“যারা জীবনের বেশিটায় ঠকে,তারা অন্যদের কোনদিন ঠকায় না!” ?‌ মেয়ে অহনাকে নিশানা চাঁদনীর

সম্পর্ক, ভাঙতে সময় লাগে একটা মুহূর্ত কিন্তু গড়তে সময় লাগে তার থেকেও অনেক বেশী। এই কথা যেকোনো সম্পর্কের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। সম্প্রতি, এই সম্পর্ককে কেন্দ্র করে একটা পোস্ট বেশ নাড়া দিয়েছে নেটিজেনদের। এই মুহূর্তে, সাধারণ ব্যাক্তি হোক বা কোনো বিশেষ কেউ সম্পর্কের প্রভাব পরে সমানভাবে।

বর্তমানে স্টার জলসার ‘অনুরাগের ছোঁয়া’খ্যাত অভিনেত্রী অহনা দত্ত-এর বিয়ের কথা প্রকাশ্যে এসেছে। বেশ কয়েকদিন হল অভিনেত্রীর প্রেমিক অর্থাৎ অনুরাগের ছোঁয়ার রূপটান শিল্পী দীপঙ্কর রায় হতে চলেছে তাঁর জীবন সঙ্গী। কিন্তু, তারপরই এই পোস্টকে কেন্দ্র করে বিষাদগ্রস্ত পোস্ট করেছেন চাঁদনী গঙ্গোপাধ্যায়।

সমাজ মাধ্যমের পোস্টে চাঁদনী লিখেছেন, “যারা জীবনের বেশিটায় ঠকে,তারা অন্যদের কোনদিন ঠকায় না,শুধু বিশ্বাস করতে ভুলে যায়”। প্রসঙ্গত বলা ভালো অভিনেত্রী অহনাকে প্রথম টেলিভিশনের পর্দায় দেখতে পাওয়া যায় জি বাংলা ‘ডান্স বাংলা ডান্স’-এর রিয়েলিটি শোয়ে। এই প্রতিযোগিতায় অহনা এবং তার মা জুটি হিসেবে এসেছিল অংশগ্রহণ করতে।এরপর থেকেই অভিনয় জগতে পা রাখেন অহনা।

Ahona Datta

এই রিয়েলিটি শো-এর মাধ্যমেই জানা যায়, অহনার ডিভোর্সের পর থেকেই তাঁর ধ্যানজ্ঞান হয়েছে এই নাচ। কিন্তু, চাঁদনী দেবী বলে সেই সম্পর্কে বিচ্ছেদ ঘটে দীপঙ্করের জন্যই। ওদিকে, আবার দীপঙ্করও ডিভোর্সি। তবে, দীপঙ্কর এমন কাউকে বিয়ে করা হোক সেটাও মোটেই চাননি চাঁদনী।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অহনার পোস্টকে ঘিরে বিরোধিতা জানিয়েছিলেন স্বয়ং তাঁর মা চাঁদনী দেবী। তবে, জীবনে নানা প্রতিকূলতা এলেও ভালোবাসার মানুষটির হাত ছাড়েনি কখনোই। ২০২৩ সালে গোপনে আইনি মতে বিয়ে সারেন অহনা ও দীপঙ্কর। অবশেষে সেই বিয়ের ফটো প্রকাশ্যে আসে ২০২৫ সালে। এই খবর পেয়ে চমকে ওঠেন তাঁর অনুরাগীরা।

আরও পড়ুনঃ মহিলাদের শৌচালয় নেই! কুম্ভে গিয়ে চরম বিশৃঙ্খলার সম্মুখীন কাঞ্চনপত্নী! উত্তরপ্রদেশ প্রশাসন ব্যর্থ, কটাক্ষ শ্রীময়ীর

অহনার সুখে শান্তিতে সংসার করলেও তাঁর মায়ের সঙ্গে সমস্যা মিটেছে কিনা চাঁদনী দেবীকে জিজ্ঞাসা করাতে তিনি একেবারেই মুখ খুলতে নারাজ। ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কোনো কথা বলতে চাননা তিনি। অবশেষে এই কথা স্পষ্ট যে, মা ও মেয়ের মধ্যে অভিমানের পাহাড় এখনও গলেনি। এখন, অনেক নেটিজেনদের মনে প্রশ্ন নামহীন এই পোস্টটি তিনি তাহলে কার উদ্দেশ্যে লিখেছেন?

You cannot copy content of this page