স্টার জলসার ধারাবাহিক ‘রাজরাজেশ্বরী রাণী ভবানী’ (Rajrajeshwari Rani Bhabani) শুরুতেই দর্শকের মনে জায়গা করে নিয়েছিল। প্রথম দিকের জমজমাট গল্প, চরিত্রের গভীরতা আর ঐতিহাসিক আবহ মিলিয়ে জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছেছিল শুরুর একমাসের মধ্যেই! কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে টিআরপি তালিকায় ওঠানামার লড়াই যেন ধীরে ধীরে ধারাবাহিকের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করে। তা সত্ত্বেও এত দ্রুত শেষ হবে, সেটা দর্শক তো বটেই কলাকুশলীরাও ভাবেননি!
প্রসঙ্গত, এই ধারাবাহিকের কেন্দ্রীয় চরিত্র রাণী ভবানী হয়ে ওঠা ‘রাজনন্দিনী পাল’-এর (Rajnandini Paul) কাছেও এই সফর ছিল ভীষণ আবেগের। এদিন সমাজ মাধ্যমে চরিত্রের একটি ছবি পোস্ট করে তিনি আবেগঘন বার্তা লেখেন। প্রতিদিন চরিত্রটির ভেতরে ঢুকে কাজ করার অভিজ্ঞতা যে তাঁর অভিনয় জীবনে আলাদা জায়গা করে নেবে, তা নিজেই স্বীকার করেছেন অভিনেত্রী। রাণী ভবানীর দৃঢ়তা এবং দৃষ্টিভঙ্গি নাকি ধীরে ধীরে তাঁর জীবনের অংশ হয়ে উঠেছিল!
দর্শকের ভালোবাসা আর প্রশংসা তাঁকে বারবার মনে করিয়ে দিয়েছে এই চরিত্র শুধু পর্দার নয়, মানুষের মনেও জায়গা করে নিয়েছে। ধারাবাহিকের শেষ লগ্নে দাঁড়িয়ে তাই রাজনন্দিনী নিজের অনুভূতি ভাগ করে নিয়েছেন সংযত অথচ আন্তরিক ভাষায়। তিনি আরও জানিয়েছেন, এই গল্প এবং চরিত্র তাঁকে শুধু একজন অভিনেত্রী হিসেবে নয়, একজন মানুষ হিসেবেও সমৃদ্ধ করেছে! কাজের ফাঁকে ফাঁকে তৈরি হওয়া ছোট ছোট আনন্দের মুহূর্ত,
সেটের পরিবেশ মিলিয়ে এই যাত্রা তাঁর কাছে আজীবনের স্মৃতি হয়ে থাকবে। তিনি বলেন, শেষ দিনের শুটিংয়েও দর্শকের ভালোবাসার কোনও ঘাটতি ছিল না। সেই আবেগ তাঁকে কৃতজ্ঞতায় ভরিয়ে দিয়েছে। প্রযোজক, পরিচালক থেকে শুরু করে সহ-অভিনেতা এবং টেকনিশিয়ান, সবাই মিলেই যে এই ধারাবাহিককে প্রাণবন্ত করে তুলেছিলেন, তা উল্লেখ করতে ভোলেননি রাজনন্দিনী। প্রত্যেকের অবদানই এই কাজকে বিশেষ করে তুলেছে বলে তাঁর বিশ্বাস।
আরও পড়ুনঃ “আমায় দেখে অনেকেই মনে করছেন আমি ভীষণ অসুস্থ…” বদলে যাওয়া চেহারা ঘিরে জল্পনা! সমাজ মাধ্যমে শরীর নিয়ে স্পষ্ট বার্তা শঙ্কর চক্রবর্তীর! সত্যিই কি কিছু হয়েছে বর্ষীয়ান অভিনেতার?
উল্লেখ্য, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই দর্শকের কাছ থেকে যে ভালোবাসা আর স্নেহ তিনি পেয়েছেন, সেটাকেই নিজের সবচেয়ে বড় অর্জন বলে মনে করেন অভিনেত্রী। কিছুদিনের বিরতি এলেও এই যাত্রার স্মৃতি তাঁকে এগিয়ে চলার শক্তি দেবে বলেই মনে করেন তিনি। দর্শকের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তাঁর অনুভূতির শেষটায় ছিল একটাই বার্তা “ভক্তদের ভালোবাসাই বড় সম্বল। জয় মা ভবানী!” আপনারা কতটা মিস করবেন, ‘রাণী ভবানী’ রাজনন্দিনীকে?
View this post on Instagram






