“খেলা অনেক আগেই শুরু হয়েছে, ভোটে আমরা খেলতে নামব না, জনগণের ওভার বাউন্ডারি মারার দিন” বিধানসভা নির্বাচনে শাসকদলের জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী রাজ চক্রবর্তী! বিজেপিকে গুণে গুণে ‘ছক্কা’ মারার হুঁশিয়ারি ব্যারাকপুরে তারকা প্রার্থীর!

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি জোর কদমে চলছে। ব্যারাকপুর কেন্দ্রের ভোটে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে আবারও লড়াই করছেন রাজ চক্রবর্তী। ২০২১ সালের নির্বাচনে এই কেন্দ্রে জয়ী হয়ে তিনি বিধায়ক হয়েছিলেন। এবার দ্বিতীয়বারের জন্য দলের পক্ষ থেকে তার ওপর আস্থা রাখা হয়েছে। রাজ চক্রবর্তী নিজের প্রচার শুরু করেছেন এবং বিরোধীদের বিরুদ্ধে শানিত আক্রমণ করছেন, যা নির্বাচনী উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

রাজ চক্রবর্তী নিজের প্রচারে বলেন, “খেলা শুরু হয়ে গেছে। ভোটের দিন আমরা আর নতুন করে খেলতে নামব না, আগেই খেলার প্রস্তুতি সেরে ফেলেছি। ভোটের দিন শুধু গোল করার পালা।” তিনি আরও বলেন, এই নির্বাচনে তার আত্মবিশ্বাস উচ্চ। রাজ চক্রবর্তী মনে করেন, তৃণমূল কংগ্রেসের সংগঠনের শক্তি এবং জনসংযোগের কারণে দল আরও শক্তিশালী হবে। তার দাবি, বিজেপি এবার জনগণের রায়ে পরাজিত হবে এবং ভোটের ফল গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই আসবে।

তিনি বিজেপির বিরুদ্ধে সরাসরি আক্রমণ করে বলেন, “মানুষই বিজেপিকে ছক্কা মেরে মাঠের বাইরে পাঠাবে।” রাজের মতে, জনগণ এবার সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে এবং বিজেপির ‘গেম’ শেষ হয়ে যাবে। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রচারে রাজের আত্মবিশ্বাস এবং আক্রমণাত্মক সুর ভোটের আগেই রাজনৈতিক মাঠে উত্তাপ বাড়িয়ে দিয়েছে। তিনি বলছেন, এখন শুধু গোল করার পালা, অর্থাৎ জয় লাভের জন্য দল পুরোপুরি প্রস্তুত।

এদিন রাজ চক্রবর্তী নির্বাচনী প্রচারে তৃণমূলের সংগঠনের শক্তির ওপর গুরুত্ব দেন। তার মতে, দল শুধু নির্বাচনী জয় পেতে নয়, গণতন্ত্রের শক্তিতে বিশ্বাস রেখে কাজ করছে। তিনি বলেন, “এবার দল শুধু জয়ী হবে না, বরং বিজেপির সব চেষ্টা ব্যর্থ হবে।” রাজের কথায়, নির্বাচনী প্রস্তুতি অনেক আগেই শুরু হয়ে গেছে, এবং দলের জয় নিশ্চিত। তার এই আত্মবিশ্বাসী মন্তব্য ব্যারাকপুরের নির্বাচনী লড়াইকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

আরও পড়ুনঃ  দুঃসংবাদ! মাত্র ৪১ বছরেই শেষ হলো জীবনযুদ্ধ, ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতার অকালপ্রয়াণে ফের টলিপাড়ায় শোকের ছায়া!

এবার ভোটের দিন রাজ চক্রবর্তী ও তার দলের জন্য সেই ‘গোল করার’ সময় আসবে কিনা, সেটাই দেখার বিষয়। যদিও রাজ চক্রবর্তীর আত্মবিশ্বাসী ভাষা এবং তৃণমূলের সংগঠনের শক্তি নিয়ে তৈরি হয়েছে ভোটের মাঠে উত্তেজনা। ব্যারাকপুরের রাজনৈতিক পরিবেশ এখন আরও তীব্র হয়ে উঠেছে, আর রাজ চক্রবর্তী নিশ্চিত যে, তাঁর দলই শেষ হাসি হাসবে।

You cannot copy content of this page