তিনি পরিচিত ছিলেন আশাকন্ঠী হিসেবে। তবে নিজেকে আশাকন্ঠী হিসেবে শুনতে ভালোবাসতেন না তিনি। আসলে তিনি চেষ্টা করতেন আশা দেবীর গানের স্টাইলকে নকল করতে। আর তা করতে গিয়েই তিনি পরিচিত হয়েছিলেন আশাকন্ঠী হিসেবে। ৯০ এর দশকে তাঁর গান মন ছুঁয়ে গিয়েছিল বাঙালি শ্রোতাদের।
তবে মিতা চ্যাটার্জীর গান হিসেবে যে গানটি দর্শকদের মন ছুঁয়ে গিয়েছিল সেটি হল ‘পালকিতে বউ চলে যায়।’ বলা বাহুল্য ৯০ এর দশক থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত বিয়ের গান মানে প্রথমেই বাঙালির মনে যে গানের লাইনটি ভেসে ওঠে, সেটি হল ‘পালকিতে বউ চলে যায়।’ সেই তখন থেকে এখন পর্যন্ত এই গানটি সমানভাবে জনপ্রিয়।
তবে ওই একটি গান নয়, তার পরেও প্রচুর সুপার হিট গান উপহার দিয়েছেন তিনি। কিন্তু ‘পালকিতে বউ চলে যায়’ থেকে গেছে মিতা চ্যাটার্জীর সিগনেচার গান হিসেবে। এই গানের জনপ্রিয়তাকে ছাপিয়ে যেতে পারেনি অন্য কোনও গান।
জানিয়ে রাখা ভালো এই গানটি প্রথম যখন মুক্তি পায় তখন কিন্তু একেবারেই জনপ্রিয়তা পায়নি। কিন্তু গানটি প্রায় ৭ বছর পর ফের যখন দ্বিতীয়বার মুক্তি পায় তখন এই গানটি ব্যাপক মাত্রায় জনপ্রিয়তা অর্জন করে। খোদ গায়িকা জানিয়েছিলেন এই বিষয়ে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মিতা চ্যাটার্জী কিন্তু নিজের কেরিয়ার শুরু করেছিলেন একজন আশাকন্ঠী হিসেবে। আর আশাকন্ঠী হিসেবেই শ্রোতাদের মাঝে তার তেমনই জনপ্রিয়তা ছিল। আশা ভোঁসলের গান গেয়ে তিনি জনপ্রিয় হয়েছিলেন। যদিও এই পরিচয় পছন্দ ছিলনা তাঁর। তিনি চাইতেন নিজের নামে পরিচিতি পেতে।
এরপরই নিজের আলাদা পরিচয় গড়ে তুলতে তৎপর হন গায়িকা। ১৯৯৩ সালে একটি মিউজিক কোম্পানির তরফ থেকে তাঁর গলায় ‘পালকিতে বউ চলে যায়’ গানটি রিলিজ হয়। কিন্তু দুর্ভাগ্য, গানটি শ্রোতাদের মধ্যে সাড়া ফেলতে পারেনি। বলা যায় শ্রোতাদের কাছে পৌঁছায়নি গানটি। এরপর ওই মিউজিক কোম্পানিটিও পরে উঠে যায়। এই ঘটনার ৭ বছর পর অন্য একটি মিউজিক কোম্পানি ২০০০ সালে ওই একই গান পুনরায় রিলিজ করার সিদ্ধান্ত নেয়। আর তারপর সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছে যায় গানটি।
জানা যায় আশাকন্ঠী মিতার সঙ্গে একবার সাক্ষাৎ হয়েছিল আশা ভোঁসলের। জানা যায়, মিতা দেবী একটি অনুষ্ঠানে আশা ভোঁসলের দেখা পেয়েছিলেন। সেই সময় মিতা ভারতবর্ষের স্বনামধন্য গায়িকার পায়ের কাছে বসে প্রণাম করেন তাঁকে। মিতাকে আশীর্বাদ করেন গায়িকা। মিতা চ্যাটার্জি জানিয়েছিলেন ওইদিন আশা ভোঁসলে তাঁকে জীবনের পথে এগিয়ে যাওয়ার আশীর্বাদ করেছিলেন।






“রামচন্দ্রকে আমি একদম পছন্দ করি না!” “লোকের কথায় নিজের স্ত্রীকে অগ্নিপরীক্ষা দিতে বাধ্য করেছিলেন! বলতে পারতেন না, আমার স্ত্রী, তাতে তোমাদের কী?” সীতাকে সবচেয়ে বড় অপমান করেছেন রাবণ না রাম? সতীত্বের প্রমাণ চেয়ে চরম সিদ্ধান্ত, প্রশ্ন তুলে ‘আদর্শ পুরুষ’ রামকে কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন মানসী সিনহা! অভিনেত্রীর যুক্তিতে সহমত দর্শক?