প্রায় ৮৫ বছর বয়সে ক্যা*ন্সারের সঙ্গে লড়াই করেও অভিনয়ের প্রতি টান অটুট! শরীর মা’রণ রোগ ধরা পড়তেই থমকে গিয়েছিল অভিনয় জীবন, অ’স্ত্রোপচারের পর এখন কেমন আছেন চন্ডিদাস কুমার? বয়সের জন্য সম্ভব হয়নি কেমোথেরাপিও, নিত্য চেকআপ ও ওষুধেই কাটছে দিন! আবার কবে ক্যামেরার সামনে ফিরবেন প্রবীণ অভিনেতা?

বাংলা বিনোদন জগতে এমন বহু প্রবীণ অভিনেতা-অভিনেত্রী রয়েছেন, যাঁরা বয়সকে বাধা হতে দেননি। দীর্ঘদিন অভিনয় করার পরও সুযোগ পেলেই ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছেন তাঁরা। তাঁদের অভিজ্ঞতা এবং অভিনয়ের দক্ষতা আজও দর্শকদের মনে আলাদা জায়গা করে নিয়েছে। সেই তালিকায় রয়েছেন প্রবীণ অভিনেতা চন্ডিদাস কুমারও। প্রায় ৮৫ বছর বয়সেও অভিনয়ের প্রতি তাঁর ভালোবাসা এতটুকু কমেনি।

মালদহের আড়াইডাঙ্গার বাসিন্দা চন্ডিদাস কুমার প্রায় তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে টলিউডের সঙ্গে যুক্ত। চলচ্চিত্রের হাত ধরেই তাঁর অভিনয় জীবনে পথচলা শুরু। নব্বইয়ের দশকে ‘হিমঘর’, ‘ভালোবাসা ও অন্ধকার’, ‘শূন্য থেকে শুরু’-সহ কয়েকটি বাংলা ছবিতে অভিনয় করেন তিনি। তবে অভিনয়কে পেশা হিসেবে নেননি, চাকরির পাশাপাশি সময় পেলেই কাজ করতেন। পরবর্তীকালে ‘সীমানা পেরিয়ে’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে ঘরে ঘরে পরিচিতি পান তিনি।

তবে এই অভিনয়জীবনেই আচমকা নেমে আসে কঠিন সময়। ২০২৩ সালের অক্টোবর নাগাদ চন্ডিদাস কুমার জানতে পারেন, তাঁর শরীরে ক্যান্সার বাসা বেঁধেছে। সেই সময় কালার্স বাংলার ‘রামকৃষ্ণা’ ধারাবাহিকে অভিনয় করছিলেন তিনি। অসুস্থতার কারণে মাঝপথেই কাজ বন্ধ করে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয় তাঁকে। বয়সের কারণে কেমোথেরাপি নেওয়া সম্ভব হয়নি। শেষ পর্যন্ত অস্ত্রোপচার করা হয় তাঁর।

অস্ত্রোপচারের পর বর্তমানে অনেকটাই সুস্থ রয়েছেন অভিনেতা। তবে ক্যান্সারের চিকিৎসা এখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি। নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চেকআপ করাতে হয় তাঁকে, চলছে ওষুধও। অসুস্থতার কারণে দীর্ঘ সময় অভিনয় থেকে দূরে থাকতে হয়েছে চন্ডিদাসবাবুকে। ‘মা’, ‘কে আপন কে পর’, ‘সাহেবের চিঠি’, ‘উমা’, ‘রোজা’-সহ একাধিক ধারাবাহিকে তাঁর অভিনয় দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ “এমএলএ, এমপিরা ভেবেই নেন সারাজীবন তিনিই রাজা থাকবেন আর প্রজাদের উপর মিথ্যাচার চালাবেন…” “আমরা কি স্বাধীনতার সবটা পেয়েছি? স্বাধীন হলে এগুলো কেন হচ্ছে?” ভারতের ৮০তম স্বাধীনতা দিবসে ক্ষমতার দম্ভ নিয়ে মুখ খুললেন পরান বন্দ্যোপাধ্যায়! বর্ষীয়ান অভিনেতার কেন মনে হয়, আমরা আজও অনেক কিছু থেকেই বঞ্চিত?

বয়স এবং শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বিগ্ন তাঁর পরিবার। দুই সন্তানও বাবার সুস্থতার দিকে নজর রাখছেন। তবুও অভিনয়ের প্রতি টান এখনও রয়ে গিয়েছে প্রবীণ এই অভিনেতার। জীবনের এই কঠিন লড়াই পেরিয়ে তিনি দ্রুত সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে আবার ক্যামেরার সামনে ফিরুন এটাই এখন তাঁর অনুরাগী এবং দর্শকদের প্রত্যাশা।

You cannot copy content of this page