সংকট, কী জানালেন পরিচালক?

বাংলা ইন্ডাস্ট্রিতে ব্যতিক্রমী সাহসী চরিত্রের জন্য বরাবরই আলোচনায় থেকেছেন ঋ সেন (Rii Sen)। মডেলিং দিয়ে যাত্রা শুরু করে ধীরে ধীরে তিনি এমন কিছু কাজ বেছে নিয়েছেন, যা মূলধারার বাইরে গিয়ে দর্শকদের ভাবিয়েছে। ‘গা’ন্ডু’, ‘কসমিক সে’ক্স’ বা ‘অটোগ্রাফ’-এর মতো ছবিতে তাঁর অভিনয় একদিকে যেমন প্রশংসা পেয়েছে, তেমনই তৈরি করেছে বিতর্ক। তবে পর্দার বাইরে ঋর জীবন অনেকটাই নির্লিপ্ত ও সরল এই দ্বৈত সত্তাই তাঁকে

পরিচালক কিউ (Qaushiq Mukherjee)-এর সঙ্গে ঋ সেনের সম্পর্ক টলিপাড়ার অন্যতম আলোচিত অধ্যায়। প্রায় ১১ বছর লিভ-ইন সম্পর্কে থাকার পর তাঁদের বিচ্ছেদের খবর সামনে আসে। একসঙ্গে ‘গান্ডু’ বা ‘লাভ ইন ইন্ডিয়া’-র মতো একাধিক সাহসী প্রজেক্টে কাজ করেছেন তাঁরা। তবে ঋর অভিযোগ, তাঁর কঠিন সময়ে কিউ পাশে ছিলেন না—এই বিশ্বাসভঙ্গই সম্পর্ক ভাঙার অন্যতম কারণ।

তবে সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে কিউ জানান, সম্পর্ক ভেঙে গেলেও সম্পূর্ণ দূরত্ব তৈরি হয়নি। তাঁর কথায়, “আমরা একই পাড়ায় থাকি, মাঝেমধ্যে দেখা হয় রাস্তায়।” দীর্ঘ সময় একসঙ্গে কাজ ও থাকার অভিজ্ঞতা তাঁদের মধ্যে একটা আলাদা বন্ধন তৈরি করেছে। যদিও আগের সেই ঘনিষ্ঠতা আর নেই, তবুও একে অপরের প্রতি এক ধরনের সম্মান রয়ে গেছে বলেই ইঙ্গিত দিয়েছেন পরিচালক।

কিউ বলেন, আন্তর্জাতিক স্তরে কাজ করলেও বাংলায় তাঁর প্রাপ্য সম্মান পান না ঋ। তাঁর কথায়, “ঋর ব্যাপারে সবার কৌতূহল শুধু তার শরীরেই আটকে আছে, কিন্তু তার অভিনয়ের মূল্য কেউ দিচ্ছে না।” তিনি আরও জানান, বার্লিন থেকে সানড্যান্স বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মঞ্চে ঋর কাজ প্রশংসিত হলেও বাংলায় সেই স্বীকৃতি অনুপস্থিত।

আরও পড়ুনঃ সব্যসাচীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হতেই, মা হওয়ার ইচ্ছায় নতুন সংসার! পাঁচ নম্বর বিয়ে ঘিরে তোলপাড় নেটপাড়া! এবার সামনে এলো প্রথম দাম্পত্যের চাঞ্চল্যকর তথ্য! জানেন কি, প্রথম বিয়ে কত বয়সে করেছিলেন সুস্মিতা? প্রথম স্বামী কে ছিলেন, কোথায় ছিল শ্বশুরবাড়ি?

এই প্রসঙ্গে কিউ গোটা টলিউড ইন্ডাস্ট্রির দিকেই আঙুল তুলেছেন। তাঁর দাবি, নতুন ধরনের কাজ বা সাহসী চিন্তাধারাকে এখানে গুরুত্ব দেওয়া হয় না। ঋ সেনের মতো অভিনেত্রী, যাঁকে আন্তর্জাতিক পরিচালকরা ব্যবহার করছেন, তাঁকেই বাংলায় অবহেলা করা হচ্ছে—এটা অত্যন্ত দুঃখজনক বলেই মত তাঁর। সব মিলিয়ে, এই মন্তব্য নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে বাংলা সিনেমায় কি সত্যিই প্রতিভার যথাযথ মূল্যায়ন হচ্ছে?

You cannot copy content of this page