মিঠাই ধারাবাহিকে এখন দারুণ একটা পর্ব চলছে। ওমি আগরওয়ালের খেলা শেষ করে দিয়েছে উচ্ছে বাবু। মোদক পরিবারের চিরশত্রু পেয়েছে যোগ্য শাস্তি।
কিন্তু তার আগে একটা টানটান উত্তেজনা রয়েছে। বড় বিপদে পড়েছে মোদক পরিবার। আবার একটা খেলা খেলে দিয়েছে ওমি আগরওয়াল। কিন্তু সেটা জানে না রাতুল। তাই আরো বড় সমস্যা এসে গেছে সবার মাঝে।

আজকের পর্বে একটা দারুণ গল্প আসতে চলেছে। তাই মিস করা যাবে না। আজকে দেখা যাবে ভেতরে যখন সবাই প্রার্থনা করছে আর সেই সময় হঠাৎ রাতুল এসে হাজির হয়। বারবার কলিংবেল বাজাতে থাকে। এটা দেখে সকালে উপর থেকে নিচে নেমে আসে।
রাতুল চিৎকার করে সিদ্ধার্থকে ডাকতে থাকে আর বলে ওরা কোথায়? দরজা খুলছে না কেন? সিদ্ধার্থ ভিতর থেকে কী করবে বুঝতে পারে না। রাতুল তখন দরজা ভাঙতে উদ্যত হয়। ঠিক সেই মুহূর্তে চিৎকার করে ওঠে রাজিব আর থামিয়ে দেয় রাতুলকে। তাকে বলে একটা বড় বিপদে আমরা আছি তুই এর মধ্যে আর আসিস না। রাতুল আবার এটা শুনে প্রশ্ন করে কিসের বিপদ?

খেলা দেখে হেসে ওঠে ওমি আগরওয়াল। সে হচ্ছে বাবুকে সবটা জানিয়ে দিতে বলে রাতুলকে নইলে সবাই একসঙ্গে মারা পড়বে। সিড বাধ্য হয়ে সবটা জানায় রাতুলকে। রাতুল এমনটা শুনে চমকে ওঠে। ওদিকে শ্রী কান্নাকাটি করতে থাকে আর রাতুলকে সেখান থেকে চলে যেতে বলে। আবার নিপা তখন রাতুলকে বলে রুদ্র দাকে সবটা জানাতে।
রাতুল তখন তাড়াহুড়ো করে রুদ্রকে ফোন করে এবং সবটা জানায়। রাজিব খুব ভেঙে পড়ে কারণ হাতে আর মাত্র আধ ঘন্টা সময় রয়েছে তাদের কাছে। তবে তখন শ্রী বলে আজ রাখি বন্ধনের দিন। আর ওমি আগারওয়াল দেখতে চাইছে ওদের সম্পর্কটা কতটা মজবুত। তাই ওরা ঠিক করে ওর সামনেই একে অপরকে রাখি পড়াবে।

উপরে তোর্সা রয়েছে বড় চিন্তায় মিঠাইয়ের সঙ্গে। মিঠাই তখন তাকে নিয়ে গোপালের কাছে প্রার্থনা করে সকলের প্রাণ বাঁচিয়ে দেওয়ার জন্য। শ্রী রাখি নিয়ে আসে আর সকলের হাতে রাখি পরিয়ে দেয়। ওমি এটা দেখে হাসতে থাকে। নীপাকে রাতুল বলে রুদ্রদা এখন ওখানে নেই। কিন্তু এমনটা করে দাঁড়িয়ে না থেকে সকলেই টাইম বম্ব খুঁজতে শুরু করে দেয়।

তবে স্পেশাল অফিসার সুদীপ্ত রায় বোম ডিফিউজ করার লোক নিয়ে চলে আসবেন। পরবর্তী গল্প কী হবে একটা মোটামুটি আন্দাজ করা যাচ্ছে। মিঠাই এর মাথায় গোপাল বুদ্ধি দেবে, মিঠাই দৌড়ে গিয়ে বাড়ির মেন সুইচ বন্ধ করে দেবে ফলে সিসিটিভি কানেকশন উড়ে যাবে আর ওমি কিছু দেখতে পাবে না। তখন পুলিশ অফিসার এবং ডিফিউজ করার লোক বাড়িতে ঢুকবে কোনভাবে আর বোমাটার তার কেটে দেবে।

কিন্তু শ্রী-নীপা সবাইকে রাখি পরালেও নন্দা কিন্তু সিডকে পরালো না রাখি। এমনটা দেখে অবাক হয়ে গেছে দর্শকরা। নন্দা আসেইনি অথচ আগেরদিন রাতে তো সেও বাপের বাড়িই ছিল। এবার সকলে বলছেন যে বুঝেই না তাহলে সিট কে রাখি পরাবে না বলে নন্দা আসেইনি সীনে।






“তুমি কিন্তু থামোনি, এই বয়সেও সুন্দর চালিয়ে যাচ্ছ!” স্বামীর উদ্দেশ্যে অভিনেত্রীর পরোক্ষ খোঁচা! ৩১ বছরের দাম্পত্য জীবন, কৌশিক সেনের পাশে বেমানান লাগে রেশমিকে! কী উত্তর দিলেন তিনি?